Exim Bank Ltd.
ঢাকা, রবিবার ২২ জুলাই, ২০১৮, ৭ শ্রাবণ ১৪২৫

ঢাকার রাস্তায় সন্ধ্যার পর নারীরা কতটা নিরাপদ?

ডেইলি বাংলাদেশ ডেস্কডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশে মাত্র কিছুদিন আগে বাসে গণধর্ষণের পর এক তরুণীকে হত্যা করে রাস্তায় ফেলে যাবার ঘটনা ঘটার পর রাজধানী ঢাকাসহ সবখানে রাস্তায় পথেঘাটে, বিশেষ করে সন্ধ্যার পর নারীর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

সংবাদমাধ্যমে প্রায়ই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ধর্ষণসহ নারী নির্যাতনের নানা খবর পাওয়া যায়।

ঢাকায় মেয়েরা যারা কাজ বা বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ঘরের বাইরে বের হন তারা নিজেদেরকে কতটা নিরাপদ মনে করেন?

পেশায় চিকিৎসক নার্গিস বেগমের চেম্বার ঢাকার আজিমপুরে। রোজ রাত ৯ টার পর তাকে রিক্সা বা বাসে করে মোহাম্মদপুরে বাড়িতে ফিরতে হয়। তিনি বলছিলেন, প্রায় প্রতিরাতেই তাকে বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার হতে হয়। অনেক সময় যে রিক্সায় ফিরি, সেও টিজ করার চেষ্টা করে। আর রাস্তাঘাটের মানুষ তো আছেই। প্রতিবাদ করলে দেখা যায়, ইঁট মেরে পাটকেল খাওয়ার মত অবস্থা হয়।

ঢাকার অন্যতম ব্যস্ত সড়ক ফার্মগেটের রাস্তায়, রাত প্রায় সাড়ে আটটার দিকে, অল্প হাতে গোনা কয়েকজন নারীর মধ্যে দাঁড়িয়ে ছিলেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী কাশফি তানজিমা। মায়ের সঙ্গে দাঁড়িয়ে উত্তরাগামী বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। বলছিলেন রাতে কোথাও কোন কাজ থাকলে সঙ্গে মা, বাবা বা বন্ধুদের কেউ না কেউ থাকে।

"সবসময় ভয়ে থাকি বাসে পাশে সিটটায় কে এসে বসলো। দেখা যায় অন্য সিট খালি থাকলেও মেয়েদের পাশে এসে বসতে চায় লোকে। ভয় পাই এমন কোন মন্তব্যের, যা আমি শুনতে চাই না, আর সেই সাথে এমন কোন আচরণ, যা আপনি আন্দাজ করতে পারছেন। "

কাশফি তার ভয়ের কথা আর মুখ ফুটে বলেননি। তবে, নিরাপত্তাহীনতার কারণে তার অভিভাবকেরা সন্ধ্যার পর তাকে অনেক অনুষ্ঠানে যেতে দেন না। ঢাকা শহরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নিউ মার্কেট এবং গুলশানসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় শিক্ষার্থী এবং পেশাজীবী নারীরা বললেন, রাস্তায় চলাচলের ক্ষেত্রে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন।

একশন এইড বাংলাদেশের এক সাম্প্রতিক জরিপ বলছে, বাংলাদেশে ৮০ শতাংশ নারী রাস্তায় আর স্কুল কলেজের বাইরে প্রায় ৭০ শতাংশ নারী হয়রানির শিকার হন। গত কয়েক বছরে দেশে পিছু নেয়া পুরুষের হাতে এমনকী খুন হয়েছেন স্কুল পড়ুয়া কয়েকজন মেয়ে। মাত্র গত মাসে পরিবহনে ধর্ষণের শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন একজন কর্মজীবী নারী। কিন্তু এই নিরাপত্তাহীনতা কাটানো যাচ্ছে না কেন?

নারী অধিকারকর্মী নীনা গোস্বামী বলছেন, রাস্তায় সেরকম নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়নি। রাস্তায় যথেষ্ট আলো নেই, পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ নেই। যথেষ্ট যানবাহন নেই। এগুলোই কারণ। এর সঙ্গে আছে বিচারহীনতার সংস্কৃতি।

গোস্বামী আরও বলেন, মেয়েদের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের করণীয় আছে আরো অনেক কিছু। নিরাপত্তা নিয়ে শংকা আর উদ্বেগ না থাকলে নার্গিস বেগম বা কাশফির মত নারীরা ঢাকায় নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারবেন, আর সমাজের নানা স্তরে নারীর অংশগ্রহণ বাড়বে বহুগুণ।

সূত্র - বিবিসি বাংলা

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ

আরও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
চার মাসের ‘গর্ভবতী’ বুবলী!
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিসা সেন্টার এখন ঢাকায়
শাকিবের সঙ্গে বিয়ে, যা বললেন নায়িকা বুবলী
ক্যামেরায় সম্পূর্ণ নগ্ন হয়েছেন এই অভিনেত্রীরা, কারা এরা?
ভেঙে গেলো পূর্ণিমার সংসার, পাল্টা জবাবে যা বললেন নায়িকা
বিদ্যুৎ বিল কমিয়ে নেয়ার কিছু টিপস
মায়ের জিন থেকেই শিশুর বুদ্ধি বিকশিত হয়!
ব্যর্থ হলো মার্কিন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী পরীক্ষা
এইচএসসি'র ফল জানা যাবে যেভাবে
ধর্ষণের কবলে মৌসুমী হামিদ, ধর্ষক গাড়িচালক!
চীনের মধ্যস্থতায় তথ্য আদান-প্রদানে সম্মত পাকিস্তান-আফগানিস্তান
বিশ্বকাপের সব গোল্ডেন বল জয়ীরা
গৌরিকে নিয়ে ভক্তের প্রশ্ন, উত্তর দিলেন শাহরুখ!
যেসব দেশে কোনো নদী নেই
মহান আল্লাহ তাআলা যাদের প্রতি সন্তুষ্ট
আমি বিশ্বের সেরা ক্লাবটিই বেছে নিয়েছি
কাতার বিশ্বকাপ নিয়ে কিছু ভবিষ্যতবাণী!
নিখোঁজের ৩৭ বছর পর ফিরে এসেছিলো যে বিমান
মীর জাফর ও তার সঙ্গীদের শেষ পরিণতি
ভাত খাওয়ার পর যেসব ভুল ডেকে আনছে মৃত্যু
শিরোনাম:
পদোন্নতিতে পেশাগত দক্ষতার ওপর জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী ভারত সরকারের আমন্ত্রণে দিল্লির উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন জাপা চেয়ারম্যান এরশাদ রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছেন আজ রংপুরে বাসচাপায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত