Exim Bank Ltd.
ঢাকা, শুক্রবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

তাওয়াক্কুল: একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত

নিউজ ডেস্কডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
তাওয়াক্কুল: একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত
ফাইল ছবি

তাওয়াক্কুল মানে হচ্ছে কোনো কিছু হাসিল করার উদ্দেশ্যে যথাসাধ্য চেষ্টা করা। একই সাথে এই বিশ্বাস রাখা যে, মহান আল্লাহ যা আমার জন্য কল্যাণকর তাই আমাকে দিবেন।

জীবনের কঠিনতম সময়ে এই তাওয়াক্কুল মানুষকে শান্তি দেয়, ধীরস্থির এবং সৎ রাখে।

মহান আল্লাহ তাআলার ওপর ভরসা ইসলামে একটি বিরাট বিষয়। এর গুরুত্ব ও মর্যাদা অপরিসীম। মহান আল্লাহর প্রতি ভরসা ছাড়া কোনো বান্দাই কোনো মূহুর্ত অতিবাহিত করতে পারে না। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতও বটে।

কেননা এর মাধ্যমে মহান আল্লাহর তাওহীদের সাথে সম্পর্ক গাড় ও গভীর হয়। রাব্বুল আলামিন বলেন-

وَتَوَكَّلْ عَلَى الْحَيِّ الَّذِي لَا يَمُوتُ

“আর ভরসা কর সেই জীবিত সত্বার (আল্লাহর) ওপর, যিনি কখনো মৃত্যু বরণ করবেন না।” (সূরা ফুরক্বান-৫৮)

এই আয়াতে মহান আল্লাহ তাআলা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তাঁর ওপর ভরসা করার আদেশ করেছেন। তিনি ছাড়া অন্য কারো নিকট নিজেকে পেশ করবেন না। কেননা তিনি চিরঞ্জীব, তাঁর মৃত্যু নেই। তিনি পরাক্রমশালী, কোনো কিছুই তাঁকে পরাজিত করতে পারে না। যে ব্যক্তিই তাঁর ওপর নির্ভর করবে তার জন্য তিনিই যথেষ্ট হবেন- তাকে সাহায্য ও সমর্থন করবেন।

আর যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ওপর ভরসা করবে, সে তো এমন কিছুর ওপর ভরসা করল যে মৃত্যু বরণ করবে, বিলীন ও ক্ষয় হয়ে যাবে। দুর্বলতা ও অপারগতা তাকে চারদিক থেকে ঘিরে রয়েছে। এ কারণে তার প্রতি ভরসা কারীর আবেদন বিনষ্ট হয়ে যায়, সে হয়ে যায় দিশেহারা।

এ থেকেই বুঝা যায় মহান আল্লাহর উপর ভরসা করার ফযীলত ও মর্যাদা কি?! তাঁর সাথে হৃদয়ের সম্পর্ককে গভীর করার গুরুত্ব কতটুকু?!

‘তাওয়াক্কুল আল্লাহ বা আল্লাহর ওপর ভরসা করার অর্থ:

দুনিয়া-আখেরাতের যাবতীয় বিষয়ের কল্যাণ লাভ ও ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য সঠিক ভাবে অন্তর থেকে মহান আল্লাহর ওপর নির্ভর করা। বান্দা তার প্রতিটি বিষয় মহান আল্লাহর ওপর সোপর্দ করবে। ঈমানে এই দৃঢ়তা আনবে যে, দান করা না করা, উপকার-অপকার একমাত্র তিনি ছাড়া আর কারো অধিকারে নেই।

মহান আল্লাহ তাআলা মুমিন বান্দাদেরকে তাওয়াক্কুলের প্রতি উদ্বুদ্ধ করে পবিত্র কোরআনে অনেক আয়াত উল্লেখ করেছেন। তার মর্যাদা ও ফলাফল উল্লেখ করেছন। তন্মধ্যে:

মহান আল্লাহ বলেন:

وَعَلَى اللَّهِ فَتَوَكَّلُوا إِنْ كُنتُمْ مُؤْمِنِينَ

“তোমরা যদি মুমিন হয়ে থাকে তবে আল্লাহর ওপরেই ভরসা কর।” (সূরা মায়েদা- ২৩)

তিনি আরো বলেন:

وَعَلَى اللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلْ الْمُؤْمِنُونَ

“মুমিনগণ যেন একমাত্র আল্লাহর ওপরেই ভরসা করে।” (সূরা তওবা- ৫১)

রাব্বুল আলামিন আরো এরশাদ করেন:

وَمَنْ يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ

“যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ভরসা করবে, তিনিই তার জন্য যথেষ্ট হবেন।” (সূরা ত্বলাক- ৩)

মহান আল্লাহ আরো বলেন:

فَإِذَا عَزَمْتَ فَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُتَوَكِّلِينَ

“যখন তুমি দৃঢ়ভাবে ইচ্ছা করবে, তখন আল্লাহর ওপর ভরসা করবে। নিশ্চয় আল্লাহ ভরসা কারীদের ভালবাসেন।” (সূরা আল ইমরান- ১৫৯)

হাদীছ গ্রন্থ সমূহেও তাওয়াক্কুলের গুরুত্ব ও তার প্রতি উদ্বুদ্ধ করে অনেক হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। ওমার বিন খাত্তাব (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা যদি সঠিকভাবে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করতে তবে তিনি তোমাদেরকে রিযিক দান করতেন- যেমন পাখিকে রিযিক দান করে থাকেন- তারা খালি পেটে সকালে বের হয় এবং পেট ভর্তি হয়ে রাতে ফিরে আসে।” (আহমাদ, তিরমিযী, নাসাঈ ও ইবনু মাজাহ)

হাফেয ইবনু রজব (র.) বলেন, তাওয়াক্কুলের ক্ষেত্রে এ হাদীছটিই হল মূল। আর তাওয়াক্কুলই হল জীবিকা পাওয়ার অন্যতম মাধ্যম। মহান আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَمَنْ يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَلْ لَهُ مَخْرَجًا وَيَرْزُقْهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ وَمَنْ يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ

“আর যে আল্লাহ্কে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্যে নিষ্কৃতির পথ করে দেবেন। এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিজিক দেবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ভরসা করে তার জন্য তিনিই যথেষ্ট।” (সূরা ত্বালাক-২,৩)

জাবের বিন আবদুল্লাহ (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেন, “কোন প্রাণী তার নির্দিষ্ট রিজিক পরিপূর্ণরূপে না পাওয়া পর্যন্ত সে মৃত্যু বরণ করবে না। সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং রিজিক অনুসন্ধানের জন্য সুন্দর (বৈধ) পন্থা অবলম্বন কর। যা তোমাদের জন্য হালাল করেছেন তা গ্রহণ কর,আর যা হারাম করেছেন তা পরিত্যাগ কর।” (ইবনু মাজাহ্, হাকেম ও ইবনু হিব্বান)

ওমার (রা.) বলেন, “বান্দা এবং তার রিজিকের মধ্যে একটি পর্দা রয়েছে। সে যদি অল্পে তুষ্ট হয় এবং তার আত্মা সন্তুষ্ট হয় তবে তার রিজিক তার কাছে সহজে আগমন করবে। আর যদি সীমালঙ্ঘন করে এবং উক্ত পর্দাকে ফেড়ে ফেলে, তবে তার নির্দিষ্ট রিজিকের অতিরিক্ত কোনো কিছু তার নিকট পৌঁছবে না।”

জনৈক বিদ্বান বলেন, “তুমি আল্লাহর ওপর ভরসা কর, রিজিক তোমার কাছে ক্লান্তি ও অতিরিক্ত কষ্ট ছাড়া সহজেই এসে যাবে।”

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা স্মরণ রাখতে হবে যে, বিশুদ্ধভাবে মহান আল্লাহর ওপর ভরসার সাথে আবশ্যক হল, জীবিকার উপায়-উপকরণ অনুসন্ধান করা ও কাজ করা- ভরসা করে বসে না থাকা। মহান আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَاتَّقُوا اللَّهَ وَعَلَى اللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلْ الْمُؤْمِنُونَ

“তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, আর মুমিনগণ যেন আল্লাহর ওপরই ভরসা করে।” (সূরা মায়েদা-১১)

এখানে ভরসা করার সাথে সাথে আল্লাহকে ভয় করার কথা বলা হয়েছে। আর তা নির্দেশিত যাবতীয় বিষয়ের উপকরণকে শামিল করছে। সুতরাং নির্দেশিত উপকরণ অবলম্বন না করে বা কাজ না করে শুধু ভরসা করে বসে থাকা বিরাট ধরণের অপারগতা- যদিও এতে তাওয়াক্কুল পাওয়া যায়। সুতরাং কোন বান্দার জন্য উচিত নয় যে,ভরসাকে অপারগতায় রূপান্তরিত করবে অথবা অপারগতাকে ভরসায় রূপান্তরিত করবে। বরং যে সমস্ত উপকরণ সে অবলম্বন করবে তার মধ্যে ভরসাও শামিল থাকবে।

এ অর্থে একটি হাদীছও বর্ণিত হয়েছে। আনাস (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন; জনৈক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! উটটিকে বাঁধার পর আল্লাহর ওপর ভরসা করব? নাকি আল্লাহর উপর ভরসা করে (না বেঁধেই) ছেড়ে দিব? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “আগে তা বেঁধে দাও, তারপর আল্লাহর ওপর ভরসা কর।” (তিরমিযী)

এক্ষেত্রে একদল লোক বিভ্রান্তির মধ্যে পড়ে (প্রয়োজনীয় উপকরণ অবলম্বন না করে, কাজ না করে,পরিশ্রম না করে) নিজেদের অপারগতাকে ভরসা ভেবেছে, আর তাকেই ওযর বা ছুতা হিসেবে গ্রহণ করেছে। ফলে নিজের এবং পরিবারের অনেক অধিকার- ওয়াজিব বিষয় বিনষ্ট করেছে।

প্রিয় নবী (সা.) বলেন, “কোন ব্যক্তির পাপী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, যাদের খরচ বহন করা তার ওপর আবশ্যক তাদেরকে বিনষ্ট করা তথা তাদেরকে প্রয়োজনীয় খরচ না দেয়া।” (আবু দাউদ)

এদের উদ্দেশ্য করে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “শক্তিশালী মুমিন আল্লাহর নিকট দুর্বল মুমিনের চাইতে অধিক উত্তম ও বেশী প্রিয়। অবশ্য উভয়ের মধ্যে কল্যাণ রয়েছে। উপকারী বিষয়ের প্রতি আগ্রহী হবে এবং তা হাসিল করার জন্য আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করবে, অপারগতা প্রকাশ করবে না। যদি কোনো ক্ষতি হয়ে যায়, তবে কখনই এরূপ বলবে না যে, ‘যদি’ আমি এটা করতাম তবে এরূপ এরূপ হত। বরং তখন বলবে, আল্লাহ যা নির্ধারণ করেছেন এবং তিনি যা চান তাই করেন। কেননা ‘যদি’ শয়তানের দরজা উন্মুক্ত করে।” (ছহীহ মুসলিম)

উল্লেখ্য যে, ভরসার ক্ষেত্রে মানুষের দুর্বলতা একমাত্র তাক্বদীরের প্রতি ঈমানের দুর্বলতা থেকেই সৃষ্টি হয়। কেননা মানুষ যখন তার যাবতীয় বিষয় মহান আল্লাহর কাছে সোপর্দ করে, আর তিনি যা ফায়সালা করেন তাতে সন্তুষ্ট হয়ে যায় ও তা পছন্দ করে, তাহলে সে প্রকৃত ভাবে তাওয়াক্কুল বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু সে যদি মহান আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ওপর ভরসা করে এবং তার সাথেই স্বীয় হৃদয়কে সংশ্লিষ্ট করে, তবে নি:সন্দেহে সে লাঞ্ছিত হবে, স্বীয় মহান রব থেকে উদাসীন।

ইবনু মাসঊদ (রা.) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, “কোন ব্যক্তি যদি অভাবী হয়, অত:পর তার অভাবের কথা মানুষের কাছে পেশ করে, তবে তার অভাব দুর করা হবে না। আর যে ব্যক্তি তা আল্লাহর কাছে পেশ করে, অনতিবিলম্বে আল্লাহ তাকে অভাব মুক্ত করে দিবেন।” (আবু দাউদ )

শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়া (র.) বলেন, কোনো মাখলুকের কাছে যে ব্যক্তি আশা করবে এবং তার ওপর ভরসা করবে, তার উক্ত ধারণা নি:সন্দেহে বাতিল হবে এবং সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আর সে হবে মুশরিক।

মহান আল্লাহ বলেন:

وَمَنْ يُشْرِكْ بِاللَّهِ فَكَأَنَّمَا خَرَّ مِنْ السَّمَاءِ فَتَخْطَفُهُ الطَّيْرُ أَوْ تَهْوِي بِهِ الرِّيحُ فِي مَكَانٍ سَحِيقٍ

“আর যে কেউ আল্লাহর সাথে শরীক করে সে যেন আকাশ থেকে আছড়ে পড়ল, অত:পর পাখি তাকে ছোঁ মেরে নিয়ে গেল, কিংবা বায়ু তাকে উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে এক দূরবর্তী স্থানে নিক্ষেপ করল।” (সূরা হাজ্জ-৩১)

শায়খ সুলায়মান বিন আবদুল্লাহ বিন আবদুল ওয়াহাব (র.) বলেন, তাওয়াক্কুল দুই প্রকার:

(১) এমন বিষয়ে তাওয়াক্কুল করা- যে ব্যাপারে আল্লাহ ছাড়া কারো কোনো ক্ষমতা নেই। যেমন, কোনো কোনো মানুষ মৃত ব্যক্তি এবং তাগুতের ওপর ভরসা করে এই আশায় যে, তারা তাদেরকে সাহায্য করবে, তাদের জীবিকার ব্যবস্থা করবে, তাদের জন্য শাফাআত করবে… এগুলো সবই বড় শিরক যা ব্যক্তিকে ইসলাম থেকে বের করে দিবে।

(২) বাহ্যিক উপায়-উপকরণ ও বস্তুর ওপর ভরসা করা। যেমন কোনো আমীর বা বাদশার ওপর ভরসা করা এমন বিষয়ে যা বাস্তবায়নের ক্ষমতা আল্লাহ তাকে দিয়েছেন। যেমন চাকরীর ব্যবস্থা করা বা নির্দিষ্ট কোনো বিপদ দূর করা। এটা ছোট শিরকের অন্তর্ভুক্ত।

বৈধ ভরসা হল- একজন মানুষ অপরজনকে তার পক্ষ থেকে কোনো কাজ আদায় করার দায়িত্ব দেয়া। দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি উক্ত বিষয়ে সামর্থ্য রাখবে। এক্ষেত্রেও সে ব্যক্তির ওপর পুরাপুরি নির্ভর করবে না। বরং উক্ত বিষয় বাস্তবায়নের জন্য সে নিজে এবং ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ভরসা করবে।

তাওয়াক্কুলের বাস্তবায়ন এবং বৈধ উপায়-উপকরণ অবলম্বন করার সাথে সাথে হৃদয়কে মহান আল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত করার জন্য এ উদাহরণটি উল্লেখযোগ্য: রাসূলুল্লাহ (সা.) হিজরতের সময় মদিনার দিকে যাওয়ার জন্য মক্কা থেকে উল্টা দিকে গমন করেন। আর তা ছিল রাতের আঁধারে। অত:পর তাঁরা ‘ছওর’নামক গুহায় আত্মগোপন করেন। আবু বকর (রা.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হিজরতের ঘটনা বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেন, আমরা যখন ‘গারে ছওরে’ ছিলাম তখন আমি উপর দিকে দৃষ্টি দিয়ে দেখলাম মুশরেকদের পা আমাদের মাথার ঠিক উপরেই। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! তাদের কেউ যদি নিজের পায়ের দিকে তাকায় তাহলেই আমাদেরকে দেখতে পাবে। তখন তিনি আমাকে বললেন, “আমাদের দুইজন সম্পর্কে তোমার ধারণা কি হে আবু বকর! আল্লাহ আমাদের তৃতীয় জন। অর্থাৎ আমাদের সাহায্যকারী।” (বুখারী ও মুসলিম)

যে কথা পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ এভাবে বর্ণনা করেছেন,

إِذْ أَخْرَجَهُ الَّذِينَ كَفَرُوا ثَانِيَ اثْنَيْنِ إِذْ هُمَا فِي الْغَارِ إِذْ يَقُولُ لِصَاحِبِهِ لَا تَحْزَنْ إِنَّ اللَّهَ مَعَنَا

“যখন তাকে কাফেররা বহিষ্কার করেছিল, তিনি ছিলেন দুইজনের একজন, যখন তারা গুহার মধ্যে ছিলেন। তখন তিনি আপন সঙ্গীকে বললেন, বিষন্ন হয়ো না, আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন।” (সূরা তওবাহ-৪০)

সুতরাং যে ব্যক্তি মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করবে, সে অকল্পনীয় ভাবে তার মর্যাদা লাভ করবে, তার ফলাফল ভোগ করবে। আর সে হবে সর্বাধিক উন্মুক্ত হৃদয়ের মানুষ, সবচাইতে সুখী মানুষ।

মহান আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে তাঁর প্রতি সঠিকভাবে ভরসা করার তাওফীক দান করুন। আমীন।

আরো পড়ুন>>> রিজিক বাড়ানোর ৬ ঐশী উপায়

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
শিস দিয়েই দুই বাংলার তারকা জামালপুরের অবন্তী
শিস দিয়েই দুই বাংলার তারকা জামালপুরের অবন্তী
সুজির মালাই পিঠা
সুজির মালাই পিঠা
আশুরার রোজা: নিয়ম ও ফজিলত
আশুরার রোজা: নিয়ম ও ফজিলত
তরুণীদের বেডরুমে নেয়ার পর হত্যা করাই কাজ
তরুণীদের বেডরুমে নেয়ার পর হত্যা করাই কাজ
সূরা আল নাস এর গুরুত্ব ও ফজিলত
সূরা আল নাস এর গুরুত্ব ও ফজিলত
অবন্তী সিঁথির জয়জয়কার
অবন্তী সিঁথির জয়জয়কার
যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবেই তুমি বাংলাদেশ!
যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবেই তুমি বাংলাদেশ!
যৌনতায় ঠাসা ৫টি সিনেমা
যৌনতায় ঠাসা ৫টি সিনেমা
মিলনে ‘অপটু’ ট্রাম্প, বোমা ফাটালেন এই পর্নো তারকা!
মিলনে ‘অপটু’ ট্রাম্প, বোমা ফাটালেন এই পর্নো তারকা!
‘তারেকের তিন গাড়ি, আমার বোন চলে বাসে’
‘তারেকের তিন গাড়ি, আমার বোন চলে বাসে’
নিককে প্রকাশ্যে চুমু খেলেন প্রিয়াঙ্কা
নিককে প্রকাশ্যে চুমু খেলেন প্রিয়াঙ্কা
বিয়ে ছাড়াই মা হলেন জিৎ-এর প্রেমিকা!
বিয়ে ছাড়াই মা হলেন জিৎ-এর প্রেমিকা!
উচ্চতা বাড়ায় যেসব খাবার
উচ্চতা বাড়ায় যেসব খাবার
রাতে ফেসবুক বন্ধ চান রওশন
রাতে ফেসবুক বন্ধ চান রওশন
‘পবিত্র আশুরা’
‘পবিত্র আশুরা’
সূরা বাকারার শেষ অংশের ফজিলত
সূরা বাকারার শেষ অংশের ফজিলত
‘শাহরুখ’ আর রেডি গোয়িং টু জাহান্নাম!
‘শাহরুখ’ আর রেডি গোয়িং টু জাহান্নাম!
বিবাহিতা বা সন্তানের মা হলে ১০ লাখ জরিমানা!
বিবাহিতা বা সন্তানের মা হলে ১০ লাখ জরিমানা!
কাকে বিয়ে করবেন?
কাকে বিয়ে করবেন?
এ কেমন কাণ্ড পুলিশ পুত্রের!
এ কেমন কাণ্ড পুলিশ পুত্রের!
শিরোনাম:
রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে দুই ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যা রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে দুই ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যা পুঠিয়ায় থেমে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ পুঠিয়ায় থেমে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ তানজানিয়ায় ফেরি ডুবে নিহত ৪০ তানজানিয়ায় ফেরি ডুবে নিহত ৪০