ঢাকা, শনিবার   ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯,   ফাল্গুন ৩ ১৪২৫,   ১০ জমাদিউস সানি ১৪৪০

ট্যাঙ্গো ড্যান্সার পোপ ফ্র্যান্সিসের অজানা তথ্য (ভিডিও)

ইমরান হাসান রিজভী ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১১:২০ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১১:২১ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

খ্রিষ্টধর্মের সবচেয়ে বড় ধর্মগুরু হিসেবে পুরো বিশ্বে পোপ ফ্র্যান্সিস সমাদৃত। ক্যাথলিক চার্চের পথপ্রদর্শক বলে তাকে মঙ্গল এবং পবিত্রতার প্রতীক বলে চিহ্নিত করা হয়। তাকে নিয়ে কৌতুহলের কমতি নেই জনমনে। তবে জেনে নিন পোপের অজানা কিছু তথ্য-
১. পোপ ফ্র্যান্সিসের জন্ম ১৯৩৬ সালের ১৭ই ডিসেম্বর। বর্তমানে তার বয়স ৮২ বছর।
২. আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েন্স আয়ার্সে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
৩. ১৯৬৯ সালে তিনি সর্বপ্রথম ধর্মযাজকের উপাধি লাভ করলেও পোপ পদে প্রথম ভূষিত হন ২০১৩ সালে। 
৪. ক্যাথলিক ইতিহাসে অন্য কোনো পোপের নামে ফ্র্যান্সিস নেই। ‘সোসাইটি অব জিসাস’ এর সদস্যদের মধ্যে ফ্র্যান্সিসই প্রথম ব্যক্তি যিনি পোপ হিসেবে নির্বাচিত হন। 
৫. তিনি ফ্র্যান্সিস নামে পরিচিত হলেও তার প্রকৃত নাম জর্জ মারিও বার্গোগলিও। ১২শ শতাব্দীতে ইতালিতে জন্মগ্রহণ করা ক্যাথলিক ধর্মযাজক সেইন্ট ফ্র্যান্সিস অব আসিসি-র সম্মানে তিনি ফ্র্যান্সিস নামটি গ্রহণ করেন।
৬. ধর্মযাজক হওয়ার পূর্বে তিনি ট্যাঙ্গো নৃত্যের একজন অনুরাগী ছিলেন এবং তৎকালীন প্রেমিকার সঙ্গে তিনি নৃত্য করতে ভালোবাসতেন।
৭. তিনি রসায়নে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে রসায়নের শিক্ষক ছিলেন।
৮. বুয়েন্স আয়ার্সে তিনি একটি বারের দ্বাররক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।
৯. কিশোর বয়সে পোপ ফ্র্যান্সিসের ফুসফুসের অর্ধাংশ সংক্রমিত হয়ে পড়লে তা অপসারণ করা হয়।
১০. রন্ধনশৈলীতে তার বিশেষ দখল আছে। 
১১. পোপ নির্বাচনে ২০০৫ সালে ষোড়শ বেনেডিক্ট জয়লাভ করেন এবং ফ্র্যান্সিস দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন।
১২. পোপ ফ্র্যান্সিসের টুইটারে প্রায় ৭ মিলিয়ন ফলোয়ার রয়েছে এবং তিনি নিয়মিত টুইট করে থাকেন।
১৩. স্প্যানিশ, ইতালিয়ান ও লাতিন ভাষায় পোপ বেশ পারদর্শী। এছাড়াও ইংরেজি, জার্মান, ইউক্রেনিয়ান, ফরাসি এবং পর্তুগিজ ভাষায়ও তার ভালো দখল আছে। 
১৪. ফুটবলের প্রতি তার বিশেষ অনুরাগ রয়েছে। আর্জেন্টাইন ক্লাব স্যান লোরানজোর সমর্থক তিনি।
১৫. বাইবেলের পাশাপাশি প্রখ্যাত লেখক-ঔপন্যাসিকদের বইও তিনি পড়েন।
১৬. বর্তমানে তিনি একইসঙ্গে আর্জেন্টিনা, ইতালি ও ভ্যাটিকানের বৈধ নাগরিক।
১৭. পোপদের জন্য নির্ধারিত বিলাসবহুল ও প্রাসাদোপম বাসগৃহ তিনি গ্রহণ করেননি। সাধারণ ও অনাড়ম্বর একটি বাড়িতে তিনি বসবাস করেন।
১৮. ২০১৩ সালে ‘দ্য টাইমস’ পত্রিকা কর্তৃক “পার্সন অব দ্য ইয়ার” হিসেবে নির্বাচিত হন পোপ ফ্র্যান্সিস।
১৯. তাকে একবার একটি হার্লি-ডেভিডসন মোটরসাইকেল উপহার দেয়া হয়েছিল। তিনি তা নিজের সংগ্রহে না রেখে বিক্রি করে দেন এবং সেই অর্থ গৃহহীন মানুষের কল্যাণে ব্যয় করেন।

দেখুন ভিডিও:


ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস