Exim Bank Ltd.
ঢাকা, শনিবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

তাপস নিঃশ্বাস বায়ে, মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে

বছর পরিক্রমায় আবার এলো বৈশাখ। পহেলা বৈশাখ, বাঙালির প্রাণের উৎসব। অসাম্প্রদায়িক ও সর্বজনীন উৎসব। বিগত বছরের সমস্ত গ্লানি, জরা, ব্যর্থতা আর হতাশা ভুলে নতুন একটি শান্তি ও সমৃদ্ধির বছরকে বরণ করে নেবে বাঙালি। রাত বারোটা বাজতেই সময়ের হিসাব থেকে খসে যাবে আরো একটি বাংলা বছর। আর সূর্যোদয়ের সাথে সাথেই বাংলা বর্ষপঞ্জিতে যোগ হবে একটি নতুন বছর। শুরু হবে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। বাংলা বছরের প্রথম মাস বৈশাখের ১ তারিখ দিনটি বাংলা নববর্ষ হিসেবে উদযাপিত হয়। দিনটি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও নববর্ষ হিসেবে বিশেষ উৎসবের দিন হিসেবে পালিত হয়। ত্রিপুরায় বসবাসরত বাঙালিও এই উৎসবে অংশ নেয়। সারা বিশ্বের বাঙালি অতীত বছরের সকল দুঃখ-গ্লানি ভুলে এ দিনে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়। সবার কামনা, যেন নতুন বছরটি সমৃদ্ধ ও সুখময় হয়। বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা একে নতুনভাবে ব্যবসা শুরু করার উপলক্ষ হিসেবে বরণ করে নেয়। এ উপলক্ষে আয়োজন করা হয় ‘হালখাতা’ অনুষ্ঠান।

সম্রাট আকবরের সময় থেকেই ‘পহেলা বৈশাখ’ উদযাপন শুরু হয়। কিন্তু তখনকার পহেলা বৈশাখ উদযাপন এখনকার মতো ছিল না। তখনকার পহেলা বৈশাখ পালনে ভিন্নতা ছিল। যেমন, বছর শুরুর আগের দিনে, অর্থাৎ চৈত্র মাসের শেষ দিনের মধ্যেই সকলকে সকল প্রকার খাজনা-মাশুল-শুল্ক পরিশোধ করতে হত। আর পরের দিন, অর্থাৎ পহেলা বৈশাখে ভূমির মালিকরা, অর্থাৎ জমিদাররা নিজ নিজ অঞ্চলের অধিবাসীদের মিষ্টি দিয়ে আপ্যায়ন করতেন। খাজনা পরিশোধ করা উপলক্ষ্যে বিভিন্ন উৎসবেরও আয়োজন করা হত।

বংলা নববর্ষ উদযাপনের খবর প্রথম পাওয়া যায় ১৯১৭ সালে। প্রথম মহাযুদ্ধে ব্রিটিশদের বিজয় কামনা করে সে বছর পহেলা বৈশাখে হোম কীর্তন ও পূজার ব্যবস্থা করা হয়। এরপর ১৯৩৮ সালেও অনুরূপ কর্মকাণ্ডের উল্লেখ পাওযা যায়। পরবর্তী সময়ে ১৯৬৩ সনের আগে ঘটা করে পহেলা বৈশাখ পালনের রীতি তেমন একটা জনপ্রিয় হয়নি। আকবরের সময় ঢাকার ইসলামপুরে এক কাপড়ের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের হালখাতা অনুষ্ঠান থেকেই পহেলা বৈশাখ উদযাপন শুরু হয়। তখন প্রত্যেককে চৈত্র মাসের শেষ দিনের মধ্যে সকল খাজনা, মাশুল ও শুল্ক পরিশোধ করতে হত। এর পরদিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখে ভূমির মালিকরা নিজ নিজ অঞ্চলের অধিবাসীদের মিষ্টান্ন দিয়ে আপ্যায়ন করতেন। এ উপলক্ষে বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন করা হত। এই উৎসবটি একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে পরিণত হয়, যার রূপ পরিবর্তন হয়ে বর্তমানে পর্যায়ে এসেছে।

পহেলা বৈশাখের দিন নির্ধারণ

পহেলা বৈশাখ আমাদের বাংলা পঞ্জিকার প্রথম মাস বৈশাখের ১ তারিখ বা প্রথম দিন। গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি অনুসারে পহেলা বৈশাখ পালন করা হয় ১৪ এপ্রিল। আর তা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ-ই।

বাংলা সনের প্রবর্তন

হিন্দু সৌরপঞ্জিকা শুরু হতো গ্রেগরিয়ান পঞ্জিকায় উল্লিখিত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে। তবে এই সৌরপঞ্জিকাতে বাংলার বারটি মাস অনেক বছর আগে থেকেই পালিত হয়ে আসছিল বলে দাবি করেছেন অনেক ইতিহাসবিদ।

হিন্দু সৌরপঞ্জিকার আমলেও নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখে উৎসব পালন করা হত। তবে সে উৎসব ছিল ঋতুধর্মীয় উৎসব। মূলত তখনকার কৃষিকাজ-ভিত্তিক সমাজেই নিহিত ছিল এই উৎসবের তাৎপর্য। বঙ্গ, নেপাল, ত্রিপুরা, আসাম, উড়িষ্যা, কেরালা, মনিপুর, পাঞ্জাব, তামিলনাড়ুর অধিবাসীরা পালন করত এ উৎসব। পালন করত তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির এক অপরিহার্য অংশ হিসেবেই।

খেয়াল রাখা দরকার, বাংলা সনের সঙ্গে হিজরি সন ও খ্রিস্টীয় বা গ্রেগরিয়ান সনের অনেক পার্থক্য আছে। যেমন, হিজরি সনের দিনগণনা শুরু হয় সন্ধ্যার নতুন চাঁদের আগমনের মধ্য দিয়ে। অন্যদিকে, গ্রেগরিয়ান সনের দিনগণনা শুর হয় মধ্যরাতে ঘড়ির কাঁটা বারটার ঘর ছুঁলে। আর বাংলা সনের দিন শুরু হয় সূর্যোদয়ের মধ্য দিয়ে। আর তাই বাঙালির পহেলা বৈশাখ বা বর্ষবরণও শুরু হয় ভোরের হাস্যোজ্জ্বল সূর্যোদয় দিয়ে।

ভারতবর্ষের মোগল সম্রাটরা কৃষি পণ্যের খাজনা আদায় করতেন হিজরি পঞ্জিকার দিন-তারিখ অনুযায়ী। কিন্তু হিজরি সন আবার নির্ভর করে সম্পূর্ণ চাঁদের উপর। ফলে খাজনা আদায় করা নিয়ে প্রচুর বিপত্তি হতে শুরু করল। তখন তৎকালীন মোগল সম্রাট আকবর সুষ্ঠুভাবে খাজনা আদায়ের লক্ষ্যে এক নতুন পঞ্জিকা প্রবর্তন করেন। এই পঞ্জিকাটির সনই বাংলা সন হিসেবে পরিচিত।

আগে পহেলা বৈশাখের এই দিনে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ‘হালখাতা’ খোলা হত। সে দিন প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় দেনা-পাওনার হিসাব আনুষ্ঠানিকভাবে হালনাগাদ করা হত। অর্থাৎ আগের বছরের হিসাবের পাঠ চুকিয়ে নতুন হিসাব শুরু করা হত। নতুন হিসাবের খাতা খুলে এই হিসাব হালনাগাদ করাকেই বলা হত হালখাতা। হালখাতার দিনে দোকানিরা ক্রেতাদের মিষ্টি দিয়ে আপ্যায়ন করে থাকে। এত বছর পরে আজও কিন্তু এই প্রথাটি অনেকাংশে প্রচলিত রয়েছে। বিশেষ করে স্বর্ণের দোকানদাররা ক্রেতাদের এখনও পহেলা বৈশাখে মিষ্টি দিয়ে আপ্যায়ন করেন।

১৯১৭ সালের উৎসবটি একটু বিশেষভাবেই উদযাপন করা হয়েছিল। সে বারে অবশ্য একটা আলাদা উদ্দেশ্যও ছিল-- প্রথম মহাযুদ্ধে ব্রিটিশদের বিজয় কামনা। তবে পরবর্তীতে সে উদ্দীপনা আর ছিল না। পরে ১৯৬৭ সালে আবার জাঁকজমকের সঙ্গে পহেলা বৈশাখ উদযাপন শুরু হয়।

বাংলাদেশের পহেলা বৈশাখআমাদের দেশে পহেলা বৈশাখের সবচেয়ে বড় উৎসব হয় ঢাকা শহরে। আর সে উৎসবের প্রাণকেন্দ্র বলা যেতে পারে রমনা বটমূলে আয়োজিত ছায়ানটের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ছায়ানটের শিল্পীরা এ দিন খুব ভোরবেলা থেকেই সম্মিলিত কণ্ঠে বৈশাখী আগমনী গানের মাধ্যমে নতুন বছরের সূর্যকে স্বাগত জানান। তবে রমনা বটমূলে বলা হলেও, প্রকৃত পক্ষে যে গাছের ছায়ার নিচে প্রতি বছর মঞ্চটি তৈরি করা হয়, সেটা আসলে একটা পুরনো অশ্বত্থ গাছ।

এই উৎসবটিরও কিন্তু ইতিহাস আছে। পাকিস্তানি শাসনামলে শাসকরা বাঙালি সংস্কৃতি দমিয়ে রাখার জন্য অনেক কিছুই করেছিল। একবার তো ওরা রবীন্দ্রনাথের কবিতা ও গানের উপরই নিষেধাজ্ঞা জারি করে বসে। এর প্রতিবাদেই ছায়ানট ১৩৭৫ বঙ্গাব্দে অর্থাৎ ১৯৬৫ সালে রমনা পার্কে পহেলা বৈশাখ উদাযাপনের আয়োজন করে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’ গানের মধ্যে দিয়ে স্বাগত জানানো হয় বৈশাখকে। সেই ধারা আজও অব্যাহত আছে। আর ১৯৭২ সালে থেকে এটিকে জাতীয় উৎসব হিসেবেই এক রকম স্বীকৃত দিয়ে দেয়া হয়।

ঢাকার পহেলা বৈশাখের জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের আরেক আকর্ষণ ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’। প্রথম মঙ্গল শোভাযাত্রা আয়োজিত হয় ১৯৮৯ সালে। এখনকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ তখন ছিল চারুকলা ইন্সটিটিউট। সেই চারুকলা ইন্সটিটিউটের উদ্যোগে ও আয়োজনেই পহেলা বৈশাখের সকালে এই শোভাযাত্রাটি বের হয়। তারপর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার তা ফিরে আসে চারুকলায়। আর সে শোভাযাত্রায় রং-বেরঙের মুখোশে আর বিভিন্ন প্রাণীর প্রতিমূর্তি দিয়ে একেক বছর তুলে ধরা হয় আবহমান বাংলার সংস্কৃতি। একেক বছর এই শোভাযাত্রার জন্য একেক থিম বেছে নেওয়া হয়। কোনো বছর থিম রাখা হয় হাতি, কোনো বছর কুমির, কোনো বছর বাঘ। আবার কখনও এই শোভাযাত্রার মাধ্যমে প্রতিবাদও জানানো হয়।

এছাড়া এইদিনে বাংলা একাডেমী, নজরুল ইন্সটিটিউট, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী, বাংলাদেশ শিশু একাডেমী, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, বুলবুল ললিতকলা একাডেমী, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন, নজরুল একাডেমী, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনসহ আরো অনেক প্রতিষ্ঠানই উদযাপন করে পহেলা বৈশাখ।পহেলা বৈশাখের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান বৈশাখী মেলা। কোনো কোনো জায়গায় এই মেলা চলে পুরো সপ্তাহ জুড়ে। এক হিসেবে দেখা গেছে, সারা বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখ ও বৈশাখের প্রথম সপ্তাহে প্রায় ২০০টি মেলা অনুষ্ঠিত হয়।বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি অঞ্চলে বাংলা নববর্ষ ও চৈত্রসংক্রান্তি উপলক্ষে সেখানকার স্থানীয় অধিবাসীরা আয়োজন করেন ‘বৈসাবি’।

নববর্ষ উদযাপনের জন্য দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে থাকে বিশেষ ছুটি। পহেলা বৈশাখ রাত ১২ টা থেকে শুরু, না সূর্যোদয় থেকে শুরু, এ নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকলেও ১৪০২ সালের ১ বৈশাখ থেকে বাংলা একাডেমি আন্তর্জাতিক রীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে রাত ১২টায় দিন গণনা শুরুর নিয়ম চালু করে।

নববর্ষ আমাদের জীবনে কেবল মাত্র একটি উৎসব নয় বরং এটি একটি চেতনার প্রতিরূপক। মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ভুলিয়ে দিয়ে নববর্ষ আমাদেরকে উজ্জীবিত করে একান্তই মানবতাবোধে। এ দিনটি আমাদের দরিদ্র, নিপীড়িত, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রেরণা যোগায়। নববর্ষ একদিকে যেমন নির্মল আনন্দের খোরাক, অন্যদিকে তেমনি একটি চেতনার ধারক। আর তাই কোনো সাংস্কৃতিক সন্ত্রাস যেন আমাদের ঐতিহ্যকে গ্রাস করতে না পারে সে ব্যাপারে প্রত্যেক বাঙালিকেই সচেতন হয়ে উঠতে হবে

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
শিস দিয়েই দুই বাংলার তারকা জামালপুরের অবন্তী
শিস দিয়েই দুই বাংলার তারকা জামালপুরের অবন্তী
সুজির মালাই পিঠা
সুজির মালাই পিঠা
আশুরার রোজা: নিয়ম ও ফজিলত
আশুরার রোজা: নিয়ম ও ফজিলত
তরুণীদের বেডরুমে নেয়ার পর হত্যা করাই কাজ
তরুণীদের বেডরুমে নেয়ার পর হত্যা করাই কাজ
সূরা আল নাস এর গুরুত্ব ও ফজিলত
সূরা আল নাস এর গুরুত্ব ও ফজিলত
রাতে ফেসবুক বন্ধ চান রওশন
রাতে ফেসবুক বন্ধ চান রওশন
অবন্তী সিঁথির জয়জয়কার
অবন্তী সিঁথির জয়জয়কার
যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবেই তুমি বাংলাদেশ!
যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবেই তুমি বাংলাদেশ!
যৌনতায় ঠাসা ৫টি সিনেমা
যৌনতায় ঠাসা ৫টি সিনেমা
মিলনে ‘অপটু’ ট্রাম্প, বোমা ফাটালেন এই পর্নো তারকা!
মিলনে ‘অপটু’ ট্রাম্প, বোমা ফাটালেন এই পর্নো তারকা!
উচ্চতা বাড়ায় যেসব খাবার
উচ্চতা বাড়ায় যেসব খাবার
‘তারেকের তিন গাড়ি, আমার বোন চলে বাসে’
‘তারেকের তিন গাড়ি, আমার বোন চলে বাসে’
‘শাহরুখ’ আর রেডি গোয়িং টু জাহান্নাম!
‘শাহরুখ’ আর রেডি গোয়িং টু জাহান্নাম!
নিককে প্রকাশ্যে চুমু খেলেন প্রিয়াঙ্কা
নিককে প্রকাশ্যে চুমু খেলেন প্রিয়াঙ্কা
বিয়ে ছাড়াই মা হলেন জিৎ-এর প্রেমিকা!
বিয়ে ছাড়াই মা হলেন জিৎ-এর প্রেমিকা!
‘পবিত্র আশুরা’
‘পবিত্র আশুরা’
সূরা বাকারার শেষ অংশের ফজিলত
সূরা বাকারার শেষ অংশের ফজিলত
স্টিফেন হকিংয়ের পাঁচ ভয়ংকর ভবিষ্যদ্বাণী
স্টিফেন হকিংয়ের পাঁচ ভয়ংকর ভবিষ্যদ্বাণী
বিবাহিতা বা সন্তানের মা হলে ১০ লাখ জরিমানা!
বিবাহিতা বা সন্তানের মা হলে ১০ লাখ জরিমানা!
মহররম ও আশুরা: করণীয় ও বর্জনীয়
মহররম ও আশুরা: করণীয় ও বর্জনীয়
শিরোনাম:
৪-১ গোলে মালিদ্বীপের নিউ রেডিয়ান্ট স্পোর্টস ক্লাবকে হারিয়েছে বসুন্ধরা কিংস ৪-১ গোলে মালিদ্বীপের নিউ রেডিয়ান্ট স্পোর্টস ক্লাবকে হারিয়েছে বসুন্ধরা কিংস রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে দুই ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যা রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে দুই ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যা পুঠিয়ায় থেমে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ পুঠিয়ায় থেমে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ তানজানিয়ায় ফেরি ডুবে নিহতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে তানজানিয়ায় ফেরি ডুবে নিহতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে