Alexa ঘুষের অভিযোগে দুদক পরিচালক সাময়িক বরখাস্ত

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৫ ১৪২৬,   ২০ মুহররম ১৪৪১

Akash

ঘুষের অভিযোগে দুদক পরিচালক সাময়িক বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:২৭ ১০ জুন ২০১৯  

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

ঘুষ নেয়ার অভিযোগে দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

সোমবার দুপুরে তার এই বরখাস্তের বিষয়টি জানান কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। 

এর আগে পুলিশের বিতর্কিত ডিআইজি মিজান দাবি করেন, ঘুষ নেয়ার অভিযোগ থেকে আমাকে মুক্তি দিতে ৫০ লাখ টাকা ঘুষ ‘চুক্তি’ করেন খন্দকার এনামুল বাছির। ৫০ লাখ টাকার মধ্যে ২৫ লাখ টাকা গত ১৫ জানুয়ারি রমনা পার্কে বাজারের ব্যাগে করে নগদে নেন দুদক পরিচালক। বাকি ২৫ লাখ টাকার মধ্যে ১৫ লাখ টাকা নগদে নেন গত ১ ফেব্রুয়ারি। এছাড়া ডিআইজি মিজান ও তার স্ত্রীকে দায়মুক্তি দিয়ে ছেলেকে স্কুলে আনা-নেয়ার জন্য একটি গাড়ি চান দুদক পরিচালক। 

ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ পেয়ে নড়েচড়ে বসে দুদক। পরে কমিশনের সচিব দিলওয়ার বখ্তকে প্রধান করে তিন সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয় গতকাল রোববার। কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ এই কমিটিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অর্থাৎ আজ সোমবার প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে খন্দকার এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে দুদক। 

তবে এ বিষয়ে খন্দকার এনামুল বাছির দেশ বলেন, এগুলো সঠিক নয়। এটি একটি বানোয়াট মেটার। যেহেতু তার বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করেছি। মামলার সুপারিশ করায় সে ক্ষুব্ধ হয়ে এসব অপপ্রচার করছে। যার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।

ডিআইজি মিজান খারাপ লোক উল্লেখ করে এনামুল বাছির বলেন, এগুলোর একাংশও সত্য নয়। এসব উল্টাপাল্টা জিনিস করার বিষয়ে সে বিশেষ ওস্তাদ। সব তার সাজানো। আমি সাহস করে তার বিরুদ্ধে মামলার রিপোর্ট করেছি। যেহেতু তার বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করেছি, তাই সে এসব বানোয়াট মেটার রেডি করেছে আরকি।

খন্দকার এনামুল বাছির ১৯৯১ সালে অ্যান্টি করাপশন অফিসার (এসিও) হিসেবে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোতে যোগ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হওয়ার পর তিনি সহকারী পরিচালক, উপ-পরিচালক ও পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি পান। 

এদিকে, নারী কেলেঙ্কারিসহ নানা অভিযোগে বিতর্কিত ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মিজানুর রহমান বর্তমানে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত আছেন। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ সম্পদ অর্জনসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করছে কমিশন। 

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ/এমআরকে