Alexa ঢাবিতে ‘বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস’ পালিত

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৭ অক্টোবর ২০১৯,   কার্তিক ১ ১৪২৬,   ১৭ সফর ১৪৪১

Akash

ঢাবিতে ‘বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস’ পালিত

ঢাবি প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:৫৯ ১০ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ১৮:১৪ ১০ অক্টোবর ২০১৯

ডেইলি বাংলাদেশ

ডেইলি বাংলাদেশ

বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান এসব কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এবছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল ‘মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন ও আত্মহত্যা প্রতিরোধ’।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিসের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মাহমুদ আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে বাংলাদেশ মনোবিজ্ঞান সমিতি (বিপিএ) আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মো. মুরাদ হাসান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. মাহফুজা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ‘ আত্মহত্যা প্রতিরোধ’ বিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিপিএ’র সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ মাহমুদুর রহমান। প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক।

এছাড়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূইয়া, বিপিএ’র মহাসচিব অধ্যাপক ড. মো. শামসুদ্দীন ইলিয়াস এবং অনুষ্ঠানের আহবায়ক ফারুকুল ইসলাম।

এ উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-নির্দেশনা ও পরামর্শদান দফতর এবং অ্যাডুকেশনাল ও কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের যৌথ উদ্যোগে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র চত্বরে স্থাপিত প্রদর্শনী স্টলে সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

 এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র-নির্দেশনা ও পরামর্শদান দফতরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মেহ্জাবীন হক।
 
দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিল সেমিনার, গোলটেবিল আলোচনা, র‌্যালি, মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা প্রভৃতি।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য ও শারীরিক স্বাস্থ্য ভাল না থাকলে পরিপূর্ণভাবে সুস্থ ও ভালো থাকা সম্ভব নয়। মানসিক অশান্তি ও হতাশার কারণে কিশোর-কিশোরী ও তরুণ-তরুণীসহ অনেকে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। এ বিষয়ে সমাজ ও পরিবারে সচেতনতা বাড়াতে হবে। মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ও বিবেকবোধ জাগ্রত করতে হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম