Alexa চিকিৎসক না থাকায় ভোগান্তি

ঢাকা, শুক্রবার   ২৩ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৮ ১৪২৬,   ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

চিকিৎসক না থাকায় ভোগান্তি

বরুণ ব্যানার্জী, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৫:৪৪ ৩০ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৪:৪০ ৩১ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সরকারিভাবে স্বল্প খরচে ভাল চিকিৎসা নিতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে রোগীরা আসে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে। কিন্তু হাসপাতালে নিয়মিত চিকিৎসক না থাকায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন রোগীরা।

এছাড়া চিকিৎসকদের গাফলতির কারণে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সেবা নিতে আসা রোগীরা। 

রোগীদের অভিযোগ যারা দায়িত্বে আছেন তারা নিয়মিত হাসপাতালে আসেন না। শহরে বিভিন্ন ক্লিনিকের মালিকানা থাকায় অফিস সময়েও সেদিকেই নজর বেশি তাদের। তার ওপর আছে প্রাইভেট ক্লিনিকে প্রাকটিস। 

শিশু চিকিৎসক, চক্ষু বিশেষজ্ঞ সার্জন, অর্থপেডিক্স সার্জন, নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞও নেই হাসপাতালে। যারা ছিলেন তারা নিয়োগ নিয়ে অন্যত্র চলে গেছেন। শিশু রোগীরা মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। চিকিৎসকদের নিজস্ব  ক্লিনিক থাকায় রোগীদের ভাগিয়ে নিজেদের ক্লিনিকে পাঠিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। 

১৭৮ নার্সের পদ থাকলেও ৮টি পদ শূন্য। তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারি ২৮ জন, এর মধ্যে ৫টি পদ শূন্য। চতুর্থ শ্রেণির ২৪ জন কর্মরত আছে। এছাড়া হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে ১৩৪টি যন্ত্রপাতির ভেতরে ৬৮টি অকেজো হয়ে পড়ে আছে।

স্থানীয় রুগী গোলাম মোহাম্মাদ বলেন, চিকিৎসকরা ঠিকমতো রোগী দেখেন না। তাদের জন্য অপেক্ষার প্রহর কাটে না। নার্সদেরকে ডাকতে গেলে তারা মুখ কালো করে। 

চিকিৎসা নিতে আসা খলিল হোসেন বলেন,  হাসপাতালে ডাক্তার কখন আসে কখন যায় এটা কেউ বলতে পারে না। ডাক্তাররা ব্যবসা খুলে বসে আছে। আমাদের যদি কোন রিপোর্ট দেয় সেটা রিপোর্ট যদি হাসপাতাল থেকে করি তাহলে বলে এটা ভুল। আর যখন বাহিরের ক্লিনিক থেকে করে নিয়ে আসি তখন বলে এটা ঠিক। আমরা গরিব মানুষ হাসপাতালে আসি কয়টা টাকা বাচাঁনোর জন্য। কিন্তু সেটা হয় না । 

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা আকবার আলী বলেন, আমার পা একটা ভাঙ্গা। যে রকম সেবা পাওয়ার কথা সে রকম সেবা পাচ্ছি না। এমন কি ঔষধ ও ঠিকমতো পাচ্ছিনা । 

এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, সদর হাসপাতালটি ১০০ বেডের হওয়া সত্বেও এখানে প্রতিদিন রুগী ভর্তি থাকে ২শ থেকে ২৫০ জন। চিকিৎসকের পদ আছে ২৭ টি, কর্মরত আছেন ১৩ জন। ১৪ টি পদ খালি। 

তিনি আরো বলেন, শুধু মাত্র মেডিসিন, গাইনি ও সার্জারি বিভাগের কনসালটেন্ট আছে । আর কোনো বিভাগে কনসালটেন্ট নেই । যে কয়জন চিকিৎসক এখানে কর্মরত আছেন । তারা এখান থেকে নিয়মিত চিকিৎসা সেবা দেন। হয়তো অফিস টাইম দুই একজনের এদিক সেদিক হতে পারে। জনবল নিয়োগ হলে রোগীরা অনেক বেশি সেবা পাবেন। আর এখানে সরকারি যে ওষুধ আছে তাই দিয়েই রুগীদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে

Best Electronics
Best Electronics