ছুঁয়েও দেখল না, বাবার কোলেই শিশুর করুণ মৃত্যু
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=190974 LIMIT 1

ঢাকা, শনিবার   ০৮ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৫ ১৪২৭,   ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

ছুঁয়েও দেখল না, বাবার কোলেই শিশুর করুণ মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:২৪ ২৯ জুন ২০২০   আপডেট: ২১:২৬ ২৯ জুন ২০২০

মৃত ছেলেকে বুকে জড়িয়ে হাসপাতালের মেঝেতে শুয়ে কাঁদছেন বাবা। পাশে কাঁদছেন মৃত শিশুর মা। ছবি: সংগৃহীত।

মৃত ছেলেকে বুকে জড়িয়ে হাসপাতালের মেঝেতে শুয়ে কাঁদছেন বাবা। পাশে কাঁদছেন মৃত শিশুর মা। ছবি: সংগৃহীত।

বাবার কোল বা কাঁধে সন্তানের মরদেহ উঠার মতো পৃথিবীতে কঠিন কিছু হতেই পারে না। কিন্তু চিকিৎসকদের অবহেলায় সন্তানের মরদেহ কাঁধে তুলতে যাচ্ছেন প্রেমচাঁদ নামের এক বাবা।  এরইমধ্যে বুকে মানিককে হারিয়ে হাসপাতালের চত্বরে ছেলেকে বুকে ধরে শুয়ে হাউমাউ করে কাঁদছিলেন তিনি। তার সঙ্গে শোকে বিহ্বল স্ত্রীও সমান তালে হাউমাউ করে কাঁদছেন।

রোববার বিকেলে ভারতের উত্তরপ্রদেশের কনৌজের এক সরকারি হাসপাতালে এমনই হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখা গেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, কয়েক দিন ধরে শিশুটির জ্বর ও গলাও ফুলে উঠেছিল। তাই প্রেমচাঁদ ও তার স্ত্রী ছেলেকে নিয়ে সোজা ছুটে গিয়েছিলেন কনৌজের সরকারি হাসপাতালে। সেখানে যাওয়ার পর শিশুটিকে ছুঁয়ে পর্যন্ত দেখেননি চিকিৎসকেরা। উল্টো প্রেমচাঁদকে কিছু করার নেই বলে কানপুরের হাসপাতালে শিশুটিকে নিয়ে যেতে পরামর্শ দেন।

এদিকে প্রেমচাঁদের এমন অভিযোগকে সরাসরি অস্বীকার করছেন চিকিৎসকেরা ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই দিন বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট নাগাদ শিশুটিকে নিয়ে আসেন ওই দম্পতি। তার অবস্থা খুবই সঙ্কটজনক ছিল। সঙ্গে সঙ্গেই শিশুটিকে জরুরি বিভাগে ভর্তি করানো হয়। প্রাথমিক চিকিৎসর পর খবর দেয়া হয় শিশুরোগ বিশেষজ্ঞকে। কিন্তু ততক্ষণে আধঘণ্টা কেটে গিয়েছিল। এই সময়ের মধ্যেই শিশুটির মৃত্যু হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরো দাবি করে, শিশুটিকে বাঁচানোর যথাসাধ্য চেষ্টা করা হয়েছিল। তাই গাফিলতির কোনো প্রশ্নই আসে না।

প্রেমচাঁদের অভিযোগ, প্রথমে চিকিৎসকেরা ছেলেকে ছুঁয়ে দেখতেই চাননি। হাসপাতালেই বেশ কিছু লোক ঘটনাটির ভিডিও করায় চিকিৎসকেরা ছেলেকে পরীক্ষা করা শুরু করেন। আধঘণ্টা অপেক্ষা করানো হয়েছিল আমাদের। তারপর ছেলেকে কানপুরে নিয়ে যেতে বলেন চিকিৎসকেরা।
প্রেমচাঁদের ভাষ্য, তিনি গরিব মানুষ। টাকা নেই। তাই কোনো কিছু করার সামর্থ্য তার নেই।

সূত্র-এনডিটিভি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ