জয়পুরহাটে পরীক্ষামূলক বাদাম চাষে সাফল্য

ঢাকা, রোববার   ১২ জুলাই ২০২০,   আষাঢ় ২৯ ১৪২৭,   ২১ জ্বিলকদ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

জয়পুরহাটে পরীক্ষামূলক বাদাম চাষে সাফল্য

জয়পুরহাট প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২২:২৫ ৬ জুন ২০২০   আপডেট: ২২:৪১ ৬ জুন ২০২০

জয়পুরহাটে পরীক্ষামূলক বাদাম চাষে সাফল্য

জয়পুরহাটে পরীক্ষামূলক বাদাম চাষে সাফল্য

জয়পুরহাটে পরীক্ষামূলকভাবে বাদাম চাষে সফলতা পাওয়া গেছে। জেলার আক্কেলপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র ১ বিঘা জমিতে পরীক্ষামূলক এ বাদাম চাষ করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন।

বিঘায় উৎপাদন ১২ থেকে ১৪ মণ। সরেজমিন দেখা গেছে, আক্কেলপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র আবুল কালাম আজাদ তার নিজ গ্রাম চক্রপাড়ায় এক বিঘা জমিতে বাদামের চাষ করেছেন। সার বীজ ও বালাইনাসকসহ তার খরচ হয়েছে মাত্র ৬ হাজার টাকা। 

তিনি গত চৈত্র মাসের মধ্যবর্তী সময়ে বাদাম চাষ করেছিলেন। এখন চলছে বাদাম সংগ্রহ। তার এক বিঘায় বাদাম উৎপাদন হয়েছে ১৪ মণ। বর্তমানে প্রতি কেজি বাদাম বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। যা ধান বা অন্য ফসলের চেয়ে অধিক লাভজনক বলে তিনি জানান।

তিনি আরো বলেন, ধান চাষে সর্বদা খরচ ও দুর্যোগের ঝুঁকির আশঙ্কায় থাকতে হয়। আবার প্রতি বিঘা ধান চাষের খরচের চেয়ে বাদাম চাষে খরচ অর্ধেকের চেয়েও কম। প্রতি বিঘায় ধান উৎপাদন হয় গড়ে ২০ থেকে ২২ মণ। বর্তমানে প্রতি মণ ধান বাজারে বিক্রি করে পাওয়া যাচ্ছে সাড়ে ৮শ’ টাকা থেকে এক হাজার টাকা। অন্যদিকে প্রতি মণ বাদামে পাওয়া যায় ৩ হাজার ২’শ টাকা। সে হিসেবে ধানের চেয়ে বাদাম চাষে অনেক লাভ।  

উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুবেল হোসেন জানান, কখানো বাজারে বাদামের দর পতন দেখা দিলেও সমস্যা নেই। বাদাম নষ্ট হবে না কারণ বাদাম থেকে ভোজ্যতেল আহরণ সম্ভব। তেল তৈরির পর বাদামের খোসা জৈব সার হিসেবেও কৃষিকাজে ব্যবহার করা যাবে এমনটাই জানিয়েছেন আক্কেলপুর কৃষি ওই কর্মকর্তা।

উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা ইদ্রিস আলী জানিয়েছেন, বাদাম গাছ বাড়ন্ত সময়ে বালাই নাশক হিসেবে প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম ফেনাজল গ্রুপের যে কোনো ওষুধ স্প্রে করলে কোনো প্রকার পোকা-মাকড়ের আক্রমণ হয় না, এতে উৎপাদনও বেড়ে যায়। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ