Alexa ছয় বিয়ের পর শ্যালিকাদেরও কুপ্রস্তাব স্কুল শিক্ষকের  

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৭ অক্টোবর ২০১৯,   কার্তিক ২ ১৪২৬,   ১৭ সফর ১৪৪১

Akash

ছয় বিয়ের পর শ্যালিকাদেরও কুপ্রস্তাব স্কুল শিক্ষকের  

বরগুনা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:১৮ ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

বরগুনার পাথরঘাটায় এক স্কুল শিক্ষককে চরিত্রহীন আখ্যা দিয়ে পাথরঘাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার ৬ষ্ঠ স্ত্রী মোসা. রনী বেগম।

তার স্বামী মো. ফরিদ আলম চরদুয়ানী ইউপির মঠেরখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। রনী বেগম একই ইউপির দক্ষিণ জ্ঞানপাড়া গ্রামের মো. মজিবর রহমান সিকুর বড় মেয়ে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পাথরঘাটা প্রেসক্লাবে তিনি এ সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মোসা. রনী বেগম বলেন, তার স্বামী মঠোরখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. ফরিদ আলম, গত ২০১৩ সালে তাদের বিয়ে হয়। তিনি নিজেকে তার ৬ষ্ঠ স্ত্রী দাবি করে বলেন, মো. ফরিদের বিবাহিত তার আগের স্ত্রীদের সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়ায় কথা বলায় তাকে সরল বিশ্বাসে বিয়ে করেন। বিয়ের পর খোজঁ নিয়ে জানতে পারেন তিনি আগে চরদুয়ানী ইউপির নাজমা বেগম, নাচনাপাড়া ইউপির মনিরা বেগম, বরগুনা সদর উপজেলার লাবনী ও লায়লা বেগম, পাথরঘাটা ইউপির রুমা বেগমকে বিয়ে করেন। এখন তিনি সহ লায়লা তার অন্য স্ত্রী রুমার সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক আছে। রনীর ঘরে সাত বছরের মিথিলা নামে এক মেয়ে আছে। তাকেও মেয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ছিনতাই করে নিয়ে গিয়েছিল সে।

তিনি আরো বলেন, তার স্বামী ফরিদ চরিত্রহীন। প্রায়ই আমার ছোট বোনদের কুপ্রস্তাব দিত। সংবাদ সম্মেলনে রনীর মা বকুল বেগম ও মেয়ে মিথিলা উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে স্বামী মো. ফরিদুল আলম জানান, রনী বেগম ছাড়া তার কোনো স্ত্রী নেই। মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে তার স্ত্রী রনী ও শ্বশুর মজিবর রহমান সিকু। জমি বিক্রী করার কথা বলে আট লাখ টাকা নিয়ে জমি বা টাকা কোনোটাই ফেরত না দেয়ায় তাদের মধ্যে এ কলহ সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় ফরিদ তার স্ত্রী রনীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ করেন এবং বলেন তার শ্বশুর একজন চিহ্নিত অপরাধী। ধর্ষণ, মাদক ও হরিণ চুরিসহ বন আইনে তার বিরুদ্ধে আটটি মামলা চলমান। এ কারণে বর্তমানে তিনি জেলে আছেন।

ফরিদ আলম আরো জানান, তার আভিযোগ স্ত্রী রনী ও শ্বশুর মো. মজিবর রহমান সিকুর মামলা তদন্ত করতে গিয়ে পাথরঘাটা থানার এক এসআইকে ফাঁদে ফেলে বিয়ে করতে বাধ্য করে। সে পুলিশ কর্মকতা স্ত্রীকে ফেলে পালিয়েছেন।

পাথরঘাটা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির এক নেতা বলেন, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ের অভিযোগ রয়েছে। মামলায় পড়ে একবার সে হাজত বাস করেছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ