Alexa জয়াতে মুগ্ধ বিদ্যা বালান

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৬ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ১ ১৪২৬,   ১২ জ্বিলকদ ১৪৪০

জয়াতে মুগ্ধ বিদ্যা বালান

 প্রকাশিত: ১৮:৪৫ ২২ জুলাই ২০১৭  

বাংলাদেশের গুণী অভিনেত্রী জয়া আহসান। বাংলাদেশের পাশাপাশি কলকাতার সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতেও শক্ত অবস্থান গড়ছেন এই অভিনেত্রী। কিছুদিন আগে মুক্তি পেয়েছে জয়া অভিনীত ‘বিসর্জন’ সিনেমাটি। এ সিনেমার জন্য ইন্টারন্যাশনাল বাংলা ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড (আইবিএফএ) ২০১৭-এর সমালোচক বিভাগে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেন জয়া। এবার জয়া আহসানের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন বলিউড অভিনেত্রী বিদ্যা বালান। তবে কোনো পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের জন্য নয়। কিছুদিন আগে মুক্তি পেয়েছে জয়া অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ভালোবাসার শহর’। এ সিনেমায় জয়ার অভিনয় দেখে নিজের মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন বিদ্যা। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে বিদ্যা বালান বলেন, ‘‘আনন্দের শহর কলকাতা আমার দ্বিতীয় বাড়ি। ‘ভালবাসার শহর’ সিনেমাটি দেখার ইচ্ছে সেই ভাষার জন্য ভালোবাসা থেকেই। সিনেমাটি দেখার পর কিছুক্ষণ বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। চুপ করে বসেছিলাম। ভেতরে ভেতরে চলছিল একটা তীব্র অস্থিরতা। এ কোন পৃথিবীর দৃশ্য দেখলাম আমি! যুদ্ধবিধ্বস্ত হোমস শহরের ছবি আমাকে ঝাঁকুনি দিয়ে গেল। আমরা এখনো কতখানি অজ্ঞতা, কত দুর্বল স্মৃতি নিয়ে বসবাস করি এই পৃথিবীর বুকে। ভাবি, নিজেরা নিরাপদে থাকলেই যথেষ্ট!’’ জয়ার প্রশংসা করে বিদ্যা বালান বলেন, ‘‘অন্নপূর্ণা দাসের চরিত্রে কী অপূর্ব অভিনয় করেছেন জয়া আহসান! একটি সাধারণ মেয়ে, যে মুসলিম ছেলের ওপর ভরসা করে ঘর ছেড়েছিল, শহর ছেড়ে বহু দূর দেশ সিরিয়ার হোমস শহরে চলে গিয়েছিল। সেই দুঃসাহসী মেয়ের জীবনে নেমে আসে অন্ধকার। যুদ্ধের সময় নিরুদ্দেশ স্বামী, কোমায় ছোট্ট মেয়ে, বৃদ্ধ বাবাকে নিয়ে এক নারীর কী সাহসী লড়াই দেখাল ‘ভালবাসার শহর’, তা আসলে বলে বোঝানোর ক্ষমতা আমার নেই। কী অভিনয় দেখালেন জয়া!’’ “জয়ার অভিনয় আমি ‘রাজকাহিনী’ সিনেমায় দেখেছি। উনার মতো শক্তিশালী অভিনেত্রী খুব কমই দেখেছি। জয়ার জন্য আমার পক্ষ থেকে অনেক হাততালি পাওনা রইল।” বলেন, বিদ্যা বালান। ‘ভালোবাসার শহর’ তথা ‘সিটি অব লাভ’ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন ‘ফড়িং’ সিনেমাখ্যাত ইন্দ্রনীল রায় চৌধুরী। এর আগে তার পরিচালনায় ‘একটি বাঙালি ভূতের গপ্পো’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন জয়া আহসান। এছাড়াও এতে আরো অভিনয় করেছেন -ঋত্বিক চক্রবর্তী, অরুণ মুখার্জি ও সোহিনী সরকার। ডেইলি বাংলাদেশ/আরকে