ঢাকা, রোববার   ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯,   ফাল্গুন ৫ ১৪২৫,   ১১ জমাদিউস সানি ১৪৪০

ঢাবিতে আইন সমিতির বার্ষিক সম্মেলন

ঢাবি প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৫:২২ ৭ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৫:২২ ৭ ডিসেম্বর ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বিচার বিভাগের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বিচার বিভাগের দক্ষতা হচ্ছে একটি দেশের সাফল্যের মাপকাঠী। শুক্রবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি)   বাংলাদেশ আইন সমিতির ৩৩ তম বার্ষিক সম্মেলন-২০১৮ তে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন এ কথা বলেন। 

বিশ্বব্যাপী আইন পেশা একটি মহান পেশা হিসেবে স্বীকৃত। বাংলাদেশ আইন সামিতি বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক, মানব-উন্নয়নসহ দরিদ্র ও সহায়-সম্বলহীন জনগনকে আইনি সেবা প্রদানে নিরন্তর প্রচেষ্ঠা চালিয়ে যাবে বলে প্রধান বিচারপতি   আশা প্রকাশ করেন।

সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. কামরুজ্জামান আনসারীর সভপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার, প্রধান বিচারপতির স্ত্রী ঢাবি আইন বিভাগের প্রাক্তর ছাত্রী সামিনা খালেক, সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবদুল্লাহ মাহমুদ হাসান এবং ঢাবি আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রহমত উল্লাহ। সম্মেলনের উদ্ধোধন করেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। 

ঢাবি উপাচার্য বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাবি আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাই এই বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশেষ গৌরবের দাবিদার। গণতন্ত্র সম্প্রসারণে আইন বিভাগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। তিনি বলেন, যারা আইনের সাথে সম্পৃক্ত তারা গণতন্ত্রকে সমৃদ্ধ করতে কাজ করেন।      

অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি-২০১৮ এর আহবায়ক মোল্লা মো. আবু কাওছার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক সহিদুল ইসলাম ফারুক। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সুপ্রীমকোর্ট ও হাইকোর্টের কয়েকজন বিচারপতি, আইন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক রঞ্জন কর্মকার প্রমুখ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ