ঢাকা, বুধবার   ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯,   ফাল্গুন ৭ ১৪২৫,   ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪০

বিপ্লবের অগ্নিপুরুষ চে’র ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

 প্রকাশিত: ১৭:৩৯ ৯ অক্টোবর ২০১৮   আপডেট: ১৭:৪৫ ৯ অক্টোবর ২০১৮

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

কিউবা বিপ্লবের অগ্নিপুরুষ এবং বিপ্লবের প্রতীক চে গুয়েভারার ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৬৭ সালের এই দিনে বলিভিয়ার সেনাবাহিনী তাকে হত্যা করে। 

আজো বিপ্লবের মহানায়ক ও গেরিলা নেতা হিসেবে বিশ্বজুড়ে তার নাম ধ্বনিত হয়। বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে খ্যাতিমান সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবীদের তিনি অন্যতম। মৃত্যুর পর চে’র শৈল্পিক মুখচিত্রটি একটি সর্বজনীন বিপ্লবের মুখচ্ছবি হিসেবে বিশ্বপ্রতীকে পরিণত হয়।

চে কিউবায় ফিদেল কাস্ট্রোর সঙ্গে সফল বিপ্লবের পর আরেকটি বিপ্লবের প্রত্যয় নিয়ে বলিভিয়ায় গিয়েছিলেন। সেখানে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র (সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি) মদদপুষ্ট বলিভিয়ান বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন। পরে এই মহান বিপ্লবীকে তারা গুলি করে হত্যা করে। 

বন্দি অবস্থায় চে মৃত্যুর আগে হ্যান্ডক্যাফ পরিহিত হাত মুষ্টিবদ্ধ করে বলেছিলেন, আমি জানি তোমরা আমাকে মারতে এসেছ। গুলি করো কাপুরুষ। তোমরা মাত্র একজন মানুষকে হত্যা করছ। বিপ্লবের মৃত্যু নেই।

টাইম পত্রিকায় বিংশ শতাব্দীর সর্বাপেক্ষা প্রভাবশালী ১০০ জন ব্যক্তির তালিকায় চে’র নাম ঠাঁই পায়। আবার গেরিলা যোদ্ধার পোশাকে ১৯৬০ সালের ৫ মার্চ ‘গেরিলেরো হেরোইকো নামে’ আলবের্তো কোর্দার তোলা চে-র বিখ্যাত ফটোগ্রাফটিকে ‘বিশ্বের সর্বাপেক্ষা প্রসিদ্ধ ফটোগ্রাফ’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় চে গুয়েভারার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন। তিনি লিখেছেন, ‘চে তোমার মৃত্যু আমাকে অপরাধী করে দেয়/ আমার ঠোঁট শুকনো হয়ে আসে, বুকের ভেতরটা ফাঁকা/ আত্মায় অবিশ্রান্ত বৃষ্টিপতনের শব্দ/ শৈশব থেকে বিষণ্ন দীর্ঘশ্বাস.../ বলিভিয়ার জঙ্গলে নীল প্যান্টালুন পরা/ তোমার ছিন্নভিন্ন শরীর...।’ 

মৃত্যুর এতো বছর পরও সারা বিশ্বে চে’র অগণিত ভক্ত রয়েছে। কবি সুনীলের মতো চে’র স্মরণে আজো লাখ-কোটি মানুষের শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে আসে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর