Alexa ঝালকাঠিতে অনিয়মের জন্য প্রধান শিক্ষককে শোকজ

ঢাকা, সোমবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৮ ১৪২৬,   ২৩ মুহররম ১৪৪১

Akash

ঝালকাঠিতে অনিয়মের জন্য প্রধান শিক্ষককে শোকজ

ঝালকাঠি প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:১৪ ২২ আগস্ট ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ঝালকাঠির নলছিটির খাগড়াখানা রহমআলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমানকে শোকজ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দেয়া লিখিত অভিযোগে অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় এ শোকজ করে জেলা প্রাথামিক শিক্ষা বিভাগ।

জেলা প্রাথামকি শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নবেজ উদ্দিন সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, তদন্ত দল একটি প্রতিবেদন দিয়েছে। এরইপ্রেক্ষিতে প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমানকে শোকজ করেছি। তার কাছে বিভিন্ন বিষয় জানতে চাওয়া হয়েছে। তিনি সঠিক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শোকজপ্রাপ্ত খাগড়াখানা রহমআলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমান বলেন, শোকজ পেয়েছি। শোকজের জবাব সময় মতো দিয়ে দেবো। আমি কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি করিনি। সব অভিযোগই মিথ্যা।

অভিভাবকদের করা লিখিত অভিযোগে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমান ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করেন, স্লিপমানি ও সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাত, বিদ্যালয়ের ল্যাপটপ নিজ বাড়িতে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেন। এসব বিষয়ে অন্য শিক্ষক ও অভিভাবকরা প্রতিবাদ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রধান শিক্ষক প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করে।

অভিযোগে আরো জানা যায়, এসব ঘটনায় অতিষ্ট অভিভাবকরা ১০ জুলাই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদফতর, ডিসি ও দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ১৯ জুলাই বিদ্যালয়ে তদন্তে যান জেলা শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা।

তদন্তকারী দল প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, পরিদর্শনের দিন প্রধান শিক্ষক ছুটি ব্যতিত বিদ্যালয়ের বাইরে ছিলেন। ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে ভর্তির সময় টাকা নেয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রধান শিক্ষক¯স্লিপ বরাদ্দের ৫০ হাজার টাকা, প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি কক্ষের জন্য বরাদ্দকৃত ১০ হাজার টাকার কোনো উল্লেখযোগ্য ব্যয়ের খাত দেখা যায়নি। বিদ্যালয়ের জন্য সরকারি বরাদ্দকৃত ল্যাপটপটি প্রধান শিক্ষক বাড়িতে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেন। এছাড়া জাতীয় শোক দিবস পালনে দুই হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও তিনি ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির কাছ থেকে চাঁদা তুলে অনুষ্ঠান করেন।  এছাড়া শ্রেণি কক্ষে পাঠটিকা ও উপকরণের কোনো ব্যবহার নেই। প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের সমাবেশ হওয়ার বিধান থাকলেও এতে প্রধান শিক্ষক অনুপস্থিত থাকেন। এসব কার্যক্রম সম্পূর্ণ বিধিবর্হিভূত ও শৃঙ্খলা ভঙের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ