Alexa টনে টনে নষ্ট পেঁয়াজ ফেলে দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা

ঢাকা, শুক্রবার   ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ২৮ ১৪২৬,   ১৫ রবিউস সানি ১৪৪১

টনে টনে নষ্ট পেঁয়াজ ফেলে দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:৫৯ ১৬ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৬:১৭ ১৬ নভেম্বর ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ চট্টগ্রাম আসতে বেশি সময় লাগায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে টনকে টন। সেগুলো ফেলা হচ্ছে ভাগাড়ে।

গত কয়েক দিনে কর্ণফুলী নদীর ঘাট ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ভাগের প্রায় বিশ টনের অধিক পেঁয়াজ ফেলা হয়েছে বলে নিশিত করেছে চসিকের পরিচ্ছন্নতা বিভাগ। 

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদ আলম জানান, ‘রাতে খাতুনগঞ্জের ময়লার ভাগাড়ে বস্তায় বস্তায় পচা পেঁয়াজ ফেলে গেছে সে সব পেঁয়াজ আমরা গাড়ি দিয়ে সরিয়েছি। পাঁচ টন ধারণক্ষমতার চারটি গাড়ি দিয়ে এসব বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।  

খোজ নিয়ে জানা যায়,  বৃহস্পতিবার রাতে খাতুনগঞ্জে সিটি কর্পোরেশনের ময়লার ভাগাড় থেকে প্রায় ২০ টন পচা পেঁয়াজ সরিয়েছে পরিচ্ছন্নকর্মীরা।

শুক্রবার সন্ধ্যার পর নগরের ফিরিঙ্গি বাজার ব্রিজঘাট এলাকায় ১০-১৫ বস্তা পচা পেঁয়াজ কর্ণফুলী নদীতে ফেলা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। 

স্থানীয়দের দাবি, বেশি লাভের আশায় মজুদ করতে গিয়ে পেঁয়াজগুলো নষ্ট করেছেন ব্যবসায়ীরা। 

তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসতে বেশি সময় লেগেছে। এতে গরমে পেঁয়াজ পচে যাচ্ছে। যেগুলো ভালো থাকছে সেগুলোরও মান কমে যাচ্ছে। এতে আমদানিকারকরা লোকসানে পড়ছেন।

খাতুনগঞ্জ ট্রেডিংয়ের মালিক আবুল বশর  বলেন, খাতুনগঞ্জে ১৫ থেকে ২০টি পেঁয়াজের আড়ৎ আছে। মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ এখানে আসতে এক সপ্তাহের বেশি সময় লেগে যায়। এরপর আড়তে রাখা পেঁয়াজ দ্রুত পচে যাচ্ছে। প্রতিটি আড়তে প্রতিদিন গড়ে ১০০ থেকে ১৫০ বস্তা করে পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় ফরহাদ আহমেদ জানান,  খাতুনগঞ্জে নদীর পাড়ে এখনো নষ্ট পেঁয়াজ পরে আছে। রাতের অন্ধকারে এ সব পচা পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা নদীর পাড়ে ফেলছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর