চিকেন পক্স প্রতিরোধে কাঁচা পেঁপের জাদু!

ঢাকা, রোববার   ২৯ মার্চ ২০২০,   চৈত্র ১৫ ১৪২৬,   ০৪ শা'বান ১৪৪১

Akash

চিকেন পক্স প্রতিরোধে কাঁচা পেঁপের জাদু!

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:৪৩ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৪:৪৬ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

এক সময় চিকেন পক্সে অনেক মানুষের মৃত্যু হতো। এ রোগ ছোঁয়াচে। সারা বছরই এই রোগ হলেও বসন্তের শুরুতে এই রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি থাকে। ছোঁয়াচে এ রোগ ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শ, হাঁচি-কাশি এবং ব্যবহৃত জিনিসপত্রের মাধ্যমে বেশি ছড়িয়ে থাকে।

সতর্কতা
এ রোগে আক্রান্ত হলে বিশেষ কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। আক্রান্ত রোগীকে আলাদা একটি ঘরে রাখা প্রয়োজন হয়। রোগীর ব্যবহৃত পোশাক, গামছা যাতে অন্য কেউ ব্যবহার না করে সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে। পক্স ভালো হয়ে গেলেও ব্যবহৃত সব কাপড়-চোপড়, বিছানার চাদর, তোয়ালে গরম পানি এবং স্যাভলন দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

করণীয়
সাধারণত ভাইরাস সংক্রমণের ১০ থেকে ২১ দিন পর শরীরে চিকেন পক্সের লক্ষণ দেখা দেয়। আসুন জেনে নেয়া যাক চিকেন পক্স প্রতিরোধ করবে এমন কিছু খাবার সম্পর্কে-

> বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকেন পক্স থেকে বাঁচতে হলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। সকালে খালি পেটে কাঁচা হলুদের রস খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। 

> বিশেষজ্ঞরা আরো জানান, এ সময় প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় প্রবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার পেঁয়াজ, কলা, রসুন খেতে পারেন।

> পুষ্টিবিদরা জানান, চিকেন পক্সে আক্রান্তরা এক চামচ মধুর সঙ্গে গোলমরিচের গুঁড়া মিশিয়ে খেতে পারেন।

> পক্স হলে শরীরে পানির চাহিদা দেখা দেয়। তাই আর্দ্রতা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন। ফলের জুস, বাটার-দুধ, লাচ্ছি এবং স্যুপ খেতে পারেন।

> বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সময় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে।

> পাশাপাশি চিকেন পক্সে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সমৃদ্ধ কাঁচা পেঁপে খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।

> অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিম্যালারিয়াল, অ্যান্টিভাইরাল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল সমৃদ্ধ নিমপাতা চিকেন পক্স নিরাময়ে খুব ভালো কাজ করে। তাজা নিমপাতার রস খেলে উপকার পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে নিমপাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে রোগীকে গোসল করাতে হবে।

> রোগীকে মাছ-মাংস, ডিম-দুধ সবই খাওয়াতে হবে। পুষ্টিকর খাবার খেলে রোগ আরোগ্য সহজ হবে।

> চুলকানির জন্য এন্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ দেয়া যেতে পারে। সঙ্গে অন্য কোনো ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ যাতে না ঘটে সেজন্য অ্যান্টিস্যাপ্টিক দেয়া যেতে পারে।

> জ্বর, গা ব্যথার জন্য প্যারাসিটামল এবং সারা শরীরে লোপিও ক্যালাসিন লোশন লাগানো যায়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএ/এসএএম