তারকা তৈরির কারখানায় নারীদের দিয়ে যা করানো হয়
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=154288 LIMIT 1

ঢাকা, শনিবার   ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ৪ ১৪২৭,   ৩০ মুহররম ১৪৪২

Beximco LPG Gas

তারকা তৈরির কারখানায় নারীদের দিয়ে যা করানো হয়

কানিছ সুলতানা কেয়া ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:১২ ৩ জানুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৬:১৮ ৩ জানুয়ারি ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

তারকা হতে আবার কারখানায় যেতে হয় না-কি! জানলে অবাক হবেন যে চীন, কোরিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তারকা তৈরির উদ্দেশ্যে রয়েছে পপ স্টার ফ্যাক্টরি। যেখানে মাত্র তিন বছর বয়স থেকে শিশুরা প্রশিক্ষণ নেয়া শুরু করে।

এই পপ তারকা হওয়া আদতে কতটা কঠিন, কতটা কাঠখড় পুড়িয়ে নাচ শিখে হতে হয় তাদের। আবার কতটা সহজেই তারা হারিয়ে যান জনপ্রিয়তার ভিড়ে। এই পপ তারকা হওয়ার মূল্য কতটা পরিশোধ করতে হয় শিল্পীদের, জেনে নিন সে সম্পর্কে-

ছোট থেকেই প্রশিক্ষণ নিতে হয় তাদেরমানসিকভাবে তারকা হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ছোট থেকে বড় হতে থাকে শিশুরা। শারীরিক পরিশ্রমের পাশাপাশি মানসিক ধকলও আছে। পপ আইডল হতে চাওয়া আর যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়া একই কথা। এই যুদ্ধে নেমে অনেকেই শেষ পর্যন্ত টিকতে পারেন না। তারাই টিকে থাকেন, যারা নিজেকে সর্বোচ্চ কষ্ট দিয়ে হলেও সফলতার চূড়ায় পৌঁছাতে চান।

বিশ্বের যেকোনো দেশের তুলনায় চীনারা অনেক বেশি সংস্কৃতিমনা। তারা খুব ছোট বেলা থেকেই বিভিন্ন পেশার জন্য তৈরি হতে থাকে। চীনে পপ তারকাদের বেশ কদর রয়েছে। আর তাই চীনে গড়ে উঠেছে পপ তারকা তৈরির এজেন্সি।

নাচে গানে পারদর্শী হতে হয় তাদেরচীনের এই পপ তারকা তৈরির আইডল শিল্প শত শত কোটি ডলারের ব্যবসা। চীনের বেইজিং এ রয়েছে অসংখ্য পপ তৈরির ট্রেনিং প্রতিষ্ঠান। সেখানে তিন বছর থেকে শুরু করে নানা বয়সী মেয়েরা ট্রেনিং নিতে আসে। ছেলেবেলা থেকেই নানা বিদ্যায় তাদের তৈরি করা হচ্ছে। এসব এজেন্সিগুলো তাদের ট্রেইনিদের বিভিন্ন ট্যালেন্ট শো’তে পাঠায়। তাদের আশা এখান থেকে বিজয়ীরা একসময় বিখ্যাত হবে।

এই তরুণ পপ আইডল শিক্ষানবিশরা ভবিষ্যতে তারকা হওয়ার স্বপ্ন দেখে। সেখানকার একজন শিক্ষার্থী ইয়াং জিংশিন জানায়, সে প্রায় তিন বছর ধরে এখানে আইডল হওয়ার ট্রেনিং নিচ্ছে। মাত্র ১২ বছর বয়সী ইয়াং আরো বলেন, পপ আইডলের জীবনে গ্ল্যামার রয়েছে। তারা দেখতে সুন্দর। আর তাই ইয়াংও পপ তারকা হতে চান। নাচের একেকটি মুভ আয়ত্ব করতে সে আধা ঘণ্টা সময় দেয়। 

মঞ্চ মাতোনোই তাদের কাজমুখের অভিব্যক্তিও বোঝার চেষ্টা করে। সবগুলো মুভ একসঙ্গে গেঁথে যতক্ষণ না তার শার্ট ঘামে ভিজে যায় ততক্ষণ পর্যন্ত অনুশীলন করে। তবে পপ আইডলের জনপ্রিয়তার আয়ু অনেক কম। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের ধারও কমে যেতে থাকে। শিক্ষা-দীক্ষা না থাকলে তাদের পরবর্তী জীবন খুব সহজ হয় না। 

নিজের প্রতি তারা গভীর বিশ্বাস রাখে। ভালোভাবে ট্রেনিং আর লেখাপড়া না করলে জীবনটা নষ্ট হয়ে যাবে। ইয়াং এর ধারণা এতে তার জীবনের কোনো মানে থাকবে না। সে ধরণের জীবন সে চায়ও না। তাই পপ তারকা হওয়ার পাশাপাশি নিজেকে শিক্ষিত ও যোগ্য করে তুলতে লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।    

সূত্র: বিবিসি

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস