ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মাঠে ছয় প্রার্থী

ঢাকা, শুক্রবার   ২৪ মে ২০১৯,   জ্যৈষ্ঠ ১০ ১৪২৬,   ১৮ রমজান ১৪৪০

Best Electronics

ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মাঠে ছয় প্রার্থী

ঝিনাইগাতী(শেরপুর) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৫৯ ১২ মার্চ ২০১৯   আপডেট: ২০:০২ ১২ মার্চ ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের তিন ও বিএনপির এক নেতাসহ ভোটের মাঠে লড়াই করছেন ছয়জন প্রার্থী। 

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, তৃতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে এ উপজেলায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এস এম আব্দুল্লাহেল ওয়ারেজ নাইম (নৌকা)। কিন্তু একজনকে দলীয় মনোনয়ন দিলেও দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মো. আবুল কালাম আজাদ (আনারস) ও ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. ফারুক আহামেদ ফারুক (মোটরসাইকেল)। অপরদিকে বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা মো. আমিনুল ইসলাম বাদশা (দোয়াত কলম)। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জাতীয় পার্টির নেতা মো. আব্দুল ওয়াহেদ (হেলিকপ্টার) ও ন্যাশনাল পিপ্লস পার্টি (এনপিপি) মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল হাই (আম)।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও বিদ্রোহী প্রার্থী মো. ফারুক আহমেদ ফারুক বলেন, দলে ও মাঠে আমার যথেষ্ট সমর্থন থাকার পরেও দল আমাকে মনোনয়ন দেয়নি। দল যাকে (নাইম) মনোনয়ন দিয়েছে তার দলে ও মাঠে সমর্থন নেই। আমরা জানি তার পরাজয় নিশ্চিত, তাই দলীয় মনোনয়ন না পেয়েও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি আমি। 

দলীয় মনোনীত প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এসএম আব্দুল্লাহেল ওয়ারেজ নাইম বলেন, এর আগেও দুই বার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে দলীয় কোন্দলের কারণে বিজয়ী হতে পারিনি। এবার দল আমাকে পছন্দ করে মনোনয়ন দিয়েছে। তাই তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মী ও জনগণ আমার সঙ্গে আছে। আশা করছি, আমি এবার নির্বাচিত হব। 

এত বিদ্রোহী প্রার্থী কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে নাইম বলেন, তারা আওয়ামী লীগের কোন জায়গাতে নেই। তাই তারা দলের বিদ্রোহী নয়, তারা স্বতস্ত্র প্রার্থী। তবে আজাদ (যুবলীগের আহ্বায়ক) অবশ্য যুবলীগ করে। তার বিরুদ্ধে দল সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে বিএনপি নেতা প্রার্থী হয়েছেন এ বিষয়ে জানতে চাইলে শেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি মো. মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে শেরপুর জেলায় বিএনপির দুই-একজন নেতা মনোনয়ন দাখিল করলেও এরা নির্বাচনী মাঠে নেই। তবু তাদেরকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে অনুরোধ করব। যদি তারা না শোনে তাহলে দলীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব।   
 
ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম
 

Best Electronics