Exim Bank
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৪ মে, ২০১৮
iftar

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৫০ কিলোমিটার জট

 কুমিল্লা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:২১, ১৬ মে ২০১৮

২৬৯ বার পঠিত

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

গত কয়েক দিনের ধারাবাহিকতায় ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়কের ১৫০ কিলোমিটার জুড়ে যানজট লেগেছে।

বুধবার ফেনী থেকে যাত্রাবাড়ি পর্যন্ত এ জটে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন।

মেঘনা-গোমতী সেতুর ওজন মাপার যন্ত্রের কাজের দীর্ঘসূত্রতার কারণে টোল আদায়ে ধীরগতি, পুলিশের চাঁদাবাজি, আইনের সঠিক প্রয়োগ না করা, হাইওয়ে পুলিশের নিয়মতান্ত্রিকভাবে যানচলাচলে সহযোগিতার অভাবকে দায়ী করেছেন যাত্রীরা।

মঙ্গলবার রাত থেকেই যানজট দেখা দেয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে বাড়তে থাকে গাড়ির সংখ্যাও।

ফেনী থেকে ছেড়ে আসা মামুন এন্টারপ্রাইজের সুপারভাইজার  আবদুল সাদাত জানান, তিনি ফেনী থেকে সকাল ৭টায় রওয়ানা করেছেন। দীর্ঘ প্রায় ৮ ঘণ্টায়ও মহাসড়কের কুমিল্লা অংশ  ত্যাগ করতে পারেন নি।

কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড থেকে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার মেঘনা ব্রিজ পর্যন্ত দিনব্যাপী পর্যবেক্ষণ করে দেখা মেলে ভোগান্তির দৃশ্য।

ঢাকামুখী সড়কে পণ্যবাহী যানবাহন প্রবেশ করতে না পারায় যানজট দেখা দিয়েছে বলে হাইওয়ে পুলিশ দাবি করেছে।

জানা গেছে, রোববার রাত থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট শুরু হয়। যানবাহনের চাপে দাউদকান্দির গোমতী সেতু, মুন্সীগঞ্জর মেঘনা ও নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর সেতু কেন্দ্রিক যানজট ক্রমেই বাড়ছে। গত ৩ দিন ধরে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী পণ্যবাহী যানজটের চাপে অনেকটা নাকাল হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। আর এতে মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রীদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে ঢাকা থেকে কুমিল্লাগামী বাসগুলো পৌঁছাতে সময় লেগেছে ৯/১০ ঘণ্টা।

ঢাকার এশিয়া এয়ারকনের চালক আবদুল খালেক বলেন, এই সড়কে গত ১৯ বছর যাবৎ বাস চালাচ্ছি। টানা ৩ দিন এমন বড় যানজট আর দেখিনি। গত রাত পৌনে ৯টায় ঢাকার কমলাপুর থেকে রওয়া হয়ে কুমিল্লায় এসেছি ভোর সোয়া ৫টায়।

হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রহমত উল্লাহ জানান, ঢাকার দিকে যানবাহনের গতি অনেক কম। এছাড়াও দিনের বেলায় পণ্যবাহী গাড়িগুলো ঢাকায় প্রবেশে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। তাই মহাসড়কের ফোর লেনে চলাচলকারী সকল যানবাহন তিনটি ব্রিজের কাছে গিয়ে থমকে যায়। এতে যানবাহনের চাপে যানজট বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে যানজট স্থায়ী হচ্ছে না। বলা যায় ধীর গতির কারণে সবাইকে ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশ সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে রাস্তায় দায়িত্ব পালন করছে।

পুলিশের চাঁদাবাজি সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা বলেন, পুলিশ প্রায় প্রাতিটি ট্রাক থেকেই সর্বনিম্ম ২০ টাকা থেকে শুরু করে ১০০/২০০ টাকা নেয়। এতে পিছনে থাকা গাড়িটি স্লো হয়ে যায়। এভাবেই যানজট বেড়ে যায়।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর

সর্বাধিক পঠিত