Alexa চুয়াডাঙ্গায় বৃদ্ধি পাচ্ছে ঘাষের চাষ

ঢাকা, শুক্রবার   ২৩ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৮ ১৪২৬,   ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

চুয়াডাঙ্গায় বৃদ্ধি পাচ্ছে ঘাষের চাষ

 প্রকাশিত: ১৫:৩৫ ২২ ডিসেম্বর ২০১৭  

ছবি সংগৃহিত

ছবি সংগৃহিত

বাড়ছে গরুর খামার। খামার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে গো খাদ্যর চাহিদা। বৃদ্ধি পাচ্ছে নেপিয়ার ও পাকচং-১ ঘাসের চাষ।

জানা গেছে, গত বছর ঘাসের চাষ হয়েছিল ১২ একরের মত জমিতে। চলতি বছরে এই ঘাসের আবাদ বৃদ্ধি পেয়ে ১৫ একর ৭৯ শতক জমিতে। গরুর আবাদ বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ঘাসের চাহিদা। জেলায় ৪১৭টি রেজিস্ট্রেশন ভুক্ত গরুর খামার রয়েছে। এছাড়াও ছোট বড় বেশ কিছু খামার গড়ে উঠা ছাড়াও গ্রামগঞ্জে প্রায় বাড়ি বাড়ি শুরু হয়েছে গরু মোটাতাজাকরণ। এবার প্রায় জেলায় বেশ কিছু ঘাসের হাট চালু হয়েছে। এসব হাটে মেলে বিভিন্ন ধরনের ঘাস।

জেলায় ১৫ একর ৭৯ শতক জমিতে নেপিয়ার ঘাসের মধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা ৩ একর ৮০ শতাংশ আলমডাঙ্গা উপজেলায় ১ একর ৭৫ শতাংশ দামুড়হুদায় ১ একর ৯৪ শতাংশ ও সবচেয়ে জীবননগর উপজেলায় ৮একর ৩০ শতাংশ জমিতে। পাকচং ঘাসের আবাদ আমাদের জেলায় শুরু না হলেও কয়েকজন খামারি সামান্য পরিমাণ জমিতে এই নতুন ঘাসের চাষ শুরু করেছে।

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা সদরের মাদ্রাসা পাড়ার মাহামুদ হাসান মাসুদ একটি ছোট গরুর খামার রয়েছে। খামারে রয়েছে ছোট বড় ৮টি গরু। এ গরুর জন্য সে ২৩ কাঠা জমিতে পাকচং -১ জাতের ঘাসে আবাদ করেছে।

মাহামুদ হাসান মাসুদ জানান, তার বাড়িতে টিনের সেড দিয়ে ৩ বছর আগে গরুর চাষ শুরু করে। বর্তমানে তার ৩টি গাভি, ২টি ছোট এড়ে বাছুর ও ৩টি গরু রয়েছে। সে গরুগুলোকে প্রতিদিন ৫ কেজি শুকনা খড় (বিচালি) ও ২০ কেজির উর্ধ্বে পাকচং-১ জাতের ঘাস খাওয়ায়। এতে তার গরু গুলো ভালো হৃষ্ট পুষ্ট হয়েছে। তবে সে কোনো সময় গরুর মোটাতাজাকরনের জন্য ভ্যাকসিন বা কোনো রকম ওষুধ খাওয়ায় না। ২টা গাভী গরু প্রতিটি গাভী ১৭ থেকে ২০ কেজি পর্যন্ত দুধ দিয়ে থাকে।

ঘাষের চাহিদা বাড়ায় জেলা সদরসহ দামুড়হুদা, জীবননগর, আলমডাঙ্গার বিভিন্ন স্থানে ঘাসের হাট বসেছে। এসব হাট সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে। ভোর থেকে বিভিন্ন গ্রামগঞ্জ থেকে ব্যবসায়ীরা শ্যালোইজ্ঞিন চালিত আলোমসাধু, করিমন, ব্যাটারী চালিত পাখিভ্যন যোগে বিভিন্ন ধরনের ঘাস এনে হাটে জড়ো করে। ক্রেতারা এসব হাট থেকে নিজেদের চাহিদা মত পছন্দের ঘাস ১৫-২০ টাকা আটি দরে কিনে নিয়ে যায়।

জেলার দামুড়হুদা উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার মশিউর রহমান জানান, দীর্ঘ দিন ধরে এ এলাকায় নেপিয়ার ঘাসের আবাদ হলেও সম্প্রতি থাইল্যান্ড থেকে আমদানীকৃত পাকচং ঘাসের আবাদ শুরু হয়েছে। নেপিয়ার ঘাস সাধারনত উচু জমিতে হয়ে থাকে। এই ঘাস বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শক্ত হতে থাকে। নেপিয়ার ঘাস ছোট অবস্থায় গরুর খাওয়ানো যায় বড় হয়ে গেলে গরুর খাওয়া সমস্যা হয়। এই ঘাসে মাটি বিশেষ ৮ থেকে ১২ % প্রোটিন থাকে। পাকচং ঘাস সাধানত উচু নিচু সব জমিতে ভালো হয়। এই ঘাষের মেয়দ কাল ৬ থেকে ৭বছর হয়ে থাকে। পাকচং ঘাসে মাটি বিশেষ প্রোটিন থাকে ১৮ থেকে ২৪% এই ঘাস সাধারনত নরম থাকে এতে করে ঘাসের বয়স বেশি হলেও শক্ত হয় না একারনে গরুর খাওয়াতে ও কোনো ঝামেলা হয় না।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআর

Best Electronics
Best Electronics