তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কমেছে ১ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা

ঢাকা, সোমবার   ২০ মে ২০১৯,   জ্যৈষ্ঠ ৬ ১৪২৬,   ১৪ রমজান ১৪৪০

Best Electronics

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কমেছে ১ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা

 প্রকাশিত: ১৫:২০ ৭ জুন ২০১৮  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে গুরুত্বে রেখেছে সরকার। আগামী অর্থবছরে তথ্য প্রযুক্তি বিভাগ ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ মিলিয়ে ৬ হাজার ৬৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে এ প্রস্তাব পেশ করেন তিনি।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে গত বাজেটের তুলনায় ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বরাদ্দ কমেছে এক হাজার ২৯৩ কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরের জন্য এ বিভাগে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে দুই হাজার ৬৮১ কোটি টাকা।

২০১৭-১৮ অর্থবছরে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগকে এককভাবে বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল তিন হাজার ৯৭৪ কোটি টাকা।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এর ব্যানারে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক ও বহুমুখী ব্যবহার আমাদের অভীষ্ট প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং দারিদ্র্য হ্রাস ও সামাজিক গতিশীলতা বাড়াতে সহায়তা করছে। আগামীতে উচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারা সুসংহত ও টেকসই করতে জিডিপিতে শিল্পখাতের তুলনামূলক অবদান বাড়াতে হবে। এক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর দিকে নজর দিতে চাই। ফলে সামনের দিনগুলোতে আমাদের তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভরতা আরো বাড়বে।

মুহিত বলেন, চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন অবকাঠামো নির্মাণ ও ইন্টারনেট সেবা সম্প্রসারণের কাজ চলমান রেখেছি। ৬টি বিভাগ হতে ঢাকা পর্যন্ত ৪.৪০৮ জিবিপিএস এবং জেলা হতে বিভাগ পর্যন্ত মোট ৫.৯২৮ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ সরবরাহ এবং ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক (4G, LTE) স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দেশব্যাপী বিস্তৃত তথ্যপ্রযুক্তি কাঠামোর নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে Cyber space এবং Internet ভিত্তিক সাইবার ক্রাইম পর্যবেক্ষণ এবং প্রতিহত করাসহ সব ধরনের তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

যুগের চাহিদার সঙ্গে সংগতি রেখে তরুণদের নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও উদ্যোগ গ্রহণে উৎসাহিত করা, তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও উদ্ভাবিত সামগ্রী ব্র্যান্ডিং ও বাণিজ্যিকীকরণ, মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরির লক্ষ্যে ‘উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি’ প্রতিষ্ঠা করা হবে। উদ্ভাবনভিত্তিক ব্যক্তি উদ্যোগের বিকাশ এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প গড়ে তোলা ও কর্মসংস্থানে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারি সেবা সহজ করতে Utility Payment Platform (UPP) স্থাপন করা হচ্ছে; উপবৃত্তির টাকা পৌঁছাতে ২০ লাখ ‘মা’ কে দেয়া হচ্ছে টেলিটকের সিম।

ডেইলি বাংলাদেশ/ এলকে

Best Electronics