ঢাকা, শুক্রবার   ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯,   ফাল্গুন ৯ ১৪২৫,   ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪০

পদ্মা সেতুতে রেল প্রকল্পের উদ্বোধন শনিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক

 প্রকাশিত: ১৭:১১ ১১ অক্টোবর ২০১৮   আপডেট: ১১:১৮ ১৩ অক্টোবর ২০১৮

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

বাংলাদেশে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়িত হচ্ছে পদ্মা বহুমুখী সেতু। এরইমধ্যে বিশাল এই প্রকল্পে রেলপথও সংযুক্ত হয়েছে। আগামী শনিবার রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. শরিফুল আলম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, আগামী ১৩ অক্টোবর (শনিবার) ‌‘পদ্মা সেতু রেল সংযোগ নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে যশোর পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রথম পর্যায়ে মাওয়া থেকে পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে রেললাইন জাজিরা, শিবচর, ভাঙ্গা জংশন হয়ে বিদ্যমান ভাঙ্গা স্টেশনের সঙ্গে যুক্ত হবে। এতে  ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, শরিয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, নড়াইল ও যশোর জেলা সংযুক্ত হবে।

পদ্মা সেতুর মাধ্যমে ঢাকার সঙ্গে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে। ঢাকা থেকে ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, যশোর, খুলনা ও দর্শনার সঙ্গে সংক্ষিপ্ত রুটে উন্নততর রেল যোগাযোগ স্থাপন করা হবে।

এ রুটে জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্রডগেজ মালবাহী ও কন্টেইনার ট্রেন চলবে। যাত্রী সেবার মান উন্নতকরণ এবং যাত্রী সুবিধাদি বৃদ্ধি পাবে। সম্পদের সদ্ব্যবহার ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ রেলওয়ের অপারেশনাল দক্ষতা ও আর্থিক পারফরমেন্স উন্নত হবে।

বাংলাদেশের মধ্যে ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আরেকটি উপ-রুট হবে। ভবিষ্যতে এ রুটে দ্বিতীয় লাইন নির্মাণ এবং বরিশাল ও পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দরকে সংযুক্তকরণের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

চীনা জিটুজি পদ্ধতিতে চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লি. নামের চীন সরকারের মনোনীত ঠিকাদার প্রকল্পটির কাজ করছে। চীনা এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে ২ হাজার ৬৬৭ দশমিক ৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

প্রকল্পটির মাধ্যমে নতুন প্রযুক্তি প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে –২৩ কি,মি. এলিভেটেড ভায়াডাক্টে ব্যালাস্টবিহীন রেললাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। এলিভেটেড ভায়াডাক্টের ওপর দুটি প্লাটফরম, একটি মেইনলাইন ও দুটি লুপ লাইনসহ রেলওয়ে স্টেশন নির্মাণ ও তাতে লিফট স্থাপন করা হবে। প্রায় ১১ মিটার উচু রেললাইনের নিচে দিয়ে সড়কের জন্য আন্ডার পাস নির্মাণের মাধ্যমে উভয় পথে নিরবিচ্ছিন্ন ও নিরাপদ ট্রেন ও গাড়ি চলাচল নিশ্চিত করা হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে