Alexa চাটমোহরে সড়ক দখলের মহোৎসব

ঢাকা, বুধবার   ১৭ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ২ ১৪২৬,   ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪০

চাটমোহরে সড়ক দখলের মহোৎসব

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১০:০৯ ৯ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১০:১৫ ৯ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

পাবনার চাটমোহরে স্থানীয় প্রশাসনের আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাবে চাটমোহর পৌর সদরের বিভিন্ন সরকারী জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করছে একটি চক্র। চাটমোহর পৌর সদরের প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে নদী-খাল সবই প্রায় দখল হচ্ছে নির্দিধায়। আর অবৈধ দখলদাররা দিনদিন  স্থানীয় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে নতুন নতুন সড়কের জায়গা দখল করেই চলেছে।

তারপরও স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এতে করে পৌর সদরের অভ্যন্তরের সড়কগুলো হচ্ছে সংকুচিত, এর সাথে বাড়ছে যানযট।

এসব অবৈধ দখলদাররা অধিকাংশই ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের ছত্রছায়ায় থাকায় প্রশাসন নির্বিকার। আবার সরকারি সম্পদ তছরুপ করলেও তাদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেনা প্রশাসন। কেউ কেউ সরকারী দলের নাম ভাঙ্গিয়ে অফিস বানিয়ে দখল করে রেখেছে সরকারী জায়গা। এর ফলে চাটমোহর পৌর সদরের বিভিন্ন এলাকা, রাস্তার দু’পাশে গড়ে উঠছে বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা। কে বা কারা এদের অনুমতি দিয়ে সরকারী রাস্তা দখল করাচ্ছে তাও সাধারন মানুষের বোধগম্য নয়।

চাটমোহর পৌর মেয়র মির্জা রেজাউল করিম দুলাল দখলের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পৌর সদরের অধিকাংশ দখলদারের নেশাই হল সরকারি জায়গা দখল করা। অনেকবার তাদেরকে বলেছি, নোটিশ করেছি, লাল দাগের সীমানা করে অবৈধ দখল ছেড়ে দিতে বলেছি। তারা কোন কিছুতেই কর্ণপাত করে না।

কিছুদিন আগে ইউএনও সাহেবের সহযোগীতায় বাজার এলাকায় বেশ কিছু অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হয়েছে। এছাড়া প্রায় দুই বছর আগে বাসষ্ট্যান্ড থেকে দোলং মোড় পর্যন্ত ১১১ অবৈধ দখলদারকে নোটিশ করা হয়েছে তাদের অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার জন্য। আজো তা বহাল তবিয়তে দখলাবস্থায় আছে। তবে অবশ্যই সব অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ব্যাপারে চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরকার অসীম কুমার বলেন, সরকারী সম্পদ অবৈধ দখল কোনভাবেই কাম্য নয়। ইতিমধ্যে চাটমোহর পৌর সদরের থানা মোড়, কাচা বাজার, হাসপাতাল গেট এলাকার বেশ কিছু অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।

এছাড়া পৌর সভার পক্ষ থেকেও অবৈধ দখলদারদের নোটিশ করা হয়েছে। অবৈধ দখলদার ব্যক্তিরা যদি তাদের দখলকৃত জায়গা ছেড়ে না দেয় তাহলে রোডস এন্ড হাইওয়ে ও পৌরসভার সহায়তায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস