ঝিনাইদহে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

ঢাকা, বুধবার   ২৬ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ১৩ ১৪২৬,   ২২ শাওয়াল ১৪৪০

ঝিনাইদহে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৫:১৪ ১৪ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৫:১৬ ১৪ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ঝিনাইদহ সদরের কুমড়াবড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

উপজেলার নগর বাথান বাজারের আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে এ অভিযোগ করেন ইউপির ১১ জন সদস্য।

অভিযোগ তুলে ধরে লিখিত বক্তব্যে বলেন, ৫ নং কুমড়াবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল সরকার কর্তৃক বরাদ্দকৃত বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ ও লুটপাট করছে। যা বর্ণনাহীন। আশরাফুল ইসলাম নির্বাচিত সদস্যদের কোনো তোয়াক্কা না করে ভুয়া প্রজেক্ট কমিটি নিজের মনগড়া ভাবে তৈরি করে। কিছু প্রকল্পের আংশিক বাস্তবায়ন করে নিজ নামে জমি খরিদসহ প্রাসাদসময় ভবন নির্মাণ করেছে যা দৃশ্যমান। নির্বাচিত সদস্যদের বিগত আড়াই বছরের কোনো মাসিক ভাতা না দিয়ে ও সরকারি বরাদ্দের সঙ্গে সংযুক্ত না করে স্বেচ্ছা চারিতার মাধ্যমে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছে। যা সরকারি বিরোধী পরিপন্থী। 

এছাড়া ২০১৬-১৭, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের এলজি এসপি ২ ও ৩, অতিদরিদ্র কর্মসূচির অর্থ বছরের (৪০ দিন)। ২০১৬-১৭, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের এবং ২০১৮-১৯  অর্থ বছরের বরাদ্দের টাকা। কাবিখা কাবিটা, ২০১৬-১৭, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের এবং ২০১৮-১৯  অর্থ বছরের ভূমি হস্তান্তর কর (১%)। স্থানীয় কর ২০১৬-১৭,  ২০১৭-১৮ সালের স্থানীয় হোল্ডিং ট্যাক্সের টাকাসহ বর্ণিত অর্থ বছরের বরাদ্দের টাকা। সামাজিক সালিশের মাধ্যমে নিজের কাছে জমাকৃত লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে। যা প্রমাণ সাপেক্ষ উল্লেখ্য। চেয়ারম্যান হওয়ার পূর্বে সে একজন ভূমিহীন ও আর্থিক দৈন্যদশা ব্যক্তি হিসেবে সামজে পরিচিত ছিল। 

এছাড়া একাদশ সংসদ নির্বাচনে কুটচালের মাধ্যমে নৌকা প্রতীকের বিরোধিতা করেছে যা আওয়ামী লীগ জনমনে বিভ্রান্তের সৃষ্টি করেছে। এ নিয়ে ইউপি সদস্যরা প্রতিবাদ করলে তাদেরও লাঞ্ছিত করেছেন। তার এই দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত করে আইননানুগ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি ইউপি সদস্যদের। 

এ সময় ১১ জন ইউপি সদস্য মো. বাবলুর রহমান, মো. মকলেচুর রহমান লাল্টু, মনিরুজ্জামান টোকন, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. নজরুল ইসলাম, মো. ইখতার হোসেন, মো. কলিমউদ্দীন, মো. আমজাদ হোসেন, মো. জামাল হোসেন, মোছা. ছালিমা খাতুন, মোছা. ববিতা খাতুনসহ পাঁচ শতাধিক লোক উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর