Alexa ঝিনাইদহে গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলীর দুর্নীতি তদন্তে কমিটি

ঢাকা, শুক্রবার   ১৫ নভেম্বর ২০১৯,   কার্তিক ৩০ ১৪২৬,   ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

ঝিনাইদহে গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলীর দুর্নীতি তদন্তে কমিটি

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:২৭ ৬ নভেম্বর ২০১৯  

নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার ইবনে শাঈখ

নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার ইবনে শাঈখ

ঝিনাইদহ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার ইবনে শাঈখের দুর্নীতি তদন্ত করতে কমিটি গঠন করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। 

এতে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-২ এর অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. ইয়াকুব আলী পাটওয়ারীকে আহবায়ক, সিনিয়র সহকারী সচিব তারিক হাসানকে সদস্য সচিব ও ঢাকা মেট্রোপলিটন জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. মো, মঈনুল ইসলামকে সদস্য করা হয়েছে। 

২৪ অক্টোবর গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অধিশাখা-১ এর উপ-সচিব মোসা. সুরাইয়া বেগম চিঠির মাধ্যমে এক অফিস আদেশে কমিটিকে কাজ শুরুর নির্দেশনা দেয়া হয়। ২ অক্টোবর ‘ভুয়া কাজ ও বিল ভউচারে লোপাট ১০ কোটি টাকার বিষয়ে তদন্ত প্রসঙ্গে’ শিরোনামে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নন্দিতা রানী সাহার দফতরের সেই চিঠিটি ইস্যু হয়। সেই চিঠি অনুসারে তদন্তপূর্বক তিন কর্মদিবসের মধ্যে সুস্পষ্ট মতামত পাঠাতে তদন্ত দলকে নির্দেশ দেন তিনি।

চিঠিতে ঝিনাইদহ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তপূর্বক ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। আগামী শুক্রবারের (৮ নভেম্বর) মধ্যে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন দাখিলের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে ৭ অক্টোবর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যশোর আঞ্চলিক অফিসের উপ-পরিচালক নাজমুস সায়াদাত ঝিনাইদহ গণপূর্ত বিভাগের ১০ কোটি টাকা লোপাটের বিষয়ে খোঁজ নেন। ঝিনাইদহে অবস্থানের সময় তিনি গণপূর্ত অফিসের ঠিকাদারি কাজের নথি দেখেন ও নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার ইবনে শাঈখকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। 

ঝিনাইদহ গণপুর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার ইবনে শাঈখ কাজ না করে কোটি কোটি টাকার বিল উত্তোলন করেন। এমন সংবাদ পত্রিকা ও বেসরকারি টিভি চ্যানেলে প্রচার হয়। খবর ফাঁস হয়ে পড়লে জুনের আগে কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে বিল তুলে নেয়া প্রকল্পগুলো তড়িঘড়ি করে সম্পন্ন করেন নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার। ঝিনাইদহ শহরের চাকলাপাড়া ডরমেটরি ভবন, নন হেজেটেড ডরমেটরি ভবন, জেলা জজের বাসা, সাবডিভিশন অফিস ও গণপূর্তের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর বাসাসহ বিভিন্ন অফিস মেরামত ও রং করেন। অথচ কাজ দেখিয়ে জুনের আগেই দুই কোটি ৫০ লাখ টাকার বিল তুলে নেন তিনি । 

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার ইবনে শাঈখের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ