জলাশয় ও ইকোসিস্টেমের জন্য সংরক্ষণ করা হবে ৭০ শতাংশ ভূমি

ঢাকা, শনিবার   ২৮ নভেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১৫ ১৪২৭,   ১১ রবিউস সানি ১৪৪২

তুরাগ টাউনশিপ প্রকল্প 

জলাশয় ও ইকোসিস্টেমের জন্য সংরক্ষণ করা হবে ৭০ শতাংশ ভূমি

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:৫৭ ২০ নভেম্বর ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

রাজউক চেয়ারম্যান ড. সুলতান আহমেদ বলেছেন, তুরাগ টাউনশিপ প্রকল্পে প্রায় ৭০ শতাংশ ভূমি জলাশয় ও ইকোসিস্টেমের জন্য সংরক্ষণ করা হবে। আর ৩০ শতাংশ ভূমি টাউনশিপের জন্য ব্যবহার করা হবে। ড্যাপ বাস্তবায়নের সঙ্গে সংগতি রেখে এ প্রকল্প করা হবে।

প্রকল্পে যাদের জমি অধিগ্রহণ করা হবে তাদের কেউ প্লট বা ফ্ল্যাট প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হবেন না বলেও জানান তিনি। 

বুধবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশনের (সিআরবিসি) মধ্যে তুরাগ নদের বন্যা প্রবাহ অঞ্চল সংরক্ষণ এবং কমপ্যাক্ট টাউনশিপ উন্নয়ন প্রকল্প ও ঢাকার কেরানীগঞ্জে প্রস্তাবিত ওয়াটারফ্রন্ট স্মার্ট সিটি প্রকল্পের বিষয়ে আলোচ্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এরইমধ্যে মাস্টারপ্ল্যান অনুমোদন দিয়েছেন। এ মাস্টারপ্ল্যান এসডিজি-৬ অর্জনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। তুরাগ টাউনশিপ প্রকল্প রাজউকের ইতিহাসে একটি মাইলস্টোন হিসেবে থাকবে।
আলোচ্য সমঝোতা স্মারকের আওতায় চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশন নিজস্ব অর্থায়নে এক বছরের মধ্যে উল্লেখিত প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই ও পরিবেশগত সমীক্ষা কাজ সম্পাদন করবে। চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশন সম্ভাব্যতা যাচাই ও পরিবেশগত সমীক্ষা কাজ শেষে উল্লিখিত প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব বলেন, বন্যা প্রবাহ অঞ্চল সংরক্ষণ একটি শহরের অস্তিত্ব রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী নদী রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। রাজউক তুরাগ নদের তীরে কমপ্যাক্ট টাউনশিপ উন্নয়নের ক্ষেত্রে বন্যা প্রবাহ অঞ্চল সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে। এক্ষেত্রে ৬২ শতাংশ ভূমি জলাশয় সংক্রান্ত্র কর্মকাণ্ডে সংরক্ষণ করা হবে। কেরানীগঞ্জে প্রস্তাবিত স্মার্ট সিটিতে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ছোট ছোট এপার্টমেন্টের সংস্থান থাকবে। এখানে পর্যাপ্ত জলাশয় সংরক্ষণ করা হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এসডিজি ও ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়নে কাজ করছি। আশা করি আলোচ্য প্রকল্প দুটি এসডিজি ও ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং ঢাকাকে বিশ্বমানের শহর হিসেবে গড়ে তুলবে।

রাজউকের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান ড. সুলতান আহমেদ এবং চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশনের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান প্রকৌশলী সুন ইয়োগুও।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন- রাজউক এর সদস্য (পরিকল্পনা) মো. আজহারুল ইসলাম। আরো বক্তব্য রাখেন চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী সুন ইয়োগুও। 

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই