টাকাও নেন, ধর্ষণও করতে চান এই ডাক্তার!
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=114636 LIMIT 1

ঢাকা, রোববার   ০৯ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৫ ১৪২৭,   ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

টাকাও নেন, ধর্ষণও করতে চান এই ডাক্তার!

মামলা করে বিপাকে রোগী, বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৫৭ ২৫ জুন ২০১৯   আপডেট: ১৮:২৩ ২৫ জুন ২০১৯

প্রতারণা করে টাকা আত্মসাৎ ও শ্লীলতাহানি চেষ্টাকারীর বিরুদ্ধে মামলা করে বিপাকে এক ভুক্তভোগী (২৮)। তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়েছে। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ডিএমপির মতিঝিল, যাত্রাবাড়ী ও খিলগাঁও থানায় জিডি করেছেন তিনি।

জানা যায়, শারীরিক সমস্যার কারণে হয়রানির শিকার ওই নারী সিলেট জেলার লালবাজার নিশ্চিন্তপুর (তেতলী) এলাকার মেসার্স শাহজালাল মেডিকেল হলে ডাক্তারের কাছে যান। সেখানে ডাক্তার মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম রোগ সম্পর্কে ভয়-ভীতি দেখিয়ে তাবিজ-কবজের মাধ্যমে জিন তাড়ানোর কথা বলেন। সে অনুযায়ী তিনি ওই ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। 

এর মধ্যে ডাক্তার কামরুল ওই রোগীর কাছ থেকে প্রতারণা করে ২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। তখন তিনি প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন। এ সময় ভয়ে তার সঙ্গে ছোট ভাইকে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যান ওই নারী।

এ ঘটনায় গত ১১ জুন ওই ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলা নং ০৭। মামলাটি ধারা ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩ এর ৯-৪(খ) তৎসহ পেনাল কোডের ৪২০/৪০৬/৫০৩ রজু করা হয়। সে অনুযায়ী আদালত কামরুল ইসলামকে জেলহাজতে পাঠান। 

বার বার চেষ্টা করে জামিন না পাওয়ায় আসামির লোকজন বিভিন্নভাবে মামলার বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এরপর বাদী ঢাকা মতিঝিল, যাত্রাবাড়ী ও খিলগাঁও থানায় জিডি করেন। খিলগাঁও থানার জিডি নং ১৫৪৬। মতিঝিল থানার জিডি নং ১৪৪১। 

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ওই নারী জানান, আমার বাবা নেই। পাশে দাঁড়ানোর মতো অভিভাবকও নেই। একারই মামলা চালাতে হচ্ছে। খুব ভয়ে আছি। আসামি পক্ষের হুমকির পর আদালতে উপস্থিত হতেও ভয় পাচ্ছি। জানি না এই বিপদ থেকে কীভাবে উদ্ধার হবো। আশা করি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আদালত আমার অসহায়ত্বের বিষয়টি নজর দেবেন।

সিলেট দক্ষিণ সুরমা থানার অফিসার ইনচার্জ খায়রুল ফজল জানান, মামলার পরপরই আসামিকে গ্রেফতার ও নিয়ম অনুযায়ী আদালতে হাজির করা হয়। পরবর্তীতে আদালত আসামিকে জেলহাজতে পাঠান। মামলার অগ্রগতি যথেষ্ট ভালো। পুলিশের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু তদন্ত ও স্বচ্ছভাবে কাজ এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। আমরা দ্রুতই চার্জশিট দিয়ে দিব। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এস.আর/এসআই