জঙ্গি আস্তানায় ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার অভিযান শুরু

ঢাকা, শুক্রবার   ২৪ মে ২০১৯,   জ্যৈষ্ঠ ১০ ১৪২৬,   ১৮ রমজান ১৪৪০

Best Electronics

জঙ্গি আস্তানায় ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার অভিযান শুরু

 প্রকাশিত: ০৯:৩৬ ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭   আপডেট: ১০:১৫ ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

রাজধানীর মিরপুরের দারুস সালাম থানাধীন বর্ধন বাড়ি এলাকায় জঙ্গি আস্তানায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।

বুধবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে এ উদ্ধার কাজ শুরু করা হয়।

এদিকে জঙ্গি আস্তানায় ৫ জন নিহত হয়েছে বলে ধারণা করেছেন র‌্যাব। এসময় র‌্যাব’র ৪ সদস্য আহত হয়েছেন।

এর আগে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে এক ব্রিফিংয়ে র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ বলেছিলেন, তাদের ধারণা ওই ‘জঙ্গি আস্তানায়’ নারী-শিশুসহ ৭ জন আছে।

র‌্যাবের মহাপরিচালক বলেন, ‘সোমবার রাতে টাঙ্গাইলে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালিয়ে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রসহ দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে দারুস সালামের জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালানো হচ্ছে। বাড়িটির পঞ্চম তলায় সন্দেহভাজন জঙ্গিরা অবস্থান করছে।’

বাড়িটির ২৪টি ফ্ল্যাটের মধ্যে ২৩টি থেকে পুরুষ-নারী-শিশুসহ ৬৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান বেনজীর আহমেদ। বাড়িটির গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে।

জঙ্গি আস্তানা থেকে আবদুল্লাহর বোন ইতিমধ্যে আত্মসমর্পণ করেছেন বলে জানান বেনজীর আহমেদ। র‌্যাবের মহাপরিচালক জানান, তারা আবদুল্লাহকে আত্মসমর্পণ করানোর জন্য ফোনে বারবার যোগাযোগ করছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র বলছে, তারা আব্দুল্লাহকে আত্মসমর্পণের জন্য শেষ পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। সোমবার দিবাগত রাত ১ টা থেকে দারুস সালামের বর্ধন বাড়ি এলাকার ওই বাড়িটিতে অভিযান শুরু করে র‌্যাব।

র‌্যাবের একজন কর্মকর্তা জানান , বাড়ির ভেতরে আব্দুল্লাহর ২ স্ত্রী, ২ সন্তান থাকার কারণে তাদের ‘মিশন’ শুরু করতে দেরি হচ্ছে। তারা যে ফ্ল্যাটে অবস্থান করছেন সেটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করা হয়েছে। ওই ফ্ল্যাটে শিশু উমর (১১) ও উসামার (২) জন্য মূলত র‌্যাব অভিযান পরিচালনা করতে পারছে না বলে জানিয়েছেন মুফতি মাহমুদ খান।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে র‌্যাবের ডিজি বেনজীর আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, ভেতরে বিপুল পরিমাণ এসিড, পেট্রোল ও ৫০টি আইডি রয়েছে। ‘জঙ্গি’ আব্দুল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে ভবনটিতে বসবাস করছেন। ফ্রিজ, টেলিভিশন মেরামত ও আইপিএস তৈরির পাশাপাশি জঙ্গিবাদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০০৫ সালে থেকে সে জঙ্গিবাদের সঙ্গে যুক্ত বলেও জানান র‌্যাবের ডিজি।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ

Best Electronics