.ঢাকা, শুক্রবার   ২৬ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ১২ ১৪২৬,   ২০ শা'বান ১৪৪০

ঘুরে আসুন গোয়া সমুদ্র সৈকত

ভ্রমণ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ১৪:০৭ ৬ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৪:০৭ ৬ ডিসেম্বর ২০১৮

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

সাগর, বালি, সৈকতে রক্তিম সূর্য্যের অনাবিল দৃশ্য আর সমুদ্র তরঙ্গে আছড়ে পড়া ঢেউ, সবুজ পাহাড়সহ প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য দেখতে যেতে পারেন ভারতের গোয়া। জলপ্রপাত, প্রাচীন গুহা, ঐতিহাসিক গির্জা কী নেই সেখানে। সৈকতে নারিকেল গাছের সারি, পানকৌড়ি-বকসহ নানা পরিযায়ী পাখির কলতান, আর স্বচ্চ পানির ফোয়ারা দেখতে রোজ গোয়ায় ভিড় করেন হাজারো পর্যটক। কয়েক দশক ধরেই বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু গোয়া।

জানা গেছে, ভারতের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত এই এলাকাটি পর্তুগিজদের শাসনাধীন ছিল ১৯৬১ সাল পর্যন্ত। এই রাজ্য গোয়া নামে পরিচিত হয় ১৯৮৭ সালে। সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য গোয়া আদর্শ পর্যটন কেন্দ্র। গোয়ার একটা সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে, যেখানেই যাবেন পর্তুগিজদের প্রভাব অনুভব করবেন। গোয়ার এক-একটি সৈকত একেক রকম। গোয়ার সৈকতের সংখ্যা অনেক তবে তার মধ্যে যেগুলো বিখ্যাত সেগুলো সম্পর্কে একটু জেনে রাখা ভালো।

বাগা সৈকত: এই সৈকতটি গোয়ার মধ্যে বিখ্যাত। গোয়া গিয়ে বাগা সৈকতে না গেলে আপনার গোয়া যাওয়া বৃথা হয়ে যাবে! সৈকতটি যেমন সুন্দর তেমন এখানে সময় কাটানোর জন্য বিভিন্ন রকম সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। 

ক্যালানগুট সৈকত: গোয়ার সবচেয়ে বড় সৈকত এটি। ভারতের মানুষ এই সৈকতকে ‘বীচের রানী’ বলে ডাকে। সে কারণে এটি গোয়ার একটি বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র।

পালোলেম সৈকত: সৈকতটি গোয়ার সৌন্দর্যকে আরো আকর্ষণীয় করেছে। এখানকার সূর্যাস্ত উপভোগ করার মতো।

অনজুনা সৈকত: গোয়ার উত্তর অংশের একটি ছোট গ্রাম অনজুনা। তার একপাশে অসাধারণ এই পর্যটন কেন্দ্রটি। এই সৈকতে গেলে ফ্লিয়া মার্কেটটি অবশ্যই ঘুরে আসবেন।

বাটারফ্লাই সৈকত: গোয়ার খুব সুন্দর ও মিষ্টি সৈকত এটি। বসন্তকালে যখন গাছে গাছে ফুল ফোটে, হাওয়া বয় তখন মনে হবে, আপনি পৃথিবীর স্বর্গে বাস করছেন!

গোয়ায় প্রতিবছর ২ কোটি পর্যটক আসে। গোয়ায় আসার জন্য কয়েকটি পথ রয়েছে। পৃথিবীর যে কোনো স্থান থেকে গোয়ায় আসার জন্যে সবচেয়ে কাছের এয়ারপোর্ট হলো মুম্বাই ইন্টারন্যাশনাল বিমানবন্দর। মুম্বাই থেকে ট্রেন বা বাসে সহজেই যাওয়া যায়। গোয়ায় প্রচুর হোটেল এবং রিসোর্ট রয়েছে। অগ্রিম হোটেল বুক না করলে এখানে হোটেল কক্ষ পাওয়া খুবই কষ্টকর। 

ডেইলিবাংলাদেশ/এনকে