Alexa ডাকসু নির্বাচন : বয়সসীমা ৩০, ভোটকেন্দ্র আবাসিক হলে

ঢাকা, সোমবার   ২০ জানুয়ারি ২০২০,   মাঘ ৬ ১৪২৬,   ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

ডাকসু নির্বাচন : বয়সসীমা ৩০, ভোটকেন্দ্র আবাসিক হলে

শিক্ষাঙ্গন ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২১:০৬ ২৯ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ২১:০৬ ২৯ জানুয়ারি ২০১৯

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩০ নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও ভোটগ্রহণের বুথগুলো আবাসিক হলগুলোতে স্থাপন করা হবে। যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) থেকে অনার্স সম্পন্ন করে মাস্টার্স বা এমফিল শিক্ষার্থী হিসেবে অধ্যয়নরত আছেন তারাও নির্বাচনে অংশ নিতে এবং ভোট দিতে পারবেন। ঢাবির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এনামউজ্জামান সিন্ডিকেটের বরাত দিয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, যারা ঢাবিতে স্নাতক পর্যায়ে প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়ে অনার্স, মাস্টার্স ও এমফিল পর্যায়ে অধ্যায়নরত আছেন এবং যারা বিভিন্ন আবাসিক হলে আবাসিক-অনাবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে সংযুক্ত রয়েছেন এবং নির্বাচনি তফসিল ঘোষণার তারিখে যাদের বয়স কোনোক্রমে ৩০ এর বেশি হবে না, শুধু তারা ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটার হতে পারবেন। সব ভোটারই প্রার্থী হওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সিন্ডিকেটের এই সভা শুরু হয়ে রাত ৮টার দিকে শেষ হয়। এতে সভাপতিত্ব করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

এর আগে ডাকসুর গঠনতন্ত্র পরিমার্জনের জন্য গঠিত কমিটির আহ্বায়ক আইন বিভাগের অধ্যাপক ড.মিজানুর রহমান উপাচার্যের কাছে সুপারিশ জমা দেন।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদকে আহ্বায়ক করে ৭-সদস্য বিশিষ্ট ‘আচরণবিধি প্রণয়ন কমিটি’ গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবু মো. দেলোয়ার হোসেন, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রহমত উল্লাহ, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবুল মোকাদ্দেম (এম এম আকাশ) এবং টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগের অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূইয়া।

আচরণবিধির একটি খসড়া তালিকা ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের কাছে দেয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে তাদের কোনো প্রস্তাবনা থাকলে তা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছিল। পরে সংগঠনগুলো গঠনতন্ত্র এবং আচরণবিধি সম্পর্কে তাদের প্রস্তাবনা লিখিতভাবে জানায়। এরপর এই সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ