চাহিদা নেই, উপায় না পেয়ে ২২ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি

ঢাকা, বুধবার   ০১ এপ্রিল ২০২০,   চৈত্র ১৯ ১৪২৬,   ০৮ শা'বান ১৪৪১

Akash

চাহিদা নেই, উপায় না পেয়ে ২২ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১১:৫৩ ১৬ জানুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১১:৫৪ ১৬ জানুয়ারি ২০২০

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

নিরুপায় হয়ে ২২ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। চাহিদা কম অথচ মজুদ বেশি তাই গুদামে পঁচতে শুরু করেছে পেঁয়াজ। 

আনন্দবাজার একটি প্রতিবেদনে জানা গেছে, তিন মাস ধরে পেঁয়াজের দাম ছিল ঊর্ধ্বমুখী। এখনো ৮০ থেকে ১০০ টাকায় পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে দেশটির বিভিন্ন শহরে। এর মধ্যেই মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছে, গুদামে পড়ে থাকা পেঁয়াজ ২২ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হবে।

জানা যায়, চাহিদার কথা মাথায় রেখে গতবছরই বিদেশ থেকে এক লক্ষ ২০ হাজার টন পেঁয়াজ কেনায় অনুমোদন দেয় ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা। তখন তুরস্ক, মিশর এবং আফগানিস্তান থেকে ১৮ হাজার টন পেঁয়াজ ভারতে এসে পোঁছায়। কিন্তু মূল্যবৃদ্ধির ফলে আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি করা যায়নি। তাই শেষমেশ পেঁয়াজের দাম আরো কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় খাদ্য সরবরাহ মন্ত্রী রামবিলাস পাসোয়ান বলেন, মোট ১৮ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি করা হলেও, এখন মাত্র ২ হাজার টন পেঁয়াজই বিক্রি হয়েছে। এখন ২২ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

রামবিলাস আরো জানান, মন্ত্রীসভার অনুমোদনের পর বিভিন্ন দেশে মোট ৩৬ হাজার টন পেঁয়াজের বরাত দেয়া হয়। তার মধ্যে ১৮ হাজার টন দেশে এসে পোঁছেছে। কিন্তু তা বিক্রি করাই অসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু কেন এমন পরিস্থিতি তৈরির জন্য রাজ্যগুলোকেই দোষারোপ করছেন তিনি।

রামবিলাসের দাবি, ঘরোয়া বাজারে চাহিদার জোগান দিতে এবং মূল্যবৃদ্ধিতে রাশ টানতেই বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। কিন্তু আমদানিকৃত পেঁয়াজ কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না রাজ্যগুলো। এতে আমাদের কিছুই করার নেই।

এখনও পর্যন্ত অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরল, উত্তরপ্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গই আমদানিকৃত পেঁয়াঁজ কিনেছে বলে জানিয়েছেন রামবিলাস। আবার শুরুতে আগ্রহ দেখিয়েও অনেক রাজ্য পরে অবস্থান পাল্টেছে।

ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের সচিব অবিনাশ শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, আগামী দুই দিনের মধ্যেই বিদেশ থেকে আরো চার হাজার টন পেঁয়াজ এসে পৌঁছাবে। মাসের শেষে এসে পৌঁছবে আরো ১৪ হাজার টন। আরো সাড়ে পাঁচ হাজার টন পেঁয়াজ এসে পৌঁছনোর কথা ছিল। কিন্তু চাহিদার অভাবে শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করা হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস