Exim Bank Ltd.
ঢাকা, বুধবার ১৭ অক্টোবর, ২০১৮, ২ কার্তিক ১৪২৫

জাতিসংঘে বক্তৃতার বাংলাদেশ...

সজীবুল ইসলাম
তরুণ প্রতিশ্রুতিশীল সাংবাদিক সজীবুল ইসলাম। নিজগুণে আপন করে নিয়েছেন ঝুঁকিপূর্ণ এ পেশাটিকে। ২০১২ সাল থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বিভিন্ন গণমাধ্যমে। বর্তমানে ডেইলি বাংলাদেশের সহ-সম্পাদক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু বাংলাদেশকে জন্মই দেননি, বিশ্বের বুকে নতুন মানচিত্র দিয়েছেন; তার পরিচিতিও ঘটিয়েছেন। বিশ্বকে বুঝিয়ে দিয়েছেন বাঙালি দমবার নয়, মাথা নোয়াবার নয়। এর এই কথা বিশ্ব মোড়লরা সেদিন বেশ ভালোই বুঝতে পেরেছিল, যেদিন জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন তিনি। শুধু দেশে নয়, বহির্বিশ্বেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা করেছেন তিনি। সেগুলোর মধ্যে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছে জাতিসংঘে দেয়া ভাষণটি।

বক্তৃতার বাংলাদেশ নেতারা বলতে ভীষণ ভালবাসেন। গর্জন শোনা যায় প্রচুর। কিন্তু যে বক্তৃতা মানুষকে জাগায়, অন্ধকারে পথ দেখায় সে বক্তৃতা কই? উত্তর খুঁজতে একটু পেছন ফিরে তাকাতেই হয়। আর তখন একজনই তর্জনী উঁচিয়ে সামনে দাঁড়ান। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বরে মাতৃভাষা বাংলায় ভাষণ দিয়ে ইতিহাস গড়েন শেখ মুজিবুর রহমান। জাতিসংঘে তিনিই প্রথম ব্যক্তিত্ব যিনি বাংলাদেশের স্বপ্ন, এর জনগণের আকাঙ্ক্ষার কথা দৃঢ়তার সঙ্গে তুলে ধরেন। বাংলাদেশ কেন সংগ্রামের পথ বেছে নিয়েছিল, কী তার সেক্রিফাইস, কোন্ ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে জন্ম হয় স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রটির এসব ইতিহাস চমৎকারভাবে উঠে আসে বক্তৃতায়।

ভাষণের সময় উপস্থিত ছিলেন- এমন সৌভাগ্যবানদের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অত্যন্ত সচেতনভাবে নিজ থেকেই বাংলায় ভাষণ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। বাংলা ভাষা ও বাংলা নামের দেশটির জন্য যে সংগ্রাম, যে আত্মত্যাগ তার স্মরণেই এমন সিদ্ধান্ত।

সেই ঐতিহাসিক ক্ষণের স্মৃতি থেকে একাধিক বিশিষ্টজন জানান, জাতিসংঘ অধিবেশনে সচরাচর সবাই উপস্থিত থাকেন না। অনেক চেয়ার খালি পড়ে থাকে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ভাষণের সময় অধিবেশন কক্ষ ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। গ্যালারিগুলোতেও ছিল অভিন্ন চিত্র। এর কারণ শেখ মুজিবুর রহমান তখন কেবল একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী নন। বরং সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হওয়া একটি নতুন দেশের স্থপতি। সারাবিশ্বে আলোচিত তিনি। তাই সবাই এই নেতাকে দেখার জন্য, বক্তৃতা শোনার জন্য অধিবেশনে যোগ দিয়েছিলেন।

নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৪টায় বঙ্গবন্ধুকে বক্তৃতার জন্য আহ্বান জানানো হয়। এ সময় সাধারণ সভার সভাপতি আলজিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী (বর্তমান রাষ্ট্রপতি) আব্দুল আজিজ ব্যুতফলিকা নিজ আসন থেকে উঠে এসে বঙ্গবন্ধুকে মঞ্চে তুলে নেন। বক্তৃতা মঞ্চে দাঁড়ান গলাবন্ধ কোট, কালো ফ্রেমের খুব মানানসই চশমা, আর ব্যাকব্রাশ করা চুলের বঙ্গবন্ধু। দীর্ঘদেহী স্মার্ট সুদর্শন আর আভিজাত্যপূর্ণ এক সৌম্য ব্যক্তিত্ব শেখ মুজিবকে দেখে মুগ্ধ না হয়ে পারেননি নানা দেশের প্রতিনিধিরা।

নাতিদীর্ঘ ভাষণের সূচনায় বঙ্গবন্ধু বলেন ‘আজ এই মহামহিমান্বিত সমাবেশে দাঁড়াইয়া আপনাদের সঙ্গে আমি এই জন্য পরিপূর্ণ সন্তুষ্টির ভাগিদার যে, বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষ আজ এই পরিষদে প্রতিনিধিত্ব করিতেছেন। আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের পূর্ণতা চিহ্নিত করিয়া বাঙালি জাতির জন্য ইহা একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনভাবে বাঁচিবার অধিকার অর্জনের জন্য এবং একটি স্বাধীন দেশে মুক্ত নাগরিকের মর্যাদা নিয়া বাঁচিবার জন্য বাঙালি জনগণ শতাব্দীর পর শতাব্দীব্যাপী সংগ্রাম করিয়াছেন, তাহারা বিশ্বের সকল জাতির সঙ্গে শান্তি ও সৌহার্দ্য নিয়া বাস করিবার জন্য আকাঙ্ক্ষিত ছিলেন। যে মহান আদর্শ জাতিসংঘ সনদে রক্ষিত আছে, আমাদের লক্ষ লক্ষ মানুষ সেই আদর্শের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করিয়াছেন।’

ভাষণে তিনি স্বাধীন বাংলার জন্য প্রাণ বিসর্জন দেয়া বীর শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। একইসঙ্গে বাংলাদেশের সংগ্রামে সমর্থনকারী সকল দেশ ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম সার্বিক অর্থে শান্তি এবং ন্যায়ের সংগ্রাম ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আর সে জন্যই জন্মলগ্ন হইতেই বাংলাদেশ বিশ্বের নিপীড়িত জনতার পাশে দাঁড়াইয়া আসিতেছে।’

সেই সময়ের বিশ্ব রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্লেষণ পাওয়া যায় তার সেই ভাষণে। বাঙালির মহান নেতা বলেন ‘একদিকে অতীতের অন্যায় অবিচারের অবসান ঘটাইতে হইতেছে, অপর দিকে আমরা আগামী দিনের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হইতেছি। আজিকার দিনের বিশ্বের জাতিসমূহ কোন পথ বাছিয়া নিবে তাহা লইয়া সঙ্কটে পড়িয়াছে। এই পথ বাছিয়া নেয়ার বিবেচনার উপর নির্ভর করিবে আমরা সামগ্রিক ধ্বংসের ভীতি এবং আণবিক যুদ্ধের হুমকি নিয়া এবং ক্ষুধা, বেকারত্ব ও দারিদ্র্যের কষাঘাতে মানবিক দুর্গতিকে বিপুলভাবে বাড়াইয়া তুলিয়া আগাইয়া যাইব অথবা আমরা এমন এক বিশ্ব গড়িয়া তোলার পথে আগাইয়া যাইব যে বিশ্ব মানুষের সৃজনশীলতা এবং আমাদের সময়ের বিজ্ঞান ও কারিগরি অগ্রগতি আণবিক যুদ্ধের হুমকিমুক্ত উজ্জ্বলতর ভবিষ্যতের রূপায়ণ সম্ভব করিয়া তুলিবে। এবং যে বিশ্ব কারিগরি বিদ্যা ও সম্পদের পারস্পরিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সর্বক্ষেত্রে সুন্দর জীবন গড়িয়া তোলার অবস্থা সৃষ্টি করিবে।’

এক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রথম হইতেই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সকলের প্রতি বন্ধুত্ব এই নীতিমালার উপর ভিত্তি করিয়া জোট নিরপেক্ষ নীতি গ্রহণ করিয়াছে।’ কেবলমাত্র শান্তিপূর্ণ পরিবেশই কষ্টলব্ধ জাতীয় স্বাধীনতার ফল ভোগ করিতে সক্ষম করিয়া তুলিবে বলে মত দেন তিনি।

প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের উপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস বাংলাদেশের অভ্যুদয় বস্তুতপক্ষে এ উপমহাদেশে শান্তির কাঠামো এবং স্থায়িত্ব প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে অবদান সৃষ্টি করিবে। ইহা ছাড়া আমাদের জনগণের মঙ্গলের স্বার্থেই অতীতের সংঘর্ষ ও বিরোধিতার পরিবর্তে মৈত্রী ও সহযোগিতার সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করিতে হইবে।’

বাঙালির উদারতার সবটুকু বহির্প্রকাশ ঘটিয়ে বক্তৃতায় তিনি বলেন ‘আমরা আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী ভারত ও নেপালের সঙ্গে শুধুমাত্র প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কই প্রতিষ্ঠা করি নাই, অতীতের সমস্ত গ্লানি ভুলিয়া গিয়া পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক করিয়া নতুন অধ্যায়ের সৃষ্টি করিয়াছি।’

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা এবং অন্যের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করার ভিত্তিতে বাংলাদেশ প্রতিবেশী সকল দেশের সঙ্গে সৎ প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক বজায় বজায় রাখিবে। আমাদের অঞ্চলের এবং বিশ্বশান্তির অন্বেষায় সকল উদ্যোগের প্রতি আমাদের সমর্থন অব্যাহত থাকিবে।’

বাঙালির ক্ষমতা সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি জানতেন বঙ্গবন্ধু। সে কথা বিশ্ববাসীকে আরো একবার জানিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘জনাব সভাপতি, মানুষের অজেয় শক্তির প্রতি বিশ্বাস, মানুষের অসম্ভবকে জয় করার ক্ষমতা এবং অজেয়কে জয় করার শক্তির প্রতি অকুণ্ঠ বিশ্বাস রাখিয়া আমি আমার বক্তৃতা শেষ করিতে চাই। আমাদের মতো যেইসব দেশ সংগ্রাম ও আত্মদানের মাধ্যমে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করিয়াছে, এই বিশ্বাস তাহাদের দৃঢ়। আমরা দুঃখ ভোগ করিতে পারি। কিন্তু মরিব না। টিকিয়া থাকার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করিতে জনগণের দৃঢ়তাই চরম শক্তি। আমাদের লক্ষ্য স্বনির্ভর। আমাদের পথ হইতেছে জনগণের ঐক্যবদ্ধ ও যৌথ প্রচেষ্টা।’

বক্তৃতার শেষ অংশে খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গের অবতারণা করে তিনি বলেন ‘আমাদের নিজেদের শক্তির উপর আমাদের বিশ্বাস রাখিতে হইবে। আর লক্ষ্য পূরণ এবং সুন্দর ভাবীকালের জন্য আমাদের নিজেদেরকে গড়িয়া তুলিবার জন্য জনগণের ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বিত প্রয়াসের মাধ্যমেই আমরা আগাইয়া যাইব।’ এমন অদ্ভুত সুন্দর স্বপ্নের কথা জানিয়ে বক্তৃতা শেষ করেন বঙ্গবন্ধু। জানা যায়, নেতার বক্তৃতা শেষ হলে সাধারণ সভার সভাপতিসহ অন্যরা দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে তাকে অভিনন্দিত করেন।

ইংরেজিতে বক্তৃতা করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল বঙ্গবন্ধুকে। কিন্তু বাংলা ভাষার জন্য, বাংলা নামের দেশটির জন্য আজীবন সংগ্রাম করা বঙ্গবন্ধু নিজের মাতৃভাষাকে বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত করতেই বাংলায় বক্তৃতা করেন। ভাষণ শেষে তাকে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা বুকে জড়িয়ে ধরেন। আলিঙ্গন করেন। তারা আমাদের বলেন, বঙ্গবন্ধু শুধু তোমাদের নয়, সারাবিশ্বের নিপীড়িত মানুষের নেতা তিনি।

জাতিসংঘের তৎকালীন মহাসচিব এ ভাষণের প্রশংসা করে বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতায় আমি আনন্দিত ও গর্বিত। তার দেয়া ভাষণটি সহজ গঠনমূলক ও অর্থবহ।’ একই রকম প্রশংসা করা হয়েছিল জাতিসংঘের ডেলিগেট বুলেটিনে। এতে বঙ্গবন্ধুকে ‘কিংবদন্তির নায়ক মুজিব’ বলে অভিহিত করা হয়েছিল।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই

আরোও পড়ুন
সর্বশেষ
এক সাহসী আদিবাসীর উপাখ্যান
এক সাহসী আদিবাসীর উপাখ্যান
শিশু জয়নাবের ধর্ষক-হত্যাকারীর ফাঁসি কার্যকর
শিশু জয়নাবের ধর্ষক-হত্যাকারীর ফাঁসি কার্যকর
স্ত্রী ফিরে দেখে বাসায় অন্য নারী!
স্ত্রী ফিরে দেখে বাসায় অন্য নারী!
মনোনয়ন ঘিরে কালীগঞ্জ আওয়ামী লীগে দ্বন্ধ
মনোনয়ন ঘিরে কালীগঞ্জ আওয়ামী লীগে দ্বন্ধ
‘নারীদের প্রতি তার আসক্তি চরম’
‘নারীদের প্রতি তার আসক্তি চরম’
খুলনার সরকারি গুদামের ৯৭ কোটি টাকার গম পোকায় খাচ্ছে!
খুলনার সরকারি গুদামের ৯৭ কোটি টাকার গম পোকায় খাচ্ছে!
কিছু নেতা লাভবান হতে বেঈমানী করছে: রিজভী
কিছু নেতা লাভবান হতে বেঈমানী করছে: রিজভী
এবার মেয়েকে নিয়ে মারাত্মক কথা বললেন ঐশ্বরিয়া!
এবার মেয়েকে নিয়ে মারাত্মক কথা বললেন ঐশ্বরিয়া!
সোমালিয়ায় মার্কিন বিমান হামলায় নিহত ৬০
সোমালিয়ায় মার্কিন বিমান হামলায় নিহত ৬০
ধুনটে যমুনার ১৫০ মিটারে ধস
ধুনটে যমুনার ১৫০ মিটারে ধস
দুর্নীতির অভিযোগে তিতাসের ৫ কর্মকর্তা বরখাস্ত
দুর্নীতির অভিযোগে তিতাসের ৫ কর্মকর্তা বরখাস্ত
আত্মসমর্পণে সাড়া নেই জঙ্গিদের
আত্মসমর্পণে সাড়া নেই জঙ্গিদের
দুলাভাইয়ের কাছে শ্যালিকার আবদার!
দুলাভাইয়ের কাছে শ্যালিকার আবদার!
প্লাস্টিক খাচ্ছেন ফুটবলাররা, কিন্তু কেন?
প্লাস্টিক খাচ্ছেন ফুটবলাররা, কিন্তু কেন?
প্লুটোকে কেন এখন গ্রহ বলা হয় না?
প্লুটোকে কেন এখন গ্রহ বলা হয় না?
বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা সূচকে বাংলাদেশ পিছিয়েছে
বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা সূচকে বাংলাদেশ পিছিয়েছে
নরসিংদীর অন্য জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের প্রস্তুতি
নরসিংদীর অন্য জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের প্রস্তুতি
মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে হয়রানির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান চীনের
মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে হয়রানির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান চীনের
তিন ডাক্তারেই চলছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
তিন ডাক্তারেই চলছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
বিসিসিআই ‘ভণ্ডামি’ করছে
বিসিসিআই ‘ভণ্ডামি’ করছে
​অসম বয়সের সংসার কেমন তাদের?
​অসম বয়সের সংসার কেমন তাদের?
আজ মহা অষ্টমী ও কুমারী পূজা
আজ মহা অষ্টমী ও কুমারী পূজা
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক রাতে
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক রাতে
ক্রেতাদের ভরসা ঘেরের মাছ
ক্রেতাদের ভরসা ঘেরের মাছ
রাভিনার বিরুদ্ধে মামলা
রাভিনার বিরুদ্ধে মামলা
ঢাকায় বিশ্বকাপ ট্রফি
ঢাকায় বিশ্বকাপ ট্রফি
যৌন হেনস্থার অভিযোগে কোচের আত্মহত্যা
যৌন হেনস্থার অভিযোগে কোচের আত্মহত্যা
সাবিলা নয়, ভক্তরাই ঘুম হারাম করেছেন তার!
সাবিলা নয়, ভক্তরাই ঘুম হারাম করেছেন তার!
উত্তরখানে দগ্ধ আরো একজনের মৃত্যু, মৃত বেড়ে ৫
উত্তরখানে দগ্ধ আরো একজনের মৃত্যু, মৃত বেড়ে ৫
সেই চন্দ্রমোহনই দেখছেন সাকিবের আঙ্গুল!
সেই চন্দ্রমোহনই দেখছেন সাকিবের আঙ্গুল!
সর্বাধিক পঠিত
‘স্বামীকে ছেড়ে’ জোভানের সংসার করতে চান মিম!
‘স্বামীকে ছেড়ে’ জোভানের সংসার করতে চান মিম!
বিবাহবার্ষিকীতে স্বামীকে স্ত্রীর সেরা উপহার!
বিবাহবার্ষিকীতে স্বামীকে স্ত্রীর সেরা উপহার!
দুই স্বামীকে ‘ছেড়ে’ মন্ট্রিলে দেখা মিলল তিন্নির!
দুই স্বামীকে ‘ছেড়ে’ মন্ট্রিলে দেখা মিলল তিন্নির!
এবার যৌন হেনস্থা নিয়ে মুখ খুললেন ঐশ্বরিয়া!
এবার যৌন হেনস্থা নিয়ে মুখ খুললেন ঐশ্বরিয়া!
‘তিন ভাই’ একসঙ্গে আমাকে ধর্ষণ করেছিল’
‘তিন ভাই’ একসঙ্গে আমাকে ধর্ষণ করেছিল’
‘ওয়েব সিরিজে ভরপুর নগ্নতা’ দেখার কেউ নেই!
‘ওয়েব সিরিজে ভরপুর নগ্নতা’ দেখার কেউ নেই!
দশ বছরের বেশি মেয়েদের জিন্স পরায় নিষেধাজ্ঞা
দশ বছরের বেশি মেয়েদের জিন্স পরায় নিষেধাজ্ঞা
প্রেমিকের কবরে কনের সাজে প্রেমিকার কান্না
প্রেমিকের কবরে কনের সাজে প্রেমিকার কান্না
একী কাণ্ড এমপি মনির! (ভিডিও)
একী কাণ্ড এমপি মনির! (ভিডিও)
ফার্মগেটে যৌন হেনস্তাকারীকে কিশোরীর শায়েস্তা
ফার্মগেটে যৌন হেনস্তাকারীকে কিশোরীর শায়েস্তা
১ কোটি টাকা চেয়েছিলেন অনন্ত
১ কোটি টাকা চেয়েছিলেন অনন্ত
প্রভার ‘গর্ভে’ বেড়ে উঠছে রক্তিমের সন্তান!
প্রভার ‘গর্ভে’ বেড়ে উঠছে রক্তিমের সন্তান!
দাম শুনলে চমকে যাবেন যে কেউই!
দাম শুনলে চমকে যাবেন যে কেউই!
মিলনেই মৃত্যু, কারা ছিলো সেই ‘বিষকন্যা’?
মিলনেই মৃত্যু, কারা ছিলো সেই ‘বিষকন্যা’?
মাহি-মান্নার গোপন ফোনালাপ ফাঁস
মাহি-মান্নার গোপন ফোনালাপ ফাঁস
বলিউডের আলোচিত ৩ পরকীয়া
বলিউডের আলোচিত ৩ পরকীয়া
‘শিস কন্যা’র তালে গাইলেন প্রসেনজিৎ
‘শিস কন্যা’র তালে গাইলেন প্রসেনজিৎ
বিয়ে ভারতেই, অতিথির তালিকায় মাত্র...
বিয়ে ভারতেই, অতিথির তালিকায় মাত্র...
গজব পড়বে, ফাঁসির দণ্ড পেয়ে বাবর
গজব পড়বে, ফাঁসির দণ্ড পেয়ে বাবর
ভারতীয়দের নজরে ‘তারাই সেরা’!
ভারতীয়দের নজরে ‘তারাই সেরা’!
শিরোনাম:
জঙ্গি আস্তানা: নরসিংদীর আরেকটি বাড়িতে অভিযানের প্রস্তুতি চলছে জঙ্গি আস্তানা: নরসিংদীর আরেকটি বাড়িতে অভিযানের প্রস্তুতি চলছে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা সূচকে একধাপ পিঁছিয়েছে বাংলাদেশ: ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা সূচকে একধাপ পিঁছিয়েছে বাংলাদেশ: ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম দুর্গোৎসবে মহাঅষ্টমী আজ: বিভিন্ন স্থানে কুমারী পূজার আয়োজন দুর্গোৎসবে মহাঅষ্টমী আজ: বিভিন্ন স্থানে কুমারী পূজার আয়োজন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে তিতাস গ্যাসের ৫ কর্মকর্তা বরখাস্ত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে তিতাস গ্যাসের ৫ কর্মকর্তা বরখাস্ত আজ সৌদি বাদশাহের সাথে সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী আজ সৌদি বাদশাহের সাথে সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী নরসিংদীতে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে দুটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ নরসিংদীতে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে দুটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ