.ঢাকা, শুক্রবার   ২২ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ৮ ১৪২৫,   ১৫ রজব ১৪৪০

ঝিনাইগাতীতে বোরো আবাদের ধুম

ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৫:১৬ ১৪ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৫:২২ ১৪ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বোরো রোপণে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কৃষকরা। বর্তমানে উপজেলার মাঠজুড়ে চলছে বোরো আবাদের ধুম। আবাদকে সামনে রেখে কাক ডাকা ভোরে কোমর বেঁধে ফসলের জমিতে নেমে পড়ছেন কৃষকেরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কুয়াশায় ঢাকা শীতের সকালে বীজতলায় ধানের চারা পরিচর্যার পাশাপাশি জমি চাষের কাজ চলছে পুরোদমে। আবার অনেক খেতে বোরো ধান রোপনের জন্য বীজতলা থেকে তোলা হচ্ছে ধানের চারা। পুরুষ শ্রমিকের পাশাপাশি আদিবাসী নারী শ্রমিকেরাও বোরো আবাদের কাজ করছেন। এরইমধ্যে উপজেলা সদর, ধানশাইল, কাংশা, নলকুড়া, গৌরীপুর, হাতিবান্দা, মালিঝিকান্দা ইউপির কৃষকেরা বোরো আবাদের জন্য প্রস্তুত করা জমিতে ধানের চারা রোপন শুরু করেছেন।     

চলতি বোরো মৌসুমে ১৪ হাজার ৪৩০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮ হাজার ৪২৪ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল (উফশী), ৬ হাজার হেক্টর জমিতে হাইব্রিড এবং ৬ হেক্টর জমিতে স্থানীয় জাতের বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ পরিমাণ জমির ধান থেকে প্রায় ৯৩ হাজার মে.টন চাল উৎপাদন হতে পারে বলে আশা করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর।

ঝিনাইগাতী গ্রামের কৃষক ইসমাইল বলেন, সার ও কীটনাশকের দাম সহনীয় মাত্রায় থাকলে কৃষকের উপকার হয়। এ ব্যাপারে স্থানীয় বাজারের দিকে সরকারের সুদৃষ্টি দেয়া দরকার, যাতে কৃষকের উপকার হয়। তবে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করেছেন তিনি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির বলেন, কৃষকেরা যাতে ন্যায্য মূল্যে সঠিক সময় সার-কীটনাশক পায় সে ব্যাপারে ডিলারদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তারপরেও কোনো কৃষকের অভিযোগ থাকলে সরাসরি কৃষি অফিসে জানাতে বলা হয়েছে।

এ কর্মকর্তা বলেন, বর্তমানে উপজেলার নিচু এলাকার প্রায় জমিগুলোতে ধানের চারা রোপণ শেষের দিকে। আবহাওয়া ও পরিবেশ অনুকলে থাকলে চলতি মৌসুমে বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ