Alexa জুমার দিনে যে দরুদ পাঠ করলে ৮০ বছরের গুনাহ মাফ হয়

ঢাকা, সোমবার   ২২ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ৭ ১৪২৬,   ১৮ জ্বিলকদ ১৪৪০

জুমার দিনে যে দরুদ পাঠ করলে ৮০ বছরের গুনাহ মাফ হয়

মোহাম্মদ মামুন কবীর ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৮:৫৪ ১২ জুলাই ২০১৯   আপডেট: ০৯:০৯ ১২ জুলাই ২০১৯

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

প্রিয় নবীজি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মহান আল্লাহর শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। রাসূলুল্লাহ (সা:)-এর শান্তির প্রার্থনার উদ্দেশ্যে দরুদ পাঠ করা হয়ে থাকে। রাসূলুল্লাহ (সা:)-এর প্রতি এবং তাঁর পরিবার-পরিজন, সন্তান-সন্ততি এবং সহচরদের প্রতি আল্লাহ্‌র দয়া ও শান্তি বর্ষণের জন্য প্রার্থনা করাই দরুদ।  

আল্লাহ তাআলা কোরআন করিমে ইরশাদ করেন: ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তাঁর নবীর ওপর রহমত ও বরকত অবতীর্ণ করেন এবং আল্লাহর ফেরেশতারা তাঁর নবীর প্রতি রহমত ও বরকত কামনা করেন; হে বিশ্বাসীরা! তোমরাও তাঁর নবীর জন্য রহমত ও বরকত প্রার্থনা করো এবং বিশেষভাবে শান্তি নিবেদন করো।’ (সুরা-৩৩ আহজাব, আয়াত: ৫৬)। 

জীবনে অন্তত একবার নবীজির প্রতি দরুদ ও সালাম পেশ করা ফরজ। নবীজির নাম ‘মুহাম্মদ’ (সা.) শুনলে দরুদ শরিফ পাঠ করা ওয়াজিব। তাশাহহুদের নামাজে নবীজির প্রতি সালাম প্রদান করা ওয়াজিব। নামাজে দরুদ শরিফ পাঠ করা সুন্নত। 

একই মজলিশে একাধিকবার তাঁর নাম মোবারক শুনলে প্রতিবার দরুদ শরিফ পড়া মোস্তাহাব। সব সময় দরুদ শরিফের আমল করা নফল ইবাদত। আমরা নবীজির নামের পরিবর্তে ব্যবহৃত বিকল্প বা সর্বনামের ক্ষেত্রেও দরুদ শরিফ পড়ে থাকি; এটি আফজল বা উত্তম।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:)-এর নাম উচ্চারণের সময় সর্বদা ‘সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ (অর্থ: আল্লাহ’র শান্তি বর্ষিত হোক তাঁর উপর) বলা হয়, যা একটি দরুদ।

হয়রত মুহাম্মদ (সা.) জুমার দিনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য সম্পর্কে একটি হাদিস আলোচনা করেছেন। শুক্রবার জুমাবার হওয়ার এর গুরুত্ব সম্পর্কে একটি সূরাই আল্লাহ তায়ালা নাজিল করেছেন। সুরাতুল জুমা।  

জুমার দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল সম্পর্কে হযরত আবু হুরাইরা (রা.) হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন আসর নামাজের পর না উঠে ওই স্থানে বসা অবস্থায় ৮০ বার নিম্নে উল্লেখিত দরুদ শরিফ পাঠ করবে, তার ৮০ বছরের গুনাহ মাফ হবে এবং ৮০ বছরের নফল ইবাদতের সওয়াব তার আমল নামায় লেখা হবে ।

দোয়াটি হলো : ‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিনিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আলা আলিহী ওয়াসাল্লিম তাসলীমা’।

জুমার দিনের আরো কিছু আমলের মধ্যে রয়েছে, জুমার দিনে সূরা কাহ্ফ তিলাওয়াত করলে কিয়ামতের দিন আকাশতুল্য একটি নূর প্রকাশ পাবে। বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠ করা এবং বেশি বেশি জিকির করা মুস্তাহাব।

জুমার দিনে নবী করিম (সা.) এর প্রতি বেশি বেশি দরুদ পাঠের কথা বলা হয়েছে। এমনিতেই যে কোনো সময়ে একবার দরুদ শরিফ পাঠ করলে আল্লাহ তায়ালা পাঠকারীকে দশটা রহমত দান করেন এবং ফেরেশতারা তার জন্য দশবার রহমতের দোয়া করেন।

জুমার নামাজের পূর্বে দুই খুতবার মাঝখানে হাত না উঠিয়ে মনে মনে দোয়া করা। সূর্য ডোবার কিছুক্ষণ আগ থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে জিকির, তাসবীহ ও দোয়ায় লিপ্ত থাকা।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে