Alexa টাইটানিক ছবির ১০ অজানা তথ্য

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২২ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৮ ১৪২৬,   ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

টাইটানিক ছবির ১০ অজানা তথ্য

 প্রকাশিত: ০৭:১০ ২৮ এপ্রিল ২০১৮   আপডেট: ১১:০৬ ২৯ এপ্রিল ২০১৮

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

১৯১২ সালের ১০ এপ্রিল সাউদাম্পটন থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে টাইটানিক। সে সময় টাইটানিকে মোট যাত্রী ছিল ২২০০ জন এবং কয়েকশ কর্মী। শুরুতেই মাত্র চার ফুটের জন্য `এসএসসিটি অব নিউইয়র্ক` জাহাজের সঙ্গে সংঘর্ষ এড়াতে সমর্থ হয়। ৭৭ নটিক্যাল মাইল এগিয়ে শেরবুর্গ থেকে ২৭৪ জন যাত্রী তুলে নেয়। ১১ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টায় আয়ারল্যান্ডের কর্ক পোতাশ্রয় থেকে জাহাজে ওঠেন ১১৩ জন তৃতীয় শ্রেণীর এবং সাতজন দ্বিতীয় শ্রেণীর যাত্রী। এই কাহিনী অবলম্বনেই গড়ে ওঠে ‘টাইনাটানিক’ মুভিটি। চলুন জেনে নেয়া যাক এই মুভির কিছু তথ্য।

(১) 20th Century Fox Studio চেয়েছিল টাইটানিকের প্রধান চরিত্রে লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও এর বদলে ব্র্যাড পিট অথবা টম ক্রুজকে রাখতে। কিন্তু, ডিরেক্টর জেমস ক্যামেরুন লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিওকেই রেখেছিলেন।

(২) রোজ এর চরিত্রে ‘কেইট উইন্সলেট’ এর বদলে পপ তারকা ‘ম্যাডোনার’ অভিনয়ের সম্ভাবনা ছিল।

(৩) মুভিতে ২ টি অংশ রয়েছে। ১ টি ছিল রোজ এর বৃদ্ধ অবস্থা, যখন রোজ তার অতীতের কাহিনীটি বর্ণণা করে। মুভি থেকে রোজের বৃদ্ধ বয়সের ওই অংশটুকু কেটে শুধু অতীতের সময় রাখা হলে ২ ঘন্টা ৪০ মিনিট হয়। আর ঠিক তত সময় (২ ঘন্টা ৪০ মিনিট) লেগেছিল টাইটানিক জাহাজটি ডুবতে।

(৪) মুভিতে জ্যাকের আঁকা সব ছবি গুলি, আসলে ডিরেক্টর জেমস ক্যামেরুন এর আঁকা। এমন কি জ্যাক যখন রোজের এর ছবি আঁকছিল; তখন জ্যাকের (লিওনার্দো ডি কাপ্রিও) হাতের সিন গুলাতে যে হাত গুলো দেখানো হয়, সেই গুলো ছিল জেমস ক্যামেরুন এর হাত।

(৫) টাইটানিক জাহাজ টি তৈরি করতে যত খরচ হয়েছিল, তার থেকেও বেশি খরচ লেগেছিল টাইটানিক মুভিটি বানাতে।

(৬) পানির মধ্যে অভিনয়ের সময় কেইট উইন্সলেট ওয়েটস্যুট পড়েননি। যার ফলে তিনি অনেক দিন ধরে নিউমোনিয়ায় ভোগেন।

(৭) ডিরেক্টর জেমস ক্যামেরুন চান নি যে টাইটানিক মুভিটিতে কোন গান থাকুক। তবে ছবির মিউজিক কম্পোজার James Horner, সঙ্গিতশিল্পী Celine Deon কে একটি গান তৈরি করার জন্য বলেন। পরে Celine Deon একটি ডেমো গান তৈরী করেন এবং তা ডীরেক্টর জেমস ক্যামেরুনকে শুনান। আর তিনি গানটি শুনার পর ছবির শেষে গানটি রাখার সিদ্ধান্ত নেন। আর সেই গানটিই হল বিখ্যাত “My heart will go on”।

(৮) টাইটানিক মুভিটি করতে খরচ লাগে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার। আর ছবিটি থেকে আয় হয় ২.১৮৭ বিলিয়ন ডলার।

(৯) মুভিটির নাম আসলে ছিল ‘Planet Ice’। যা পরে পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘Titanic’।

(১০) জেমস ক্যামেরুন শুধু টাইটানিক মুভিটির ডিরেক্টরই ছিলেন না। তিনি একযোগে মুভিটির প্রডিউসার, রাইটার, এডিটর ও ডিরেক্টর ছিলেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএ

Best Electronics
Best Electronics