জনপ্রশাসনে ইলেকট্রনিক নথি চালু

ঢাকা, রোববার   ১৯ মে ২০১৯,   জ্যৈষ্ঠ ৫ ১৪২৬,   ১৪ রমজান ১৪৪০

Best Electronics

জনপ্রশাসনে ইলেকট্রনিক নথি চালু

 প্রকাশিত: ১৪:৪১ ৬ জুন ২০১৮  

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

জনপ্রশাসনের কার্যক্রমকে যুগোপযোগী ও গতিশীল করতে পূর্বের লাল ফিতায় বাঁধা কাগজের নথির পরিবর্তে ইলেকট্রনিক্স নথি চালু করা হয়েছে। এতে জনপ্রশাসনে স্বচ্ছতা, গতিশীলতা ও জবাবদিহীতা বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া বার্ষিক গোপনীয় অনুমোদন (এসিআর) সনাতন পদ্ধতির পরিবর্তে বার্ষিক কর্মমূল্যায়ন প্রতিবেদন (এপিএআর) পদ্ধতি প্রবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এ পদ্ধতি প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করা হয়েছে।

বুধবার সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকার দলীয় এমপি দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

তিনি জানান, ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার। এর ধারাবাহিকতায় এরইমধ্যে সারাদেশে বহুমুখী ডিজিটাল কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে সরকারের অনেক সেবাধর্মী কাজ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। জনগণ এর সুফল ভোগ করছে। জনপ্রশাসনের কার্যক্রমকেও যুগোপযোগী এবং ডিজিটালাইজড করার জন্য বর্তমানে সরকার নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

মন্ত্রী জানান, বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের সব কর্মকর্তা ও অন্যান্য ক্যাডারের উপসচিব ও তদুর্ধ্ব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের চাকরি ও ব্যক্তিগত তথ্য সম্পর্কিত ডাটাবেজ (পিএমআইএস) আধুনিকায়ন করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের পদায়ন, পদোন্নতিতে এই ডাটাবেজের বহুল ব্যবহার হয়েছে। বর্তমানে সব ক্যাডার কর্মকর্তাদের এই পিএমআইএসের আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম জানান, দাফতরিক যোগাযোগ দক্ষতা ও কাজ গতিশীলতার সঙ্গে করার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সব কর্মকর্তা, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের অফিশিয়াল ডেজিগনেটেড ইমেইল এ্যাড্রেস প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া অনলাইনে ফেসবুকের মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীদের বাংলা বানান ও প্রমিত বাংলা ব্যবহারে সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

তিনি জানান, সরকার এক্সেস টু ইনফরমেশন প্রকল্পের মাধ্যমে নানাবিধ সফটওয়্যার উন্নয়ন করে বাস্তবায়ন করছে যা জনপ্রশাসনের কার্যক্রমকে ডিজিটালাইজড, যুগোপযোগী ও গতিশীল করেছে। এর মাধ্যমে জনপ্রশাসন জনগণের দোরগোড়ায় দক্ষতা ও গতিশীলতার সঙ্গে সেবা দিতে সক্ষম হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, ২০০৯ হতে অদ্যাবধি ২৮তম বিসিএস হতে ৩৬ তম বিসিএস পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাডারে বিভিন্ন ক্যাটাগরির প্রথম শ্রেণির প্রারম্ভিক পদে ২৫ হাজার ২৭৮ জন। ১ম শ্রেণির (৯ম গ্রেড) নন-ক্যাডার পদে ২ হাজার ৫০৮ জন ও ২য় শ্রেণির (১০ম গ্রেড) পদে ৩ হাজার ৬৭৬ জন জনবল বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া সরাসরি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রিলিমিনারি, লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষার ভিত্তিতে ১ম শ্রেণির নন-ক্যাডারের বিভিন্ন পদে ২ হাজার ৭২১ জন এবং ২য় শ্রেণির বিভিন্ন পদে ১৬ হাজার ৯৩০ জন জনবল বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক সুপারিশ করা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে

Best Electronics