Alexa ‘টাক’ নিয়ে তিন সিনেমা!

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৭ ১৪২৬,   ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

‘টাক’ নিয়ে তিন সিনেমা!

বিনোদন ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৫১ ১ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৪:৫৭ ১ নভেম্বর ২০১৯

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

নভেম্বর সম্ভবত টাকওয়ালা মানুষদের প্রতিবাদের মাস! ঘটনা বা দুর্ঘটনাক্রমে টাক নিয়ে সব ছবিই আসছে নভেম্বর মাসে। বাংলা ও হিন্দি দুই ভাষাতেই আসছে তিনটি সিনেমা। প্রত্যেকটি ছবির গল্পের মূল বিষয় টাক। এই টাকের আকার কেমন, কী বৃত্তান্ত তা তো সিনেমাগুলো দেখলেই বোঝা যাবে।

রূপালি পর্দায় টাক নিয়ে এতটা আলোচনা খুব বেশি দিনের নয়। বরং টাক পড়লে কীভাবে তার যত্ন নেয়া যাবে তা নিয়ে দু-চারটা বিজ্ঞাপন দেখা যেত! নারী-পুরুষ নির্বিশেষে চুলের যত্ন নিয়ে থাকেন। বিশেষত যারা ফ্যাশন সচেতন চুলের প্রতি তাদের যত্নটা একটু বেশিই। নিজের চুল নিয়ে ভাবেন না, এমন কেউই প্রায় নেই। চুল নিয়ে বা চুল ঝরে যাওয়া নিয়ে শুরুর চমকটা দিয়েছিল শ্বেতা ত্রিপাঠি অভিনীত ‘গন কেশ’।

কয়েকদিন আগেই বলিউডে মুক্তি পেয়েছে এই টাকের সমস্যার গল্পনির্ভর দু’টি সিনেমার ট্রেলার। একদিকে আয়ুষ্মান খুরানা অভিনীত ‘বালা’ এবং অন্যদিকে সানি সিং অভিনীত ‘উজড়া চমন’। দু’টি সিনেমার মিল খুঁজে পাওয়া গেছে পোস্টারেও। তারপর হঠাৎ করেই একদিন ঝরে পড়া চুলের মতো হাজির হল একটি কলকাতার বাংলা সিনেমার ট্রেলার। ঋত্বিক চক্রবর্তী অভিনীত ‘টেকো’। তিন সিনেমার এক বিষয়–টাক সমস্যা।

ঋত্বিক চক্রবর্তী অভিনীত ‘টেকো’ এরই মধ্যে আলোচনায়

প্রশ্ন করতেই পারেন, কোনটা কোনটার নকল? এত বিতর্কে যাননি ‘টেকো’ ছবির পরিচালক অভিমন্যু মুখার্জী। পরিচালক বলেন, হিন্দিতে এই বিষয় নিয়ে ছবি তৈরি হলেও তার ভাবনাটা অনেক আগের। প্রায় দু’বছর আগে শেষ হয়েছিল এই ছবির কাজ, কিন্তু নানা কারণে ছবিটি মুক্তি পায়নি। পরিচালক তার চারপাশের বিভিন্ন বন্ধুদের জীবন থেকেই এই গল্পটি পেয়েছেন।

এই ছবিটিতে রয়েছে একটা সাবধানবাণী। সেখানে বলা হচ্ছে, ‘লোভে পড়ে করে ফেলো না ভুল/ ঝরে গেলে ফিরে পাবে না চুল’। তো এই চুল নিয়ে চুলোচুলি হোক বা নাই হোক, এ সবই ট্রেন্ডিং-এর ফসল। বাঙালির মধ্যবিত্ততায় জুড়ে বসেছে নিজেকে সুন্দর রাখার চেষ্টা। সেই চেষ্টার মধ্যে যে অসততা আছে এমন নয়। এখন এই ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’র যুগে এমন ধরনের গল্প নিয়ে কাজের দরকার আছে বৈকি! বাহারি বিজ্ঞাপনের ঝলকের ফাঁদে পা দিচ্ছেন মানুষ। তার ফল ভুগতে হচ্ছে তাকেই। অবৈজ্ঞানিক প্রডাক্টের ফাঁদে পা পড়ে এবার সত্যিই হয়তো ভাবার সময় হয়েছে, কাকে আমরা গ্রহণ করব আর কাকে করব না। সেই বার্তাই থাকছে ‘টেকো’, ‘বালা’ কিংবা ‘উজরা চমন’-এর মতো সিনেমায়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে