তাহলে কি অবসরে যাচ্ছেন ধোনি?

ঢাকা, বুধবার   ২৬ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ১২ ১৪২৬,   ২১ শাওয়াল ১৪৪০

তাহলে কি অবসরে যাচ্ছেন ধোনি?

 প্রকাশিত: ১৮:৩২ ১৮ জুলাই ২০১৮   আপডেট: ১৮:৩২ ১৮ জুলাই ২০১৮

ধনির অবসরে  যাওয়া

ধনির অবসরে যাওয়া

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে হেরে গেছে ভারত। ফলে ২-১ এ সিরিজ হাতছাড়া। এর পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জোর গুঞ্জণ তৈরি হয়েছে মহেন্দ্র সিং ধোনিকে নিয়ে। ভারতের সর্বকালের সেরা এই অধিনায়ক নাকি ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় বলতে যাচ্ছেন।

কয়েকদিন আগে সায়ত্রিশ বছরে পা দেওয়া ধোনি নিজেই গুঞ্জনের রসদ তৈরি করেছেন। মঙ্গলবার ৪২ রানের ইনিংস খেলেছেন ধোনি। এদিন ভারতীয়দের পক্ষে যা তৃতীয় সর্বোচ্চ ইনিংস। কোহলির ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৭১ রান। ধাওয়ান করেন ৪৪ রান। ভারত আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২৫৬ রান সংগ্রহ করে। জবাবে জো রুট ও ইয়ন মরগানের ব্যাটে ভর করে ৮ উইকেটের জয় তুলে নেয় ইংল্যান্ড। ভারতের বিপক্ষে ৭ বছর পর ওয়ানডে সিরিজ জিতল ইংল্যান্ড।

কিন্তু হারের পর ম্যাচের আম্পারদের কাছ থেকে ‘ম্যাচ বল’টি চেয়ে নেন ধোনি। আর এতেই উঠে গেছে গুঞ্জন। তবে কি ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটি খেলে ফেললেন ধোনি? তা না হলে ম্যাচের বলটি নিজের কাছে রাখতে চাইবেন কেন?

এমনিতে ম্যাচের বল, স্টাম্প প্রায় সময়ই আম্পায়ারদের কাছ থেকে চেয়ে নিয়ে থাকেন খেলোয়াড়রা। তবে সেটি জয়ী দলের খেলোয়াড়রাই করে থাকে। ধোনি হেরে যাওয়া ম্যাচের বল সংগ্রহে রাখার কারণ হিসেবে সবাই অবসর প্রসঙ্গটাই আনছেন। সমর্থকদের ভাবনা, হয়তো আর ওয়ানডে ম্যাচে দেখা যাবে না তাকে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধোনির বল চেয়ে নেওয়া ভিডিও এখন ভাইরাল। সেখানেই সমর্থকরা নানা মন্তব্য করছেন ঘটনাটি নিয়ে। সবারই একই প্রশ্ন, কেন ধোনি এদিন বলটি নিজের সংগ্রহে রাখার জন্য আম্পায়ারদের কাছ থেকে চেয়ে নিলেন।

২০১৪ সালে সাদা পোষাকের ক্রিকেটকে বিদায় বলেন ধোনি। এরপর থেকে ওয়ানডে ও টি টোয়েন্টি খেলে যাচ্ছেন তিনি। বয়সের কারণে কেউ কেউ ধোনির দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তোলেছেন, নিজের জায়গা ধরে রেখে তরুণদের পথ রুদ্ধ করছেন। কিন্তু ভারতীয় কোচ রবি শাস্ত্রি ও অধিনায়ক বিরাট কোহলি ধোনির পাশে ছিলেন সব সময়। ধোনি অবশ্য ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত খেলা চালিয়ে যেতে চেয়েছেন। কিন্তু এই গুঞ্জন সত্যি হলে ভিন্ন কিছুই হবে।

ধোনির নেতৃত্বে ভারত ২০০৭ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয় করে। ২০১৩ সালে জিতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফিও।

ডেইলি বাংলাদেশ/সালি