Alexa জৌলুস হারিয়েছে রংপুর চিড়িয়াখানা

ঢাকা, সোমবার   ২৬ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ১১ ১৪২৬,   ২৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

পর্ব - ১

জৌলুস হারিয়েছে রংপুর চিড়িয়াখানা

 প্রকাশিত: ১৫:২৭ ২৯ এপ্রিল ২০১৮   আপডেট: ১৮:২৮ ২৯ এপ্রিল ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

রংপুর চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের সংখ্যা ও রাজস্ব বাড়লেও পশু-পাখির সংখ্যা বাড়েনি। হাতে গোনা কিছু পশু-পাখি থাকলেও খাদ্যাভাবে সেগুলো অসুস্থ হয়ে পড়েছে। রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে বিনোদনপ্রেমীরা রংপুর টিড়িয়াখানায় আসলেও একই পশু-পাখি বার বার দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে।

রংপুর চিড়িয়াখানা সূত্রে জানা গেছে, প্রতি অর্থবছরে রংপুর চিড়িয়াখানা থেকে সরকার প্রায় ১ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে। আয় বাড়লেও সরকার এর উন্নয়নের জন্য পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। বিণোদনপ্রিয় এ অঞ্চলের মানুষের নতুন প্রাণী দেখার আকাঙ্ক্ষা থাকলেও কবে তারা আরো নতুন নতুন প্রাণী দেখতে পারবে তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

বর্তমানে রংপুর চিড়িয়াখানায় ২টি সিংহ, ১টি বাঘ, ১টি জলহস্তি, ২টি কুমির, ২টি অজগর, ৩টি ময়ুর, ১টি ভাল্লুক, ১টি কেশোয়ারী, ১টি ঘোড়া, ১টি হনুমানসহ ২৬ প্রজাতির মাত্র ২১৫ টি পশু পাখি রয়েছে। বেশকিছু প্রাণীর খাঁচা থাকলেও সেগুলো শুন্য পড়ে আছে।

এখানকার পশু-পাখিগুলোর তেমন পরিচর্যাও করা হয়না। অভিযোগ রয়েছে, চিড়িয়াখানার পশু-পাখির জন্য পর্যাপ্ত খাবারও সরবরাহ করা হয় না। এতে অনেক প্রাণী জীর্ণ-শীর্ণ হয়ে পড়েছে। খাবারের অভাবে বিভিন্ন সময় মারা গেছে বেশ কয়েকটি পশু পাখি।

গৃহবধু সম্পা হোসেন জানান, ছুটির দিনে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নিয়মিত চিড়িয়াখানায় ঘুরতে আসি। অধিকসংখ্যক প্রাণী রাখা গেলে চিড়িয়াখানার সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি পেত। এতে শিশুদের আনন্দও বেড়ে যেত।

নীলফামারী থেকে ঘুরে আসা সাংবাদিক নাজমুল ইসলাম জানান, রংপুর চিড়িয়াখানায় বাঘ ছাড়া অন্য  বড় প্রাণী নেই। ঘুঘু, কবুতরের মতো সাধারণ পাখিগুলো দিয়ে খাঁচা ভরে রাখা হয়েছে। এদিকে সরকারের নজর দেওয়া দারকার।

রংপুর চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর ডা. জসিম উদ্দিন বলেন, চিড়িয়াখানায় নতুন প্রাণী আনার জন্য আমরা দীর্ঘদিন থেকে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ঢাকা চিড়িয়াখানাসহ সরকারের বিভিন্ন দফতরে একাধিকবার চিঠি দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি রংপুর চিড়িয়াখানার দায়িত্বগ্রহণ করার পর নিজ উদ্যোগে স্থানীয় বন বিভাগে যোগাযোগ করে হনুমান, ঘোড়া, বন বিড়ালসহ বেশ কিছু পশু-পাখি এনেছি।

১৯৮৮ সালের ১৪ আগস্ট নগরীর পুলিশ লাইন স্কুল এ্যান্ড কলেজের সামনে ২২ দশমিক ১৭ একর জমির উপর ১ কোটি ৮০ লাখ ১ হাজার টাকা ব্যয়ে রংপুর চিড়িয়াখানার নির্মাণ কাজ শুরু হয় । ১৯৯১ সালের ১৪ জুন এটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/আজ/আরআর

Best Electronics
Best Electronics