ঢাকার যেসব এলাকায় করোনার সংক্রমণ বেশি

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০২ জুন ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ১৯ ১৪২৭,   ০৯ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

ঢাকার যেসব এলাকায় করোনার সংক্রমণ বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১২:৪২ ১৭ মে ২০২০   আপডেট: ১৩:০০ ১৭ মে ২০২০

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

মহামারি করোনাভাইরাস সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। আর দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে রাজধানী ঢাকায়। এ মহানগরে মোট আক্রান্তের অর্ধেকের বেশি সংক্রমিত হয়েছে ৩১টি এলাকায়।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মে পর্যন্ত ঢাকা মহানগরের মোট ১৮৩টি এলাকায় করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৩১টি এলাকায় সর্বনিম্ন ৪৮ থেকে সর্বোচ্চ ২২৩ জন আক্রান্ত আছেন। 

আইইডিসিআরের হিসাবে রাজধানীতে করোনায় মোট আক্রান্ত ৮ হাজার ৫৯৩ জন।  এখন রাজধানীর ১০টি এলাকা আছে, যার প্রতিটিতে ১০০ জনের বেশি আক্রান্ত রয়েছে।

১৫ মে পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর যে ৩১টি এলাকায় সংক্রমণ বেশি সেগুলো হলো মহাখালী (আক্রান্ত ২২৩ জন), যাত্রাবাড়ী (২২১), রাজারবাগ (২০৪), মুগদা (১৮৯), মোহাম্মদপুর (১৮৯), কাকরাইল (১৭৬), তেজগাঁও (১৩৮), লালবাগ (১১৭), বাবুবাজার (১১৫), উত্তরা (১০৪), মগবাজার (৯৮), ধানমন্ডি (৯৪), মালিবাগ (৯৩), বাড্ডা (৯০), বংশাল (৮২), খিলগাঁও (৮০), শাহবাগ (৭৩), গেন্ডারিয়া (৭৩), চকবাজার (৭০), শ্যামলী (৬৫), ওয়ারী (৬৪), গুলশান (৬৩), বাসাবো (৫৮), রামপুরা (৫৮), আগারগাঁও (৫৭), হাজারীবাগ (৫৭), রমনা (৫০), স্বামীবাগ (৪৯), মিরপুর-১ (৪৮), মিরপুর-১১ (৪৮) ও বনানী (৪৮ জন)।

এখন পর্যন্ত রাজধানীতে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে মহাখালীতে। রাজধানীর বড় দুটি বস্তি মহাখালী-গুলশান এলাকায়। মহাখালীর পাশে গুলশানেও সংক্রমণ বেশি দেখা গেছে। এক মাস আগেও যাত্রাবাড়ীতে আক্রান্ত ছিলেন ১৯ জন। এখন সেটা ২২১-এ পৌঁছেছে।রাজারবাগ এলাকায় এক মাস আগে শনাক্ত হওয়া রোগী ছিলেন ৬ জন। এখন ২০৪ জন। এক মাস আগে মুগদায় আক্রান্ত ছিলেন মাত্র একজন। সে সংখ্যা এখন ১৮৯।

শুরু থেকে ঢাকার যেসব এলাকায় সংক্রমণ বাড়তে দেখা গিয়েছিল তার একটি মোহাম্মদপুর। ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত মোহাম্মদপুরে শনাক্ত হন ১০ জন রোগী। এখন মোহাম্মদপুরে মোট আক্রান্ত ১৮৯ জন। আগারগাঁওয়ে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছিলেন ১২ জন। এখন সেটা বেড়ে হয়েছে ৫৭।

আইইডিসিআরের পরামর্শক ও রোগতত্ত্ববিধ মুশতাক হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, রাজধানীতে জনসংখ্যার ঘনত্ব অনেক বেশি। আর নিম্নবিত্তের মানুষের কোয়ারেন্টাইন করার মতো আলাদা ঘর নেই। এসব কারণে রাজধানীতে সংক্রমণ বেশি।

তিনি বলেন, এখনো সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ আছে। এলাকা ভাগ করে স্বাস্থ্যকর্মী, প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়োগ করা দরকার। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা বাড়াতে হবে। যেসব এলাকায় সংক্রমণ বেশি সেখানে প্রয়োজনীয় সব সহায়তা নিশ্চিত করে অবরুদ্ধ অঞ্চল করতে হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএএম