.ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৩ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ৯ ১৪২৬,   ১৭ শা'বান ১৪৪০

ঝালকাঠিতে চলছে নিষিদ্ধ নোট বই বিক্রি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৬:২৮ ৯ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৬:২৮ ৯ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ঝালকাঠি জেলার বিভিন্ন উচ্চ মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে নিষিদ্ধ ঘোষিত গাইড ও নোটবই তুলে দেয়া হচ্ছে। 

নতুন বছরের শুরুতেই জেলা শহরসহ ৪ উপজেলার সরকারি, বেসরকারি, কমিউনিটি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গাইড বা নোটবই কিনতে বাধ্য করছেন সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষকরা। বিনিময়ে নগদ টাকা, ঘড়ি, ফ্যান, আলমারিসহ নানা ধরনের উপঢৌকন নেন প্রকাশনীর পক্ষ থেকে। 

শিশুদের কাঁধে অবৈধ বইয়ের বোঝা চাপিয়ে ব্যবসায়িক ফায়দা লুটছে প্রকাশনী, শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তিরা। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নোটবই বা গাইড কেনা বাধ্যতামূলক হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের অভিভাবকরা। শিক্ষা ব্যয় বহনে তারা হিমশিম খাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। 

লাইব্রেরিতে প্রকাশ্যেই এসব বই বিক্রি হলেও এ ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। শিক্ষকদের পছন্দমতো নোট বা গাইড বই যদি না কিনলে ওই শিক্ষার্থীকে নাজেহাল হতে হয় অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সামনে। 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ৪ উপজেলার উচ্চ মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিষিদ্ধ নোট-গাইড বই কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে। অনেক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক মিলে বিদ্যালয় থেকেই এসব গাইড বা নোট শিক্ষার্থীদের কাছে বিক্রি করছেন কিংবা নির্দিষ্ট প্রকাশনীর বই কিনতে নির্দিষ্ট লাইব্রেরির নামও বলে দিচ্ছেন। 

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইয়াদুজ্জামান বলেন, সরকার প্রাথমিক স্তরে গাইড বা নোটবই নিষিদ্ধ করেছে বেশ আগেই। এ ব্যাপারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোকেও অবগত করা হয়েছে। তারপরও কেউ যদি শিক্ষার্থীদের এসব বই কিনতে বাধ্য করেন বা চাপ প্রয়োগ করা হলে তদন্ত পূর্বক জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে