Alexa ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির নামে প্রতারণা, গ্রেফতার ১

ঢাকা, শুক্রবার   ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ২৮ ১৪২৬,   ১৫ রবিউস সানি ১৪৪১

ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির নামে প্রতারণা, গ্রেফতার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৫৯ ২১ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ২০:১২ ২১ নভেম্বর ২০১৯

প্রতারক মো. বনি আমিন ওরফে সাকিব। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

প্রতারক মো. বনি আমিন ওরফে সাকিব। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের নাম ব্যবহার করে প্রতারণার  অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে ডিবি। গ্রেফতার ব্যক্তির নাম মো. বনি আমিন ওরফে সাকিব (২৯)।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (দক্ষিণ বিভাগ) লালবাগ জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) খন্দকার লেনিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এডিসি খন্দকার লেনিন জানান, গ্রেফতারের সময় তার কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত একটি মুঠোফোন ও ১৯টি ভিজিটিং কার্ড উদ্ধার করা হয়। ভিজিটিং কার্ডে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি, সরকারি বাঙলা কলেজ শাখা ও রাজস্ব পরিদর্শক, ঢাকা ওয়াসা, পিপিআই রাজস্ব জোন-৩ লেখা ছিল।

তিনি জানান, বুধবার রাজধানীর দারুস সালাম থানার মিরপুর সরকারি বাংলা কলেজ সংলগ্ন ফুটওভার ব্রিজের নিচে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এডিসি খন্দকার লেনিন আরো জানান, আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য সাকিব বিভিন্ন সময় নিজেকে ঢাকা ওয়াসার রাজস্ব পরিদর্শক ও মিরপুর বাঙলা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি পরিচয় দিতেন।

এ ব্যাপারে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় দারুস সালাম থানায় বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

ডিবি সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত সাকিব গত ৩১ অক্টোবর নিজেকে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পরিচয় দিয়ে এনসিসি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে নিজের মুঠোফোন থেকে কল করে সাকিবকে ব্যাংকে চাকরি দেয়ার জন্য বলেন। পরে তিনি আরেকটি মুঠোফোন থেকে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চাকরির বিষয়ে কথা বলেন এবং ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির রেফারেন্স দেন।

ডিবি আরো জানায়, প্রকৃতপক্ষে প্রতারক সাকিব নিজেই নিজের চাকরির জন্য এনসিসি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেন। এ কাজে তিনি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জয়ের নাম ব্যবহার করেন।

ব্যাংক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে ছাত্রলীগ নেতা জয় গত ১২ নভেম্বর শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেন। পরে বিষয়টি তিনি গোয়েন্দা বিভাগের মাধ্যমে তদন্ত করার আবেদন করেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত সাকিব প্রতারণার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে ডিবি।

ডেইলি বাংলাদেশ/ইএ/টিআরএইচ/মাহাদী