জাপায় হাওলাদারপন্থী নেতাকর্মীরা কোণঠাসা
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=191736 LIMIT 1

ঢাকা, শনিবার   ০৮ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৫ ১৪২৭,   ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

জাপায় হাওলাদারপন্থী নেতাকর্মীরা কোণঠাসা

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:১৬ ৩ জুলাই ২০২০   আপডেট: ১৬:৪০ ৩ জুলাই ২০২০

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ডান হাত হিসেবে পরিচিত এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারপন্থী নেতাকর্মীরা পার্টিতে এখন কোণঠাসা। নির্বাচনের সময় জি এম কাদের কৌশলে এরশাদকে দিয়ে পার্টির দীর্ঘদিনের মহাসচিব হাওলাদারকে পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন। আর এখন যেন তিনি সক্রিয় হতে না পারেন সে জন্য তার সমর্থক নেতাকর্মীদেরও নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়েছে। এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার হলেন জাপার বিগ ফ্যাক্ট। এমনটাই দাবি করেছেন হাওলাদারের ঘনিষ্ঠজনরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা বলেন, পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের কী কারণে দলে বিভক্তি সৃষ্টি করে রেখেছেন বুঝতে পারছি না। এতো বড় একটা পার্টি চালানোয় তিনি ব্যর্থ হচ্ছেন। তার প্রমাণ সিনিয়র নেতাদের মূল্যায়ন নেই দলে।

তিনি দাবি করেন, চেয়ারম্যান হাতে গোনা কয়েকজন জুনিয়র লোক সঙ্গে নিয়ে চলেন। তাদের পরামর্শে সিদ্ধান্ত নেন। সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে কোনো সিদ্ধান্ত নেন না। পার্টির চেয়ারম্যানের পাশে ৫-৬ জন নেতাকর্মীর মধ্যে হাসিবুল ইসলাম জয়, মিলন, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, আলমগীর সিকদার লোটন ও ফখরুল আহসান শাহজাদা থাকেন। আর বাকি সবাইকে দূরে দূরেই রাখছেন।

তিনি বলেন, রাজনীতিতে কাউকে ছোট করে বা চাপিয়ে রাখলে দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একটি দলের প্রাণ হলেন নেতাকর্মীরা। কোনো একজন বড় নেতাকে সাইড করে রাখা মানে অসংখ্য কর্মীকেও সরিয়ে রাখা। এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার হলো জাপার বিগ ফ্যাক্ট। জাপার চার তৃতীয়াংশ কর্মী হাওলাদারকে চান। পার্টির ত্যাগী ও সিনিয়র নেতারাও হাওলাদারকে চান। আর এটাই হাওলাদারের প্রতি জাপা চেয়ারম্যানের ঈর্ষার কারণ।

এসব বিষয়ে জাপার সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য আলমগীর সিকদার লোটন বলেন, আমাকে এর মধ্যে না জড়ানোই ভালো। আমি ছাত্র অবস্থা থেকেই জাতীয় পার্টি করি। তাই পার্টির প্রতি ভালোবাসা থেকে মাঝে মধ্যেই অফিসে আসি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সময় কাটাই। আমি কোনো দ্বন্দ্বের মধ্যে নেই। তবে দলে দ্বন্দ্ব থাকলে সেটা পার্টিকে দুর্বল করে দেয়।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে করোনা মহামারিতে সারাবিশ্ব খুব খারাপ সময় পার করছে। তাই পার্টির রাজনীতি কিভাবে চলছে সেটা এই মুহূর্তে বলা মুশকিল। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আশা করি জাপার রাজনীতিতে বড় ধরনের উন্নয়ন ও পার্টির শক্তিশালী অবস্থান দেখতে পাবে সবাই।

ডেইলি বাংলাদেশ/এস.আর/এমআরকে/আরআর