ঢাকা, শনিবার   ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯,   ফাল্গুন ১০ ১৪২৫,   ১৭ জমাদিউস সানি ১৪৪০

জন্ডিসের কারণে হতে পারে চুলকানি

নিউজ ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ

 প্রকাশিত: ০৭:২৭ ১০ জুলাই ২০১৮  

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

জন্ডিসের যে শুধুমাত্র যকৃতের সমস্যা বা হেপাটাইটিস ভাইরাস এর কারণে হয় তা নয়। পিত্তথলি থেকে পিত্তরস ঠিকমতো বের হতে না পারলেও জন্ডিস হতে পারে। একে বলা হয় অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিস। এই জন্ডিস এর জন্য ত্বকে হতে পারে অসহনীয় চুলকানি।

যকৃতের সাথে প্রায় গায়ে গায়ে লেগে রয়েছে পিত্তথলি। এর কাজ পিত্তরস তৈরি করা, যা পিত্তনালি বেয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রথম অংশ ডিওডেনামে পৌঁছে পাকরসের সঙ্গে মিশে যায় ও খাবার হজম করতে সাহায্য করে। পিত্তরসের এই চলমান পথে কোথাও বাধার সৃষ্টি হলে বিলিরুবিন জবেড়ে যায়, চোখ ও ত্বক হলুদ হয়ে যায় এবং ন্ডিস দেখা দেয়। একেই বলে অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিস।

অন্যান্য জন্ডিসের মতোই অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিস এর ফলে ত্বক, চোখ, জিভের বা প্রস্রাব হলুদ হয়। জ্বর, অরুচি, বমি ভাব, বমি থাকতে পারে। তবে বিশেষভাবে এ ধরনের জন্ডিসে পেটব্যথা থাকতে পারে, সঙ্গে প্রচণ্ড চুলকানি। মল পাতলা, দুর্গন্ধযুক্ত বা মেটে রঙের হতে পারে।

অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিসের কারণ নির্ণয়ের জন্য আল্ট্রাসনোগ্রাম অন্যতম ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়া রক্তে বিলিরুবিন, অ্যালকালাইন ফসফেটেজসহ অন্যান্য লিভার ফাংশন টেষ্ট করতে হয়। ইআরসিপি এবং পিটিসি`র মাধ্যমে কারণ নির্ণয় করা যায়। আজকাল আধুনিক রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার জন্য ইআরসিপি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিসে চিকিৎসাও ভিন্ন। সাধারণ ভাইরাসজনিত জন্ডিসে পূর্ণ বিশ্রাম, সহজপাচ্য খাবার ও দু-একটি বমির ওষুধই চিকিৎসা। অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিসে কিন্তু তা নয়। প্রথমে দেখতে হবে পিত্তরসের পথে বাধাটা কোথায় ও কী? তারপর চিকিৎসা শুরু করতে হবে। পাথরের এর জন্য অস্ত্রপচার ও প্রয়োজন হতে পারে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএ