Alexa চাটমোহরে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

ঢাকা, বুধবার   ২১ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৬ ১৪২৬,   ১৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

চাটমোহরে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

পাবনা প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৬:৫৯ ৩০ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৮:২১ ৩০ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

পাবনার চাটমোহর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আর্থিক অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি বেশকিছু খরচের ভাউচার পাশ করানোর জন্য ইউএনও’র কাছে দিলে তিনি এ অসঙ্গতি পান। তবে অধ্যক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ইউএনও প্রায় ৬ মাসে কোনো অর্থই বরাদ্দ দেন নাই, সেখানে অসঙ্গতির কথা অবন্তর। 

চাটমোহর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. মিজানুর রহমান বলেন, ইউএনওকে সরকার যেদিন থেকে দায়িত্ব দিয়েছে, সেদিন থেকে উনি একটি টাকাও কলেজে দেননি। জাতীয় শোক দিবস পালন, ঈদে মিলাদুন্নবী পালন, বিদ্যুৎ বিল, মহান বিজয় দিবস পালনসহ অন্য কোনো অনুষ্ঠানে টাকা দেননি। সেখানে ভাউচার অসঙ্গতি কিভাবে হলো। এখানে প্রিন্সিপালের ব্যক্তিগত একটি ভাউচারও নাই।
 
শিক্ষকদের অন্য কলেজে চাকুরির বিষয়ে অধ্যক্ষ বলেন, সেটা তো আমি জানি না। কেউ যদি অন্য কলেজে ক্লাস নেন, তাহলে তো সে সম্মানী পান। সেতো বেতন নেন না। সরকারি টাকা না। ইউএনও তার দায়িত্বকালে প্রায় ৬ মাস একজন টিচারকেও বেতন দেন নাই। ইউএনও হয়তো কারো দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এটা করছেন।

এ সকল বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও সরকার অসীম কুমার বলেন, প্রশংসাপত্র বিনামূল্যে দেয়ার কথা। কিন্তু প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ২/৩শ’ টাকা করে নিয়েছেন। সেগুলোর ডকুমেন্ট আছে। অনার্সের শিক্ষক যাদের সঠিকভাবে নিয়োগ আছে, তারা বেতন পাবেন। অনেকে অন্য কলেজে চাকরি করেন, অথচ ২০১২ সাল থেকে এখান থেকেও বেতন নিচ্ছেন। একজন কীভাবে দুই জায়গা থেকে বেতন নেন। এটা আর্থিক অসঙ্গতি। তারপর মার্কেটের ভাড়া বা চুক্তি হালনাগাদ করেননি। তিনি তার মতো করে ভাড়া উঠাচ্ছেন। বিষয়টি আমি এমপি মহোদয়কেও জানিয়েছি। 

অসীম কুমার আরো বলেন, কলেজের অধ্যক্ষ প্রায় ৩ লাখ টাকার বিল-ভাউচার দিয়েছেন। আগে কলেজের পাশ বই, ক্যাশ বই ঠিক ছিলো না, পরে আমি ১ মাসের মধ্যে ঠিক করার কথা বলেছি। যে খাতের টাকা সেই খাতে ব্যয় করতে হবে। তারপরও দেখা যায় পরীক্ষার খাতের টাকা খরচ করেছে, সেই টাকা বিবিধ খাতেও খরচ দেখিয়েছে। আবার অনেক বানানো ভাউচার, যার কোন হদিস নাই। কলেজের বাগান পরিস্কারের নামে অনেক টাকার বিল করা হয়েছে। সেগুলোর সত্যতা মেলেনি। এভাবে প্রায় অর্ধেকের বেশী ভাউচারে অসঙ্গতি। অধ্যক্ষকে কোথায় কীভাবে খরচ হয়েছে তা জানাতে বলা হয়েছে, তিনি জানাননি।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম

Best Electronics
Best Electronics