জাবিতে নারী দোকানিকে মারধর

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৩ মে ২০১৯,   জ্যৈষ্ঠ ৮ ১৪২৬,   ১৭ রমজান ১৪৪০

Best Electronics

জাবিতে নারী দোকানিকে মারধর

জাবি প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৮:০২ ২ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৮:০২ ২ ডিসেম্বর ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) পাওনা টাকা চাওয়ায় এক নারী দোকানিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রলীগের এক কর্মীর বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত ওই কর্মীর নাম সৈয়দ লায়েব আলী। তিনি দর্শন বিভাগের ৪৩ তম আবর্তনের ও মীর মশাররফ হোসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী এবং শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু সুফিয়ান চঞ্চলের অনুসারী। মারধরের শিকার নারীর নাম বিবি আয়েশা খাতুন।  

শনিবারে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হল সংলগ্ন একটি দোকানে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, দুপুরে ছাত্রলীগকর্মী লায়েব আলী ওই নারীর দোকানে গিয়ে কয়েকটি বিস্কুট নেন। এসময় ওই নারী দোকানি আগের পাওনা আড়াইশ টাকা দেওয়ার অনুরোধ জানান। এতে রেগে গিয়ে লায়েব ওই নারীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে শুরু করেন। গালিগালাজ করতে নিষেধ করায় দোকানের পাশে পড়ে থাকা একটি বাঁশের খন্ড দিয়ে আয়েশা খাতুনকে আঘাত করেন লায়েব। এরপর দোকান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি।

এই বিষয়ে আয়েশা খাতুন বলেন, পাওনা টাকা চাওয়ায় লায়েব আমাকে বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করে।  পরে রবিউল ভাই (ছাত্রলীগ কর্মী) এসে টাকা পরিশোধ করে দেন। তিনি (রবিউল) আমাকে বলেন, মহিলা মানুষের ছেলেদের হলের সামনে দোকান করার দরকার নাই।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সৈয়দ লায়েব  আলী বলেন, আমার কাছে ওই দোকানদারের টাকা পাওয়ার কথা না। তারপরও তিনি আমার কাছে টাকা দাবি করেন। আমি তাঁর কাছে টাকার লিখিত হিসাব দেখাতে বলি। তিনি হিসাব দেখাতে পারেননি। তাই ধমক দিয়ে   বলেছি শিক্ষার্থীদেরকে সম্মান দিয়ে কথা বলতে। তবে তাঁকে মারধর করিনি।

রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনার সময় আমি গিয়ে ওই দোকানদারকে বুঝিয়ে বলেছি। গত কয়েকদিন ধরে হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ওই দোকানদারের ঝামেলা হচ্ছে। তাই ওনাকে বলেছি উনি না এসে দোকানে ওনার স্বামী বা ছেলেকে দোকানে বসাতে। তবে দোকান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেইনি।

এই বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান চঞ্চল বলেন, লায়েব ছাত্রলীগ করে ঠিক আছে। কিন্তু সে আমাকে ফোন দিয়ে বলেছে সে মারধর করেনি।

মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রাধ্যক্ষ শফি মুহাম্মদ তারেক বলেন, ঘটনা শুনেছি। হলের কর্মকর্তারা সেখানে গিয়েছেন। তদন্ত সাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ

 

 

Best Electronics