ঘুমন্ত ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে খাদ্য পৌঁছে দিলেন ডিসি

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৪ জুন ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ২১ ১৪২৭,   ১১ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

ঘুমন্ত ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে খাদ্য পৌঁছে দিলেন ডিসি

দিনাজপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১০:০৯ ২ এপ্রিল ২০২০   আপডেট: ১৮:০৯ ৫ এপ্রিল ২০২০

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

করোনাভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিলেন দিনাজপুরের ডিসি মো. মাহমুদুল আলম। 

বৃহস্পতিবার ভোরে খাদ্যসামগ্রী বিতরণের উদ্দেশে জেলার পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরেন ডিসি। এ সময় তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে ঘুমন্ত মানুষকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে তাদের হাতে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেন।

ডিসির এমন আচরণে মুগ্ধ হয়ে এ সময় অনেককে হাত তুলে আল্লাহর কাছে দোয়া প্রার্থনা করতে দেখা গেছে।

দিনাজপুরের ডিসি, অতিরিক্ত ডিসি, সদর ইউএনও, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছয়টি দল শহরের বিভিন্ন এলাকায় ৫০০ পরিবারকে রাত ৪টা থেকে সকাল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত দিনাজপুর পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে এ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের কাজ করেন।

গভীর রাতে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করার কারণ হলো, যাতে করে ত্রাণ দিতে গিয়ে জনসমাগন না হয়। এমনটাই জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা। 

গত ২৭ মার্চ দিনাজপুর ডিসি’র নির্ধারিত ওয়েবসাইডের ফরমে করোনায় কর্মহীন ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষেরা ডিসি’র কাছে খাদ্যসামগ্রীর জন্য আবেদন করলে সেগুলো যাচাইবাছাই করে এসব ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে বলে জানান ডিসি মো. মাহমুদুল আলম। 

তিনি আরো জানান, ১০ দিনের জন্য একটি পরিবারকে চাল, ডাল, আলু সরবরাহ করা হয়েছে। দেশের এ ক্রান্তিকালে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদেরও এগিয়ে আসা উচিত । 

ডিসি বলেন, আমি ভালো আছি এ চিন্তা করার সময় এখন নয়। আমার চারপাশের লোকজন কতটা ভালো আছেন সেটাই দেখার সময় এখন। জেলা শহরের ৫০০ হতদরিদ্র, কর্মহীন পরিবারকে আমরা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছি। রাতে ত্রাণ দেয়ার কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।

এ কাজটি আমি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকরা, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সহযোগিতায় সম্ভব হয়েছে। তারাও প্রতিনিয়তই দিনরাত খেটে যাচ্ছেন। আমরা চাই দেশের মানুষ ভালো থাকুক। প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের কথা ভেবেই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ/