চিকিৎসা নিতে ভারত যাচ্ছেন, রইলো পরামর্শ
SELECT bn_content_arch.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content_arch INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content_arch.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content_arch.ContentID WHERE bn_content_arch.Deletable=1 AND bn_content_arch.ShowContent=1 AND bn_content_arch.ContentID=80528 LIMIT 1

ঢাকা, রোববার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ৬ ১৪২৭,   ০২ সফর ১৪৪২

চিকিৎসা নিতে ভারত যাচ্ছেন, রইলো পরামর্শ

নিউজ ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:৩৪ ৩১ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ২০:৩৫ ৩১ জানুয়ারি ২০১৯

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশ থেকে ভারতে চিকিৎসা নিতে যাওয়া লোকের সংখ্যা নেহাতই কম নয়। হৃদ্যন্ত্রের সমস্যা হোক কিংবা লিভারের অসুখ, চিকিৎসা করাতে যাওয়া বহু বাংলাদেশির গন্তব্য দক্ষিণ ভারতে। সেখানে বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে সরাসরি ফোনে যোগাযোগ করা যায়। 

নতুন রোগীর রেজিস্ট্রেশনের জন্য ওয়েবসাইটও রয়েছে। সেখানে রোগীর যাবতীয় চিকিৎসা-ইতিহাস জমা দিলে, কবে কোন ডাক্তারকে দেখানো যাবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। 

চিকিৎসা চলাকালীন ভিন্ন রাজ্যের রোগী ও পরিজনেদের থাকা-খাওয়ার সন্ধান দিতে দক্ষিণ ভারতের কয়েকটি হাসপাতালে আলাদা বিভাগও রয়েছে। সেখানে যোগাযোগ করলে অচেনা শহরে সুবিধা হবে রোগীর পরিবারের।

ক্যানসারের চিকিৎসায় আক্রান্তের বড় অংশই মুম্বাইয়ের টাটা মেমোরিয়াল সেন্টারে যান। সেখানে অনলাইনেই রোগীর রেজিস্ট্রেশন করানো যায়। নিখরচায় চিকিৎসার জন্য বিশেষ ফর্ম পূরণ করার পরেই হাসপাতালের তরফে দিন নির্ধারণ করে জানানো হয়। ক্যানসারের মতো সময় সাপেক্ষ চিকিৎসায় রোগীর পরিজনেদেরও ভিন্ন রাজ্যে গিয়ে থাকতে হয়। তাই ওই হাসপাতালেই রয়েছে মেডিকেল সোশ্যাল ওয়ার্কার বিভাগ। সেখানে যোগাযোগ করলে, থাকা-খাওয়ার আনুমানিক হিসাব দেয়া হয়। পাশাপাশি, কোথায় থাকা যাবে, সে সম্পর্কে ধারণাও দেয়া হয়।

গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি কিংবা হৃদরোগের চিকিৎসায় এ রাজ্যের রোগীদের বড় অংশ যান ভেলোরের ক্রিশ্চিয়ান মেডিকেল কলেজে। বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য সেখানে ফোনে যোগাযোগ করা যায়। তাছাড়া হাসপাতালের নিজস্ব ওয়েবসাইট রয়েছে। সেখানে অনলাইনে রোগীর যাবতীয় চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি জমা দিলেই হাসপাতালের তরফে পরবর্তী পদক্ষেপ জানানো হবে। পেটের চিকিৎসায় তামিলনাড়ু ছাড়াও অন্ধ্রপ্রদেশের এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব গ্যাস্ট্রোএনটেরোলজি-তে বহু রোগী যান।

পেট কিংবা হৃদযন্ত্রের মতোই চোখের চিকিৎসার জন্যও এ রাজ্য থেকে অসংখ্য রোগী তামিলনাড়ুর শঙ্কর নেত্রালয়ে যান। স্নায়ু রোগের চিকিৎসায় বড় ভরসা কর্নাটকের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড নিউরো সায়েন্স। এই হাসপাতালেও রোগীর চাপ খুব বেশি। কারণ স্নায়ু রোগের চিকিৎসা করতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বহু মানুষ ওই হাসপাতালে যান। বহির্বিভাগে দেখানোর জন্য অনলাইনে বুকিং করা ছাড়াও হাসপাতালের নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যোগাযোগ করে নেয়া যায়। সে ক্ষেত্রে জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা কিংবা ডাক্তারের পরামর্শও নেয়া যেতে পারে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই