Alexa জুয়ায় ৫ স্ত্রীকে বাজি রেখে হারলেন রাজপুত্র!

ঢাকা, বুধবার   ১৩ নভেম্বর ২০১৯,   কার্তিক ২৮ ১৪২৬,   ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

জুয়ায় ৫ স্ত্রীকে বাজি রেখে হারলেন রাজপুত্র!

 প্রকাশিত: ০৭:৪৫ ১ জুন ২০১৭  

জুয়ার টেবিলের সামনে বসলে তার হুঁশ থাকে না৷ মাদকের নেশা না করলে ঘুম আসে না৷ ইচ্ছা হলেই পরিচারক ও পরিচারিকাদের সঙ্গেও তিনি সঙ্গম করেন। যৌনদাসীর সংখ্যাও অঢেল৷ এহেন রাজপুত্তুরটির নাম মাজেদ বিন আবদুল্লাহ বিন আবদুলাজিজ আল সৌদ৷ তার বউয়ের সংখ্যা ৯। যার মধ্যে জুয়ায় বাজি ধরে হারালেন পাঁচজনকে! বলতে গেলে একেবারে আধুনিক মহাভারত। প্রেক্ষাপট শুধু মিশর৷ মহর্ষি ব্যাসদেবের ‘মহাভারত’-এ কৌরবদের সঙ্গে পাশা খেলতে গিয়ে পঞ্চপাণ্ডব যেভাবে নিঃস্ব হয়ে শেষ মুহূর্তে তাদের স্ত্রী দ্রৌপদীকে বাজি ধরেছিলেন এই রাজপুত্রের কাহিনিও ঠিক সেই রকমই। কীভাবে? সৌদি আরবের এই কুখ্যাত রাজপুত্র সিনাই প্রদেশের গ্র্যান্ড ক্যাসিনোয় ছ’ঘণ্টা ধরে জুয়া খেলছিলেন। মাদকের নেশায় হুঁশ খুইয়ে তার ধন-সম্পত্তির সমস্তটা বাজি রেখেছিলেন। কিন্তু ভাগ্য সঙ্গে ছিল না। নিমেষে উড়ে যায় তার বাজি ধরা ১.৩৫০ বিলিয়ন রিয়াল। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ২ হাজার ৩১৬ কোটি ১০ লক্ষ ৬৪ হাজার ৫০০ টাকা৷ এরপরও তিনি জুয়ায় অর্থ বিনিয়োগ করতে চান। কিন্তু কানাকড়ি কিছুই না থাকায় শেষপর্যন্ত নিজের ৯ স্ত্রীয়ের বাজি রেখে খেলা শুরু করেন। এক-এক করে পাঁচ স্ত্রীকেও খোয়ান মাজেদ৷ বিলাসবহুল জীবনযাপন ও নানা কেলেঙ্কারির জন্য বিশ্বখ্যাত মাজেদ। ওই ক্যাসিনোর মালিক আলি শামুন জানিয়েছেন, “পাঁচ স্ত্রীকে বিক্রি করে ২৫ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৬১ কোটি টাকা) পেয়েছিলেন মাজেদ৷ তারপর পাঁচ স্ত্রীকে এক ব্যক্তির দিকে ঠেলে দিয়ে ফের জুয়া খেলায় মনোনিবেশ করেন। এর আগে অনেকে নিজের ঘোড়া, উট, বাড়ি বাজি ধরে জুয়া খেলেছেন৷ পরে আবার অর্থ দিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু এই প্রথম কেউ বউদের বিক্রি করল এবং পরে তাঁদের ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও করলেন না।” মিশর থেকে সৌদি আরবে ওই পাঁচ যুবরানিকে কীভাবে ফেরত পাঠাবেন সেই চিন্তাই এখন কুড়েকুড়ে খাচ্ছে শামুনকে৷ তবে আর কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সৌদি রাজ পরিবারের কেউ ফের ওই পাঁচ বউকে কিনে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাবেন বলেও ক্যাসিনোর কয়েকজন কর্মী অনুমান করছেন। তা না হলে কয়েক মাসের মধ্যে ওই মহিলাদের ইয়েমেন, কাতারে নিলাম ডেকে বিক্রি করে দেওয়া হবে৷ যদিও সৌদির বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, এমন ঘটনায় দ্রুত দেনা মিটিয়ে মহিলাদের ফিরিয়ে আনার বন্দোবস্ত করা হবে৷ তবে যার জন্য এত অশান্তি তিনি কী করছেন? গোপন সূত্রে খবর, মিশর থেকে তিনি এখন পালিয়েছেন। পশ্চিম এশিয়ার কোনো একটি দেশে আশ্রয় নিয়েছেন। তার সঙ্গে আছে প্রচুর যৌনসঙ্গী৷ তাদের সঙ্গে অস্বাভাবিক যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হচ্ছেন তিনি। সূত্র-আল জাজিরা, টাইমস অব ইন্ডিয়া ডেইলি বাংলাদেশ/ এসআই