ডিএনএ পরীক্ষায় হত্যাকারী শনাক্ত

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০৭ এপ্রিল ২০২০,   চৈত্র ২৪ ১৪২৬,   ১৩ শা'বান ১৪৪১

Akash

ডিএনএ পরীক্ষায় হত্যাকারী শনাক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:০৩ ২৪ মার্চ ২০২০  

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিতে থাকা রক্ত পরীক্ষা থেকে মিলেছে আসল হত্যাকারীর পরিচয়। ছুরিতে লেগে থাকা রক্ত এবং নিহত আব্দুল বারেকের শরীর থেকে সংগৃহীত রক্তের ডিএনএ প্রোফাইল সম্পূর্ণ মিল পেয়েছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডির ডিএনএ ল্যাবরেটরি ইউনিট। 

মঙ্গলবার সিআইডি মিডিয়া কর্মকর্তা বিশেষ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, শেরপুর জেলার নকলা থানার একটি মামলায় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছরি থেকে রক্তের নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে আসামি শনাক্ত করেছে  সিআইডির ডিএনএ ল্যাবরেটরি ইউনিট।

হত্যাকাণ্ডের বিবরণ সম্পর্কে ফারুক হোসেন বলেন, গত ১১ ফেব্রুয়ারি  নকলা থানার রুনীগাঁও গ্রামের সোহেল মিয়ার পালিত ছাগল আহসানুল কবীরের জমিতে ঢুকে ধানের চারা নষ্ট করে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তারা ঝগড়া-বিবাদে জড়িয়ে পড়লে তাদের প্রতিবেশী আব্দুল বারেক তাদের ঝগড়া বিবাদ মীমাংসার চেষ্টা করেন। আব্দুল বারেক তাদের ঝগড়া বিবাদ মীমাংসা চেষ্টা করার ফলে আহসানুল কবির ও তার পরিবারের সঙ্গে মনোমালিন্য হয়। তাদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করে।

পরদিন আব্দুল বারেক জমিতে কাজ করার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলে পথিমধ্যে আহসানুল কবীর এবং তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তার পথ রোধ করে ধারালো ছুরি দিয়ে তাকে আঘাত করে। আব্দুল বারেকের চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। 

সিআইডি  এই কর্মকর্তা বলেন, পরবর্তীতে আব্দুল বারেকের পুত্র মো. শামীম বাদী হয়ে আসামি আহসানুল কবীর এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে নকলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। 

মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্তকালে আহসানুল কবীরের কাছ থেকে রক্তমাখা ধারালো কাঠের বাটযুক্ত একটি ছুরি জব্দ করেন। সেটি  ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরি, সিআইডিতে আলামত হিসেবে রক্তের নমুনা ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠান।

ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল সম্পর্কে  ফারুক হোসেন বলেন, আসামি আহসানুল কবীরের কাছ থেকে জব্দকৃত ছুরি দিয়ে আব্দুল বারেককে খুন করা হয়। ওই ডিএনএ ফলাফলের মাধ্যমে প্রকৃত আসামি শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। ফলে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে ডিএনএ প্রতিবেদন সহায়তা করবে বলে জানান তিনি।

ডেইলি বাংলাদেশ/ইএ/এসএএম